আমিনুল ইসলাম:নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধিঃ নাইক্ষ্যংছড়ি-১১বিজিবি প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংবাদিকদের জানান সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ, নারী ও শিশু পাচার রোধ ও অভ্যন্তরীণ সন্ত্রাস দমনে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) শুরু থেকেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। এরই ধারাবাহিতকতায় অদ্য ০৯ জুন ২০২১ তারিখ আনুমানিক ১৬৩০ ঘটিকায় নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) এ অপারেশন উত্তরণের আওতায় সংযুক্ত অফিসার ক্যাপ্টেন ওমর মোহম্মদ খালেদীন হৃদয় এর নেতৃত্বে একটি চৌকস আভিযানিক টহল দল ব্যাটালিয়ন সদর হতে রামু থানাধীন ফাক্রিকাটা এলাকায় বিশেষ টহল ডিউটি করাকালীন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে রামু থানাধীন গর্জনীয়া ইউনিয়নের রাজঘাট এলাকায় কতিপয় ইয়াবা ব্যবসায়ী ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে টহল দল ব্যাটালিয়ন সদর হতে আনুমানিক ৩ কিঃমিঃ উত্তর দিকে রাজঘাট (জিআর-২৭৫৭৩৪ মানচিত্র ৮৪সি/৩) নামক স্থানে নবী হোসেন এর বাড়ীর সামনে পাকা রাস্তার উপর পৌছালে ধৃত আসামী ১। আব্দুর রহমান (৪০), পিতা-মোহাম্মদ জামান, মাতা-ছমুদা খাতুন এবং পলাতক আসামী ২। মোঃ সেলিম (৪০), পিতা-মৃত হাজী বদরুজ্জামান উভয়ের গ্রাম-ফাক্রিকাটা পাহাড়তলী, ডাকঘর-গর্জনীয়া, ৫নং ওয়ার্ড, কচ্ছপিয়া ইউপি, থানা-রামু, জেলা-কক্সবাজার টহল দলের উপস্থিতি টের পেয়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টাকালে টহল দল ১নং আসামীকে আটক করতে সক্ষম হয়। ধৃত আসামীকে তল্লাশী করে তার প্যান্টের ডান পকেট হতে ০১টি পলিপাইজার প্যাকেটে ১৮৯ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে। এছাড়াও ধৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তার বাড়ীতে কিছু সংখ্যক ইয়াবা ট্যাবলেট রয়েছে। পরবর্তীতে স্থানীয় কচ্ছপিয়া ইউপির ০৫নং ওয়ার্ডের মেম্বারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ নিয়ে ধৃত আসামীর বাড়ী তল্লাশী করে রান্নাঘরে সাদা প্লাষ্টিকের বস্তা দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় একটি সাদা পলিপাইজার প্যাকেটে আরও ১০,০০০ (দশ হাজার) পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ সর্বমোট ১০,১৮৯ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেটের সিজার মূল্য-৩০,৫৬,৭০০/- (ত্রিশ লক্ষ ছাপ্পান্ন হাজার সাতশত) টাকা। এছাড়াও ধৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, উক্ত ইয়াবা ট্যাবলেটগুলো মায়ানমার হতে ক্রয় করে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে নিজ হেফাজতে রেখেছিল। উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটককৃত আসামীকে রামু থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবৈধ অস্ত্র, অবৈধ কাঠ পাচার ও পরিবহন, মাদকদ্রব্য পাচার, অন্যান্য যে কোন ধরনের অবৈধ পণ্য সামগ্রী পাচার এবং এই এলাকায় যে কোন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম রোধে বিজিবি’র এ ধরনের কার্যক্রম ও তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।
All rights reserved © 2020 paharechok.com||
এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি