Logo
শিরোনাম
নাইক্ষ্যংছড়িতে শাপলা কলি তথা ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনী পথসভা ও গণমিছিল বিলাইছড়িতে দুর্গম বড়থলির একটি কেন্দ্রে নির্বাচনী সরঞ্জাম পৌঁছালো  হেলিকপ্টার যোগে চকরিয়ায় সরকারি টোল পয়েন্ট দখল করে নদীতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ সন্রাসী চাঁদাবাজি মাদক মুক্ত আধুনিক পটিয়া গড়ে তুলতে মোমবাতি প্রতিকে ভোট দিন- সৈয়দ এয়ার মুহাম্মদ পেয়ারু পটিয়ায় ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করে ওলামা দলের ব্যাপক প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ রাজস্থলী ও বাঙ্গালহালিয়াতে ধানের শীষের নির্বাচনী জনসভায় এ্যাড ঃ দীপেন দেওয়ান,,, ধানের শীষ জনগণের অধিকার, ন্যায়ের রাজনীতি ও উন্নয়নের প্রতীক।” চকরিয়ায় নিঃসন্তান বৃদ্ধের শেষ সম্বল দুই গরু চুরি… এক চোখ হারানো নাতনীর চিকিৎসার স্বপ্ন ভেঙে কান্নায় নিঃস্ব দম্পতি ঈদগাঁও স্টেশনে হাতপাখার পদপ্রার্থী মুহাদ্দিস আমীরুল ইসলাম মীরের গনসংযোগ পটিয়ার চক্রশালা কৃষি উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা সম্পন্ন রাজস্থলীতে সড়ক দুর্ঘটনায় তিন মোটরসাইকেল আরোহী গুরুতর আহত, একজনের অবস্থা আশংকাজনক ।

বরিশালে ক্ষীরা চাষে লাভবান কৃষকরা

ডেস্ক নিউজ :ক্ষীরা চাষে লাভবান হিজলার কৃষকরাপলাশ দাস, (হিজলা-বরিশাল) বরিশালের হিজলা উপজেলার হিজলা গৌরবদী ইউনিয়নের নদী ভাঙন কবলিত চরাঞ্চলের অনেক কৃষক পরিবার মৌসুমী ফল ক্ষীরা চাষে সাবলম্বী হয়েছেন। বর্তমানে ক্ষীরা তোলা, বিক্রি ও ক্ষেতের পরিচর্যা করায় ব্যস্ত সময় পার করছেন এ অঞ্চলের কৃষকরা।

স্থানীয়রা জানান,  চরাঞ্চলের অনেক পরিবার বসত ঘর ও ফসলি জমি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছিল। চরম অভাবের মধ্যে দিন কাটাতো তারা। এই গ্রামের কৃষকরা কয়েক বছর যাবত ক্ষীরা চাষ শুরু করেন।সফলতা পাওয়ায় অন্যরাও ক্ষীরা চাষে এগিয়ে আসছে। এ বছর প্রায় দুই একর জমিতে ক্ষীরা চাষ হয়েছে। এখানকার উৎপাদিত ক্ষীরা খেতে সুস্বাদু হওয়ায় বাজারে বেশ চাহিদা রয়েছে। জেলার এবং পাশবর্তী শরিয়তপুর জেলার বিভিন্ন হাটে ক্ষীরা প্রতি মণ ৮ শত থেকে এক হাজার টাকা পাইকারি ও প্রায় দের থেকে দুই হাজার টাকা খুচরা বিক্রি করা হয়।  অনেক কৃষক বালু মাটিতে ক্ষীরা, লাউশাক, কুমড়া, বেগুন, মরিচ, সয়াবিন সহ বিভিন্ন রকমের ফসল উৎপাদন করা শুরু করেন। এখানকার কৃষকরা অভিযোগ করে বলেন,সরকারী ভাবে আমাদের কোন আর্থিক ভাবে সহায়তা করলে আমরা আরো বড় পরিসরে  ক্ষীরা চাষাবাদ করতে পারতেন।

ক্ষীরা চাষে কৃষি অফিস তাদের প্রয়োজনীয় সুবিধা দিচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তারা।  ক্ষীরাচাষি মো. জালাল বলেন, আমি এ চরাঞ্চলের বালু মাটিতে ক্ষীরা চাষ শুরু করেছি। সফল হব কি না শিওর ছিলাম না। তবে যে পরিমাণে বালু মাটিতে ক্ষীরা চাষ হয়েছে, তাতে আমার মনে হয় আমি সফল। আর আমার সফলতা দেখে অন্যরাও ক্ষীরা চাষে এগিয়ে আসছে।

আশা করি, বালু মাটিতে ক্ষীরা চাষ ভালোভাবে পরিচর্যা করলে ভালো ফসল হবে।  এ বছর বালু মাটিতে ক্ষীরার ফলন ভালো হয়েছে, আশা করি লাভবান হতে পারব।  হিজলা গৌরবদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মিলন বলেন, আমরা কৃষকদের সার ও বীজসহ বিভিন্ন কৃষি সারঞ্জাম দিয়ে সহযোগিতা করে আসছি। কৃষকদের ‍যদি আরো সহযোগিতা প্রয়োজন হয় তাহলে সহযোগিতা করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


error: Content is protected !!