• শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ন
Headline
ঈদগাঁও কলেজ গেইট মহাসড়কের পাশে ফের দখল, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থী ও পথচারীরা ঈদগাঁও কলেজ গেইট মহাসড়কের পাশে ফের দখল, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থী ও পথচারীরা ঈদগাঁওতে টমটম-মিশুক চালকদের চার দফা দাবী, ইউএনওর কাছে স্মারকলিপি কক্সবাজারে হাম-রুবেলা প্রতিরোধ ও টিকাদান কর্মসূচি সফলে কর্মশালা অনুষ্ঠিত কক্সবাজারে হাম-রুবেলা প্রতিরোধ ও টিকাদান কর্মসূচি সফলে কর্মশালা অনুষ্ঠিত পটিয়ায় কচুয়াই ইউনিয়নে সদ্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুল কাদের মাজার জেয়ারত করে গনসংযোগ পটিয়ায় কচুয়াই ইউনিয়নে সদ্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুল কাদের  মাজার জেয়ারত করে গনসংযোগ পটিয়া পৌর সদরে ফুটপাতে অবৈধ হকার ও পার্কিং উচ্ছেদ অভিযান ইসলামাবাদে লাইসেন্স প্রদানে হয়রানি বন্ধে চালকদের সমাবেশ ও বিক্ষোভ রাঙ্গামাটিতে  হত্যা মামলায় আসামি মাহিবুর কামালকে মৃত্যুদণ্ড

ঈদগাঁওতে পাঠদান বন্ধ রেখে বেতন উত্তোলন

Reporter Name / ৮৩ Time View
Update : শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধি,ঈদগাঁও

কক্সবাজারে ইসলামিক ফাউন্ডেশন পরিচালিত ‘দারুল আরকাম ইবতেদায়ী মাদ্রাসা’ প্রকল্পে  অনিয়ম,অব্যবস্থাপনা ও সরকারি অর্থ অপব্যবহার অভিযোগ উঠেছে। মাঠপর্যায়ে বেশিভাগ মাদ্রাসায় পাঠদান বন্ধ থাকলেও কাগজপত্রে ভুয়া কার্যক্রম দেখিয়ে শিক্ষক-কর্মচারীরা বকেয়াসহ সরকারি বেতন-ভাতা উত্তোলন করছেন বলে জানা গেছে।

প্রাপ্ত তথ্য মতে,জেলায় প্রকল্পভুক্ত ১৭টি দারুল আরকাম ইবতেদায়ী মাদ্রাসার অস্তিত্ব, কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে। স্থানীয়দের অভিযোগ, অধিকাংশ স্থানে নূরানী,কওমী কিংবা ব্যক্তি মালিকানাধীন বেসরকারি মাদ্রাসায় দারুল আরকামের সাইন বোর্ড টাঙিয়ে সরকারি অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে। গত কয়েক বছর প্রকল্পের কার্যক্রম স্থবির থাকার সুযোগে কিছু শিক্ষক ও অফিস সহায়ক কোন দায়িত্ব পালন না করে সংশ্লিষ্টদের ম্যানেজ করে ভুয়া প্রতিবেদনের মাধ্যমে বকেয়া বেতন তুলে নিয়েছেন। 

ঈদগাঁও উপজেলার ভাদিতলা দারুল আরকাম ইবতেদায়ী মাদ্রাসায় গিয়ে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটি পুরোপুরি বন্ধ। স্থানীয় এমদাদুল্লাহসহ কয়েকজন জানান, শুরুর দিকে ২/১ মাস চালুর পর দীর্ঘদিন ধরে এটি বন্ধ। অথচ শিক্ষক-কর্মচারীরা নিয়মিত বেতন পাচ্ছেন। অভিযোগের বিষয়ে ঈদগাঁও দারুল আরকামের শিক্ষক নুরুল আলম প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কথা স্বীকার করে জানান, তিনি বর্তমানে পাশের ইসলামাবাদের বোয়ালখালী এলাকায় এটি পরিচালনা করছেনও বকেয়া বেতন উত্তোলনের কথা নিশ্চিত করেন।

প্রকল্প নীতিমালা অনুযায়ী প্রতিটি উপজেলায় ২টি মাদ্রাসা ও প্রতিটিতে ২ জন শিক্ষক থাকার কথা থাকলেও তা মানা হচ্ছেনা। অনেক প্রতিষ্ঠানে কোন শিক্ষার্থী নেই। অন্য প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের ভুয়া তালিকা তৈরি করে দেখানো হচ্ছে। বিনা বেতনে পড়ানোর নিয়ম থাকলেও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মাসিক ফি আদায় করা হচ্ছে। পাশাপাশি অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বিদ্যুৎ বিল ও অফিস স্টেশনারির নামে প্রতি অর্থবছর আসা সরকারি অনুদান ভুয়া বিল-ভাউচারে ভাগ বাটোয়ারা করে নেয়ার অভিযোগ উঠে এসেছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন কক্সবাজারের উপপরিচালক মুহাম্মদ সরওয়ার আকবর জানান, দারুল আরকাম মাদ্রাসাগুলো বর্তমানে ভালোভাবেই চলছে। তবে বন্ধ প্রতিষ্ঠানে বকেয়া বেতন প্রদান, একই ব্যক্তির একাধিক জায়গায় চাকরি ও বরাদ্দের অর্থ আত্মসাতের সুনির্দিষ্ট বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কোন মন্তব্য করেননি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা