এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও
বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তর ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা । এই কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে কক্সবাজারে ঈদগাঁওতে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে কোরবানি পশুর হাট। আর মাত্র একদিন বাকী। পশুহাটে বেচাকেনাকে ঘিরে বেড়েছে ব্যাপক সমাগম।
খাস কালেকশানে চলা মঙ্গলবারে কোরবানির পশুর হাট বসে চট্টগ্রাম কক্সবাজারের ঈদগাঁও বাসস্টেশনে। দুপুরের পরপর থেকে দুরদুরান্ত থেকে গরু-ছাগল-মহিষ নিয়ে হাটে উপস্থিত হতে থাকে বিক্রেতারা। দুপুরের পর থেকে পুরোদমে বাজারে পছন্দের পশু বেচাকেনা শুরু হয়েছে। বিকেলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা পশু হাটবাজার পরিদর্শন করেন। তারা মহাসড়ক থেকে গরু ও যানবাহনসহ লোক জনকে সরিয়ে দেন।
জানা যায়, কোরবানির ঈদ উপলক্ষে ঈদগাঁওর ঐতিহ্যবাহী পশুর হাটবাজারে ক্রেতা-বিক্রেতা দের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে,তত পশুর হাটে দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত চলে কুরবানির পশু কেনাবেচা। বরাবরের মতো এবার ক্রেতাদের কাছে দেশীয়ভাবে লালন পালন করা গরু,মহিষও ছাগলের চাহিদা তুলনা মূলক বেশি রয়েছে। বিশেষ করে লোকজনেরা চাহিদা মাঝারি সাইজের গরুতে গিয়ে থামছে।
সরেজমিন পরিদর্শনকালে দেখা যায়,ঈদগাঁওর গরু বাজারে ভালমানের দেশীয় গরু বেচাকেনা হয়। এ বাজার দেশীয় গরু উঠে প্রচুর পরিমাণ। এটি প্রতিবছরের ন্যায় এবারও বরাবর।
এছাড়াও ঈদগাঁও উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে লোকজন এই পশুর হাটে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। দূর-দূরান্ত থেকে ক্রেতারা তাদের পছন্দের পশু কিনতে ভিড় করছেন। বিশেষ করে মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা বেশি দেখা যাচ্ছে।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, ঈদগাঁওর কলেজ গেইট থেকে কেজি স্কুল গেইট পযন্ত মহাসড়কের দুই পাশে গরু আর গরুতে সয়লাভ। নানা সাইজের গরুর কমতি নেই। কোরবান উপলক্ষে বেশ গরু মহিষ ও ছাগল বিক্রয় হয়েছে বলেও বিক্রেতারা জানিয়েছেন।
ছোট সাইজ গরু ৮০ থেকে ১লাখ টাকার মধ্যে, মাঝারি সাইজ গরু একটু বেশি দামে বিক্রি হয়।
গত বছরের তুলনায় এবার পশুর দাম কিছুটা বাড়লেও হলেও দেশীয় গরুর প্রতি আগ্রহ বেশি রয়েছে এমনটাই জানান ক্রেতাও বিক্রেতারা।
এই পশুর হাটে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা কারী বাহিনীর সদস্যদের টহল তৎপর বাড়ানো হয়। পাশাপাশি পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসা সেবার জন্য ভেটেরিনারি মেডিকেল টিমও কাজ করছে। জাল নোট শনাক্তকরণের জন্য মেশিন বসানো হয়। এতে ক্রেতাসহ বিক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।