• শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১২ অপরাহ্ন
Headline
ঈদগাঁও কলেজ গেইট মহাসড়কের পাশে ফের দখল, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থী ও পথচারীরা ঈদগাঁও কলেজ গেইট মহাসড়কের পাশে ফের দখল, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থী ও পথচারীরা ঈদগাঁওতে টমটম-মিশুক চালকদের চার দফা দাবী, ইউএনওর কাছে স্মারকলিপি কক্সবাজারে হাম-রুবেলা প্রতিরোধ ও টিকাদান কর্মসূচি সফলে কর্মশালা অনুষ্ঠিত কক্সবাজারে হাম-রুবেলা প্রতিরোধ ও টিকাদান কর্মসূচি সফলে কর্মশালা অনুষ্ঠিত পটিয়ায় কচুয়াই ইউনিয়নে সদ্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুল কাদের মাজার জেয়ারত করে গনসংযোগ পটিয়ায় কচুয়াই ইউনিয়নে সদ্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুল কাদের  মাজার জেয়ারত করে গনসংযোগ পটিয়া পৌর সদরে ফুটপাতে অবৈধ হকার ও পার্কিং উচ্ছেদ অভিযান ইসলামাবাদে লাইসেন্স প্রদানে হয়রানি বন্ধে চালকদের সমাবেশ ও বিক্ষোভ রাঙ্গামাটিতে  হত্যা মামলায় আসামি মাহিবুর কামালকে মৃত্যুদণ্ড

নাইক্ষ্যংছড়িতে সুপেয় নিরাপদ পানি সরবরাহ করছে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট

Reporter Name / ৯১ Time View
Update : সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আমিনুল ইসলাম
নাইক্ষ্যংছড়ি(বান্দরবান)প্রতিনিধিঃ

প্রতি বছর গরম মৌসুমে সুপেয় পানির জন্য হাহাকার দেখা দেয় বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সদরে। দীর্ঘদিনের এই পানির সংকট নিরসনে প্রায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত হয়েছে। নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সদরে পানি সরবরাহ’ প্রকল্প। প্রকল্পটি চালু হলে উপজেলা সদরের অন্তত ১ হাজার পরিবার নিয়মিত সুপেয় পানি সরবরাহের আওতায় আসবে বলে জানিয়েছে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর।
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, প্রকল্পের আওতায় ১০০ ঘনমিটার/ঘণ্টা ধারণক্ষমতার একটি পানি শোধনাগার, দুটি উৎপাদক নলকূপ, ৬ ইঞ্চি পাইপলাইন ১১ হাজার ৬০০ মিটার এবং ৮ ইঞ্চি পাইপলাইন ১০ হাজার ৭৪৫ মিটার স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া দুটি বুস্টার পাম্প হাউস, চারটি ট্রান্সফরমার, আটটি পরীক্ষামূলক নলকূপ, পাঁচটি পাবলিক টয়লেট, দুটি পাম্প হাউস ও বিভিন্ন ক্ষমতার ১২টি পাম্প স্থাপন করা হয়েছে।
প্রকল্পের আওতায় ১ হাজারটি গৃহসংযোগ দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পানি সংরক্ষণের জন্য রয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার লিটার ধারণক্ষমতার ব্যবস্থা। প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার পর গত আগস্ট মাসে এটি উপজেলা প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রকল্পের পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় থাকবে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। প্রকল্পের পানি সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখা ও প্রয়োজনীয় দেখভালের জন্য পাঁচজন শ্রমিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ফলে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন

নাইক্ষ্যংছড়ি আদর্শপাড়ার বাসিন্দা মো. জসিম বলেন, গরমের সময় পানির জন্য আমাদের অনেক কষ্ট করতে হয়। নতুন এই পানি সরবরাহ প্রকল্প চালু হলে আমাদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে। নিরাপদ পানি ঘরে পৌঁছালে পরিবারগুলোর জন্য এটি বড় স্বস্তির বিষয় হবে।
একই এলাকার বাসিন্দা সাত্তার বলেন, পানির সংকট নাইক্ষ্যংছড়ির মানুষের দীর্ঘদিনের সমস্যা। এই প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে এখন মানুষের কষ্ট অনেকটাই কমে আসবে। নিয়মিত ও নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিত হলে এলাকার মানুষের জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। আমরা দ্রুত প্রকল্পের পূর্ণ সুবিধা পাওয়ার প্রত্যাশা করছি।
বান্দরবান জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী অনুপম দে বলেন, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সদরের মানুষের দীর্ঘদিনের সুপেয় পানির সংকট বিবেচনায় নিয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। প্রকল্পের মাধ্যমে এক হাজার পরিবারকে নিরাপদ পানি সরবরাহের আওতায় আনা হবে। বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট নিরসনে প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। উপজেলা প্রশাসন ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সমন্বিতভাবে প্রকল্পটি পরিচালনা করবে এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে এর সুফল জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সদরের মানুষের দীর্ঘদিনের পানির সংকট নিরসনে এ প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে প্রতিবছর গরম মৌসুমে যে পানির জন্য হাহাকার তৈরি হয়, প্রকল্পটি চালু হলে সেই পরিস্থিতির অনেকটাই অবসান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা