ডেস্ক নিউজ :পরিবেশ অধিদপ্তর বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিদর্শক ও জুনিয়র ক্যামিষ্ট মোঃ আবদুস সালাম বলেন, বান্দরবান থানচি সড়ক পাশ্ববর্তী ঝিড়ি ছাড়াও অন্যান্য সড়ক ঝিড়িতে পাথর উক্তোলন চলছে, উক্তোলনকারীরা ক্ষমতাসীন হওয়াই সিন্ডিকেট চক্রটি খুবই শক্তিশালী।
কাজেই আইনশৃংঙ্খলা বাহিনী র্যাব বা উর্ধতন কর্তৃপক্ষ ছাড়া অভিযান চালানো সম্ভব নয়। বান্দরবান থানচি সড়কের কনজৈ পাড়া ঝিড়ি, মেনরোওয়া পাড়া শিলা ঝিড়িতে অভিযান চালিয়ে পাথর জব্দসহ পাথর ভাঁঙ্গা মেশিন পৃথক দুইটি আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে। অভিযান কালে কাউকে না পাওয়াই, জব্দকৃত পাথর ৩৬১ নং থাইক্ষ্যং মৌজা হেডম্যান মংপ্রু মারমা নিকট জিম্মায় রাখা হয়েছে।
২৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার দুপুরে গোপন সংবাদে ভিক্তিতে পাথর উক্তোলনের খবর পেয়ে বিভিন্ন ঝিড়ি ঝর্ণায় অভিযান চালানো সময় সাংবাদিকদের কাছে এই কথা বলেন পরিদর্শক।
সম্প্রতিক দেশের বিভিন্ন মিডিয়া গনমাধ্যম মধ্যদিয়ে থানচিতে বিভিন্ন ঝিড়ি-ঝর্ণা-ছড়ায় পাথর উক্তোলনে পানি অভাবসহ পরিবেশ বিপর্যয়ের সংবাদ প্রকাশিত হলে বৃহস্পতিবার ২৯ এপ্রিল দুপুরে থানচি উপজেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর বান্দরবান যৌথ ভাবে অভিযান চালিয়ে প্রচুর পরিমান পাথর জব্দ করা হয়। এসময় পৃথক ভাবে পাথর ভাঁঙ্গা মেশিন ২টি জালিয়ে দেয়া হয়েছে । জব্দকৃত পাথর গুলি ৩৬১ নং থাইক্ষ্যং মৌজা হেডম্যান মংপ্রু মারমা কাছে জিম্মায় রাখা হয়েছে ।
অভিযান পরিচালনা করেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা প্রধান মেজিষ্ট্রেট মোঃ আতাউল গনি ওসমানী, পরিবেশ অধিদপ্তর বান্দরবান জেলা পরিদর্শক ও জুনিয়র ক্যামিষ্ট মোঃ আবদুস সালাম, থানচি থানা এ এস আই মিটন সহ পুলিশ সদস্য ও আনসার সদস্য উপস্থিত ছিলেন ।
উল্লেখ্য যে, এই উপজেলায় পাথর ব্যবসায়ী শক্তিশালী সিন্ডিকেট চক্র কারনে বিভিন্ন ঝিড়ি-ঝর্ণা-ছড়া-খাল-নদী থেকে গত নভেম্বর মাস হতে পাথর উক্তোলন ও পাচার করে আসছিল । যার ফলে উপজেলা জুড়ে বিভিন্ন পাড়া গ্রামে বিশুদ্ধ পানি সংকটের মধ্যে জনজীবন অতিষ্ট হয়ে পড়েছিল । তারপরেও পাথর খেকোরা এখনও পর্যন্ত ধরা ছোয়া বাইরে থেকে যায়। এর প্রতিকার দ্রুত করার আহ্বান এলাকার সচেতন মহলের।
All rights reserved © 2020 paharechok.com||
এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি