Logo
শিরোনাম
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কে সামনে রেখে নাইক্ষ্যংছড়িতে যৌথ বাহিনীর মহড়া দুর্গম বড়থলির আরও ২ টি কেন্দ্রে নির্বাচনী সরঞ্জাম ও জনবল নিরাপদে পৌঁছালো হেলিকপ্টারে রাজস্থলীতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে নির্বাচনী নিরাপত্তা সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। পটিয়ায় জায়গা নিয়ে বিরোধ: সংঘর্ষের আশংকা: থানায় জিডি। কেশবপুরকে স’ন্ত্রাস চাঁ’দাবাজমুক্ত গড়তে চাই: ধানের শীষের প্রার্থী আবুল হোসেন আজাদ ধানের শীষের নিবার্চনী জনসভায়- কাজল বৃহত্তর ঈদগাঁওবাসী একতাবদ্ধ হয়েছে, যেদিকে যায় সেদিকে জয়ী অনিবার্য কেশবপুরের সাতবাড়িয়া স্কুল মাঠে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আবুল হোসেন আজাদের নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত ফাইতংয়ে পাহাড় জুড়ে আমের মুকুল, ভালো ফলনের স্বপ্ন এবার কৃষকের চোখে পটিয়ায় জাতীয় পার্টি নেতা খোরশেদ আলম এর মায়ের ইন্তেকাল মোমবাতি বিজয় হলে পটিয়ার মানুষের শান্তি ফিরে আসবে- এয়ার মুহাম্মদ পেয়ারু

টানা বর্ষণে বান্দরবানে পাহাড় ধসের শঙ্কা

রিমন পালিত: নিজস্ব প্রতিবেদক:মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে টানা ভারী বর্ষণে বান্দরবানে পাহাড় ধসের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। গত দুইদিনে বৃষ্টিতে রাস্তাঘাটে পানি জমে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে লোকজন। পাহাড় ধসের ঝুকিতে বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। পাহাড়ের পাদদেশে ঝুকিপূর্ন বসতিগুলো ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে অবস্থান নিতেও করা হয়নি কোনো মাইকিং।

জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয়রা জানায়, শনিবার থেকে বান্দরবান জেলা শহরসহ আশপাশের এলাকাগুলোতে টানা ভারী বর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। তবে রোববার সকাল নয়টার পর থেকে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ অনেকগুন বেড়ে গেছে। তার আগে গত দুদিনে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছিলো ৪১ মিলিমিটার। বৃষ্টিতে ইতিমধ্যে বান্দরবান পৌরসভার বনরুপা পাড়া, কালাঘাটা, ইসলামপুর, কাসেমপাড়া, হাফেজঘোনা, বাসস্ট্যান্ড এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটছে। এছাড়াও বান্দরবান-কেরানীহাট সড়ক, রুমা, থানচি, রোয়াংছড়ি, লামা-সূয়ালক রুটের অনেকস্থানে পাহাড় ধসে রাস্তায় মাটি জমে গেছে। রাস্তায় পানি জমে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে পৌর এলাকার অভ্যন্তরিন বিভিন্ন সড়কে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে লোকজন।

বান্দরবানের মৃত্তিকা ও পানি সংরক্ষণ কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মাহাবুবুল ইসলাম বলেন, গত দু’দিনে বৃষ্টিপাতের পরিমানটা কম ছিলো। তবে রোববার সকাল নয়টার পর থেকেই ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। বৃষ্টির লক্ষণ খুব একটা ভালো মনে হচ্ছেনা। এই ধারা অব্যাহত থাকায় পাহাড় ধসে প্রাণহানির শঙ্কা বাড়ছে। পাহাড় ধসের ঝুকিতে বসবাসকারীদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া দরকার। এই অঞ্চলে জুন-জুলাই মাসে বৃষ্টিপাতের পরিমানটা বেশি হয়।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি বলেন, ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে দুর্ঘটনার শঙ্কা তৈরি হচ্ছে। ঝুকিপূর্ণ স্থানগুলো থেকে লোকজনদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলা হচ্ছে। সরিয়ে নিতে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্টরাও কাজ করছে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় তৎপর রয়েছে প্রশাসন।

মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে টানা ভারী বর্ষণে বান্দরবানে পাহাড় ধসের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। গত দুইদিনে বৃষ্টিতে রাস্তাঘাটে পানি জমে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে লোকজন। পাহাড় ধসের ঝুকিতে বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। পাহাড়ের পাদদেশে ঝুকিপূর্ন বসতিগুলো ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে অবস্থান নিতেও করা হয়নি কোনো মাইকিং।

জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয়রা জানায়, শনিবার থেকে বান্দরবান জেলা শহরসহ আশপাশের এলাকাগুলোতে টানা ভারী বর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। তবে রোববার সকাল নয়টার পর থেকে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ অনেকগুন বেড়ে গেছে। তার আগে গত দুদিনে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছিলো ৪১ মিলিমিটার। বৃষ্টিতে ইতিমধ্যে বান্দরবান পৌরসভার বনরুপা পাড়া, কালাঘাটা, ইসলামপুর, কাসেমপাড়া, হাফেজঘোনা, বাসস্ট্যান্ড এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটছে। এছাড়াও বান্দরবান-কেরানীহাট সড়ক, রুমা, থানচি, রোয়াংছড়ি, লামা-সূয়ালক রুটের অনেকস্থানে পাহাড় ধসে রাস্তায় মাটি জমে গেছে। রাস্তায় পানি জমে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে পৌর এলাকার অভ্যন্তরিন বিভিন্ন সড়কে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে লোকজন।

বান্দরবানের মৃত্তিকা ও পানি সংরক্ষণ কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মাহাবুবুল ইসলাম বলেন, গত দু’দিনে বৃষ্টিপাতের পরিমানটা কম ছিলো। তবে রোববার সকাল নয়টার পর থেকেই ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। বৃষ্টির লক্ষণ খুব একটা ভালো মনে হচ্ছেনা। এই ধারা অব্যাহত থাকায় পাহাড় ধসে প্রাণহানির শঙ্কা বাড়ছে। পাহাড় ধসের ঝুকিতে বসবাসকারীদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া দরকার। এই অঞ্চলে জুন-জুলাই মাসে বৃষ্টিপাতের পরিমানটা বেশি হয়।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি বলেন, ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে দুর্ঘটনার শঙ্কা তৈরি হচ্ছে। ঝুকিপূর্ণ স্থানগুলো থেকে লোকজনদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলা হচ্ছে। সরিয়ে নিতে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্টরাও কাজ করছে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় তৎপর রয়েছে প্রশাসন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


error: Content is protected !!