Logo
শিরোনাম
হারবাংয়ে ৩০শতক বনভূমি দখলমুক্ত, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ বিলাইছড়িতে এসএসসি পরীক্ষায় ৩০৮ পরীক্ষার্থীর মধ্যে  অনুপস্থিত  ৬ ঈদগাঁওতে ৩ কেন্দ্রে এসএসসিও দাখিল পরীক্ষা শুরু বিএনপির সভাপতি এমএ সালাম ফকিরকে দেখতে হাসপাতালে VL পাংখোয়া গ্যাসের দাম বৃদ্ধিতে ঈদগাঁও-ঈদগড়-বাইশারী সড়কে সিএনজি ভাড়া বৃদ্ধি পোকখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে জেন্ডার ও সুশাসন বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে আলোচনা ঈদগাঁওর কালিরছড়া খালে পড়ে যুবকের মৃত্যু  রামুর গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে বিদায় সংবর্ধনায় কৃতি শিক্ষার্থীদের জন্য নগদ বৃত্তির ঘোষণা নাইক্ষ্যংছড়ির সোনাইছড়িতে  বর্ণাঢ্য আয়োজনে সাংগ্রাইয়ের জলকেলি উৎসব উৎযাপিত নাইক্ষ্যংছড়ির সোনাইছড়িতে  বর্ণাঢ্য আয়োজনে সাংগ্রাইয়ের জলকেলি উৎসব উৎযাপিত

হাসপাতালগুলো প্রস্তুতি নিচ্ছে, ২৭ জানুয়ারি থেকে টিকাদান শুরু

ডেস্ক নিউজ: অ্যাপে নিবন্ধন করার সময় নাম, জন্মতারিখ, এনআইডি নম্বর, অন্য কোন শারীরিক জটিলতা আছে কিনা, পেশা ইত্যাদি বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে।প্রত্যেক ব্যক্তি করোনাভাইরাসের দুটি করে ডোজ পাবেন। প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজের বিস্তারিত তথ্য অ্যাপের মাধ্যমে জানা যাবে।

২৭ জানুয়ারি পাইলট ভিত্তিতে ভ্যাকসিন কার্যক্রম শুরুর পর ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশব্যাপী ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রম শুরু হবে। ভ্যাকসিন পেতে হলে একজন ব্যক্তিকে অনলাইনে নিবন্ধন করতে হবে।

নিবন্ধনের জন্য প্রথমে ওই ব্যাক্তিকে প্লে স্টোর থেকে সুরক্ষা অ্যাপ ডাউনলোড করে সেই অ্যাপে ফোন নম্বর ও এনআইডি নম্বর দিয়ে ভ্যাকসিনের জন্য নিবন্ধন করতে হবে।

অ্যাপে নিবন্ধন করার সময় নাম, জন্মতারিখ, এনআইডি নম্বর, অন্য কোন শারীরিক জটিলতা আছে কিনা, পেশা ইত্যাদি বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে।

প্রত্যেক ব্যক্তি করোনাভাইরাসের দুটি করে ডোজ পাবেন। প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজের বিস্তারিত তথ্য অ্যাপের মাধ্যমে জানা যাবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমআইএস শাখা সূত্রে জানা গেছে, ভ্যাকসিন নিতে অ্যাপে রেজিস্ট্রেশনের সময় টিকা গ্রহীতা পছন্দের কেন্দ্রের নাম লিখতে পারবেন। পরবর্তীতে এমআইএস প্রায়োরিটাইজ করে ওই ব্যক্তির মোবাইলে এসএমএস পাঠাবেন তিনি কোন কেন্দ্রে, কোন তারিখে ভ্যাকসিন পাবেন।

রেজিস্ট্রেশন করার সময় ওই ব্যক্তির নামে একটি টিকাদান কার্ড তৈরি হয়ে যাবে। এরপর সেই কার্ড প্রিন্ট করতে হবে। কোভিড-১৯ প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ টিকা নেয়ার জন্য নির্দিষ্ট তারিখে টিকাদান কেন্দ্রে সেই কার্ড নিয়ে উপস্থিত হতে হবে।

এরপর কেন্দ্রে যাওয়ার পর ওই ব্যক্তিকে একটি ‘কনসেন্ট ফরমে’ বা সম্মতিপত্রে স্বাক্ষর করতে হবে।

সম্মতিপত্রে রেজিস্ট্রেশন নম্বর, রেজিস্ট্রেশনের তারিখ, এনআইডি ও নাম, জন্ম তারিখ থাকবে।

তাতে লেখা থাকবে—’করোনার টিকা সম্পর্কিত তথ্য আমাকে অনলাইনে এবং সামনাসামনি ব্যাখ্যা করা হয়েছে। এই টিকা গ্রহণের সময়, অথবা পরে যেকোনও অসুস্থতা, আঘাত বা ক্ষতি হলে, তার দায়ভার স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী বা সরকারের নয়। আমি সম্মতি দিচ্ছি যে, টিকা গ্রহণ ও এর প্রভাব সম্পর্কিত তথ্যের প্রয়োজন হলে আমি তা প্রদান করবো। জানা মতে, আমার ওষুধজনিত কোনও অ্যালার্জি নেই।’

টিকা গ্রহীতাকে আরও সম্মতি দিতে হবে যে, ‘টিকাদান পরবর্তী প্রতিবেদন অথবা গবেষণাপত্র তৈরির বিষয়ে অনুমতি দিলাম। আমি স্বেচ্ছায়, সজ্ঞানে এই টিকার উপকারিতা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে অবগত হয়ে টিকা গ্রহণে সম্মত আছি।’

এই সম্মতিপত্র স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে থাকবে।

সম্মতিপত্রে স্বাক্ষর করার পর ওই ব্যক্তিতে ভ্যাকসিন দেয়া হবে। ভ্যাকসিন দেয়ার পর ওই ব্যক্তিকে কেন্দ্রে ৩০ মিনিট পর্যবেক্ষণ করা হবে।

কোভিড-১৯ টিকাদান কার্ডে জাতীয় পরিচয় পত্রের নম্বর, জেলা উপজেলার নাম, কেন্দ্রের নাম ও টিকাদান কর্মীর নাম ও মোবাইল নম্বর থাকবে। কার্ডে দুই ডোজ ভ্যাকসিন নেয়ার তারিখ ও টিকাদান কর্মীর স্বাক্ষর থাকবে।

দুই ডোজ টিকা দেয়ার পর ভবিষ্যতের প্রয়োজনের জন্য কার্ডটি সংরক্ষণ করতে হবে।

কোন কারণে কার্ডটি হারিয়ে গেলে কার্ডটি ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করা যাবে।

২৫ জানুয়ারি সুরক্ষা অ্যাপ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে বুঝিয়ে দেওয়ার কথা রয়েছে আইসিটি মন্ত্রণালয়ের । ২৬ জানুয়ারি থেকে অ্যাপে নিবন্ধন শুরু হতে পারে বলে ১১ জানুয়ারি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক ব্রিফিংয়ে জানানো হয়েছে।

যাদের সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি, যেসব জনগোষ্ঠী থেকে সংক্রমণ ছড়ানোর শঙ্কা বেশি এবং আক্রান্ত হলে জটিলতা ও মৃত্যুর ঝুঁকি বেশি, এমন ব্যক্তিদের ভ্যাকসিন পেতে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

প্রথম পর্যায়ে ভ্যাকসিন পেতে নিবন্ধন করতে পারবেন ১৫টি জনগোষ্ঠীর মানুষ। এর মধ্যে আছেন সরকারি স্বাস্থ্যকর্মী, বেসরকারি স্বাস্থ্যকর্মী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, প্রতিরক্ষাকাজে নিয়োজিত বাহিনীর সদস্য, রাষ্ট্র পরিচালনায় অপরিহার্য কর্মকর্তা, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার কর্মী, ধর্মীয় প্রতিনিধি, মৃতদেহ দাফন বা সৎকারকাজে নিয়োজিত ব্যক্তি, জরুরি সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তি, নৌ-রেল-বিমানবন্দরে কর্মরত ব্যক্তি, মন্ত্রণালয় থেকে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত সরকারি কার্যালয়ে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


error: Content is protected !!