Logo
শিরোনাম
পটিয়া চক্রশালা স্কুলে রোভার স্কাউটডে ক্যাম্পে দীক্ষা নিলেন ৪০ জন শিক্ষার্থী লামায় বন বিভাগের আওতাধীন ডলুছড়ি রেঞ্জাধীন বন রক্ষা বাহিনীর অব্যাহত অভিযান পটিয়ায় শিক্ষক সমিতি কর্তৃক গুনী শ্রেষ্ট প্রধান শিক্ষক   নাছির  উদ্দীন সংবর্ধিত।  নাইক্ষ্যংছড়িতে গণভোট বিষয়ে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত বান্দরবানে পাল্টে গেলো নির্বাচনী আবহাওয়া জামায়াতের প্রত্যাহার এবার খালি মাঠে গোল দিবে বিএনপি বান্দরবানে তিন ইটভাটায় মোট ৯ লাখ জরিমানা বিলাইছড়িতে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য শীতে জমে উঠেছে ভাপা পিঠা বিক্রি বিলাইছড়িতে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য শীতে জমে উঠেছে ভাপা পিঠা বিক্রি নাইক্ষ্যংছড়িতে-১১ বিজিবির উদ্যোগে অসহায় দের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণও চিকিৎসা সেবা প্রদান পাহাড়ের শিশুরা  শিক্ষার পাশাপাশি বিনোদনেও পিছিয়ে

লামায় চিপসের প্যাকেটে ফ্রি বেলুন, গলায় আটকে শিশুর মৃত্যু

ইসমাইলুল করিম নিজস্ব প্রতিবেদক:

পার্বত্য জেলা বান্দরবানের লামায় গজালিয়া ইউনিয়নের চিপসের প্যাকেটের সাথে ফ্রিতে পাওয়া বেলুন ফুলাতে গিয়ে গলায় আটকে মো. আরফাত নামে দুই বছরের শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় লামা সরকারি হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।মৃত শিশু মো. আরফাত লামা উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড বটতলী গ্রামের মো. ইসমাইলের ছেলে।

লামা হাসপাতালে জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত সহকারী মেডিকেল অফিসার ডা. রায়হান জান্নাত জানান, হাসপাতালে আনার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। তারপরেও আমরা ইসিজি করে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছি। শ্বাসনালীতে বেলুন আটকে যাওয়ায় শ্বাসবন্ধ হয়ে শিশুটি মারা যায় বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শিশুর মা আছমা বেগম বলেন, বাড়ির পাশে দোকান আছে। বিকেল ৪টায় দিকে খেলার ছলে শিশুটি দোকানে গেলে তাকে চিপসের প্যাকেট কিনে দিই। চিপসের প্যাকেটে বেলুন ছিল। সেই বেলুন ফুলাতে গেলে গলায় আটকে যায়। বেলুন আটকে যখন বাচ্চা কষ্ট পাচ্ছিল, তখন অনেক চেষ্টা করে বেলুন বের করতে পারি নাই। পরে পানি খাওয়ানোর চেষ্টা করি। পানি খাওয়ানোর পরে তার শ্বাস আরো বন্ধ হয়ে যায়। লামা হাসপাতালে নিয়ে আসলে ডাক্তার বলেন সে মারা গেছে। বটতলী গ্রামটি লামা সদর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

এদিকে খবর পেয়ে হাসপাতালে উপস্থিত হয় লামা থানা পুলিশ। থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাজ্জাদ হোসেন বলেন, শিশুটিকে প্রাথমিকভাবে সুরতহাল করা হয়েছে। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি। তবে ময়নাতদন্ত ছাড়া লাশ নিয়ে যেতে শিশুটির বাবা-মা অনুরোধ করেছে। এই বিষয়ে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত দিবে।

গজালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান বাথোয়াইচিং মার্মা বলেন, ময়নাতদন্ত ছাড়া লাশ দিতে অনুরোধ করা হয়েছে। সে বিষয়ে পুলিশ সিদ্ধান্ত দিবেন।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


error: Content is protected !!