Logo
শিরোনাম
পটিয়ায় গনসংযোগকালে পেয়ারু: ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য মোমবাতিতে ভোট দিন।  রাঙ্গামাটির জুরাছড়িতে দায়িত্ব পালনের সময় আনসার সদস্যের মৃত্যু উপজেলায় পাঠানো হয়েছে নির্বাচনের সরঞ্জাম ৪৫৮টি গ্রামের ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আসতে হবে একদিন আগে নাইক্ষ্যংছড়িতে শাপলা কলি তথা ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনী পথসভা ও গণমিছিল বিলাইছড়িতে দুর্গম বড়থলির একটি কেন্দ্রে নির্বাচনী সরঞ্জাম পৌঁছালো  হেলিকপ্টার যোগে চকরিয়ায় সরকারি টোল পয়েন্ট দখল করে নদীতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ সন্রাসী চাঁদাবাজি মাদক মুক্ত আধুনিক পটিয়া গড়ে তুলতে মোমবাতি প্রতিকে ভোট দিন- সৈয়দ এয়ার মুহাম্মদ পেয়ারু পটিয়ায় ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করে ওলামা দলের ব্যাপক প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ রাজস্থলী ও বাঙ্গালহালিয়াতে ধানের শীষের নির্বাচনী জনসভায় এ্যাড ঃ দীপেন দেওয়ান,,, ধানের শীষ জনগণের অধিকার, ন্যায়ের রাজনীতি ও উন্নয়নের প্রতীক।” চকরিয়ায় নিঃসন্তান বৃদ্ধের শেষ সম্বল দুই গরু চুরি… এক চোখ হারানো নাতনীর চিকিৎসার স্বপ্ন ভেঙে কান্নায় নিঃস্ব দম্পতি

ফারুকে পাশে দাঁড়ালেন মানবিক জেলা প্রশাসক মিজানুর রহমান

রাঙামাটি প্রতিনিধি:চোখের রোগি ফারুকের পাশে দাঁড়ালেন মানবিক জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। রাঙামাটি পার্বত্য জেলার সুযোগ্য জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রমমান রাঙামাটিতে অল্প সময়ে অর্জন করেছেন গরীব মেহনতি মানুষের আস্থা। উদার মন মানসিকতার অধিকারি মিজানুর রহমান।

সোমবার(১৭ মে) দুপুরে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান তার নিজ কার্যালয়ের একজন চোখের রোগিকে উন্নতমানের চিকিৎসার জন্য ১০ হাজার টাকার চেক রোগি ফারুকের হাতে তুলে দেন।

সূত্রে জানাগেছে,গত ১৬ মে ২০২১ কোর্ট বিল্ডিং এলাকার বাসিন্দা মৃত আবদুল আলিমের ছেলে মোঃ ফারুক হোসেন (৩০) দুর্ঘটনা জনিত কারনে তার বাম পাশের চোখের মনিতে প্রচন্ড আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে চট্টগ্রাম পাহাড়তলী চক্ষু হাসপাতালে অপারেশন করা হয়।চোখের অপারেশন যথাযথ না হওয়ায় চোখটি মারাত্নক আকাঁর ধারন করে। বর্তমানে চোখ নিয়ে নিদারুন কষ্টে আছে ফারুক। কোন কুল কিনারা না পেয়ে স্থানীয় একজন গণমাধ্যমকর্মীকে বিষয়টি জানান। পরে ওই গণমাধ্যমকর্মীর মাধ্যমে জেলা প্রশাসনকে বিষয়টি অবগত করেন। সাথে সাথে জেলা প্রশাসক ওই সংবাদকর্মীর মাধ্যমে ফারুককে ১০হাজার টাকার চেক প্রদান করেন।

ফারুক বলেন,গত ৩-৪ মাস আগেতার বাম চোখে আঘাত প্রাপ্ত হয়। এর মধ্যে ২-৩বার চোখের চিকিৎসা করেও কোন উন্নতি হয়নি। ফের অপারেশন করতে হবে। অনেক টাকার প্রয়োজন তাই চোখে মূখে পথ দেখছে না সে। করোনাকালিন সময়ে আয় উপার্জন কিছুই নেই বললেই চলে। তিনি বলেন,আমি পেশায় এজন দোকান কর্মচারি।তাই ব্যয় বহুল অপারেশন ও ওষধ ক্রয় করা আমার পক্ষে সম্ভব নহে।এমতাবস্থায় আমি সবার কাছে হাত বাড়াতে বাধ্য হলাম। আমি লোকজনের কাছে শুনেছি জেলা প্রশাসক স্যার গরীব অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান ও সার্বিক সহযোগিতা করেন। আমাকে সহযোগিতা করেছেন। আমাকে ডিসি স্যার ১০হাজার টাকা দিয়ে সহযোগিতা করেছেন। আমি স্যারের প্রতি কৃতঞ্জতা জানাই। ফারুক আরো বলেন,স্যার যোগদানের পর আর্থিক অনুদান,শিক্ষা উপকরণ বিতরণও রোগিদের মাঝে বিনামূল্যে ওষধ বিতরণসহ নানান মূখী সেবামূলক কার্যকক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এতে জনবান্ধব জেলা প্রশাসক হিসেবে কেড়ে নিচ্ছে মানুষের আস্থা ও ভালবাসা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


error: Content is protected !!