মো. ইসমাইলুল করিম নিজস্ব প্রতিবেদক :
পার্বত্য জেলা বান্দরবানের লামায় ফাইতং ইউনিয়ন ৫নং ওয়ার্ড ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। খেদারবান পাড়া জামে মসজিদ পাশে হযরত আবু বক্কর সিদ্দিক (রাঃ) হাফেজ খানায় (১৪ মার্চ ) শনিবার দুপুর ২টায় উক্ত পরিচালনা কমিটি ও এলাকায় উদ্যোগ মাদ্রাসা ছাত্রদের’কে পাঞ্জাবি এবং প্রথম কোরআনী হাফেজ মোহাম্মদ শহিদ’কে সনদ ও দস্তারবন্দী দেন।এই সময় উপস্থিত ছিলেন হযরত আবু বক্কর সিদ্দিক (রাঃ) হাফেজ খানা প্রতিষ্ঠাতা ও ভূমি দাতা,সভাপতি হেলাল উদ্দিন বি এ, সহসভাপতি মো. নুরুল ইসলাম, মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি আনোয়ার হোসেন, মুফতি মাওলানা নোমান পারভেজ, হযরত আবু বক্কর সিদ্দিক (রাঃ) হাফেজ খানা সভাপতি হাশেম উল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান, অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ রাশেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইসমাইলুল করিম, হযরত আবু বক্কর সিদ্দিক (রাঃ) হাফেজ খানা শিক্ষক মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, শিক্ষক শওকতুল ইসলাম,মাওলানা মোহাম্মদ ইব্রাহিম, আবু তাহের, মো. ইব্রাহিম খলিল’সহ সর্বসাধারণ গণমান্য ব্যক্তিবর্গ প্রমুখ। মাওলানা মোহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন, ফাইতং ইউনিয়ন ৫নং ওয়ার্ড আলো ছড়িয়ে দিয়ে মানুষকে সচেতন ব্যাক্তি হিসেবে চালচলন থেকে মুক্ত করার ক্ষেত্রে যে সকল মহা মনিষী ধর্ম প্রচারে অনন্য অবদান রাখবে। তাদের মধ্যে এলাকা হযরত আবু বক্কর সিদ্দিক (রাঃ) হাফেজ খানায় ইসলামী শিক্ষা ও সঠিক আধ্যাত্মিক শিক্ষা প্রসারে এবং ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কারে ব্যাপক জাগরণ সৃষ্টি করেন। প্রতিষ্ঠানের প্রতি অত্যন্ত তীক্ষ্ম বুদ্ধির অধিকারী একজন মহান আধ্যাত্মিক সাধক, সত্যিকারের আলেমে দ্বীন, সমাজ সংস্কারক, ইসলামি সাহিত্যিক, আল্লাহ্র পথের মহান পথ প্রদর্শক এবং ছাত্রদের আশ্রয়স্থল। সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান বলেন, নিজে আরবি বর্ণমালা শিক্ষাদানসহ আরবী কায়দার পাঠদান শেষে করতে হতো ।এই হযরত আবু বক্কর সিদ্দিক (রাঃ) হাফেজ খানায় আল কোরআন কারীম শিক্ষার পাশাপাশি তিনি অল্প সময়েই বাংলা, ইংরেজী, অংকসহ আরবী, উর্দু, ফারসী বিশয়ে বিশেষ দক্ষতা অর্জন কথা বলে। মাদ্রাসা, মসজিদ, মক্তব ও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়া এবং দাওয়াতী কাজ করে হেদায়েতের কাজ করাই ছিল আমাদের মূখ্য উদ্দেশ্য। এ সময়ে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পাহাড়ে বিভিন্ন স্থানে বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অসংখ্য তালিমী সেন্টার প্রতিষ্ঠা হচ্ছে। জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত জনকল্যাণ এবং পথ হারা মানুষেকে সঠিক পথের সন্ধান দানের কাজে তিনি কর্মময় জীবন অতিবাহিত করেন।সভাপতি হেলাল উদ্দিন বিএ বলেন, অতি সাধারন মানুষের মতো জীবন যাপন করে তিনি ইসলামীক আদর্শকে সমুন্মত রেখেছেন যাতে করে খেটে খাওয়া মানুষ কাজ কর্ম করে ও কিভাবে ইসলামী আদর্শ বজায় রাখতে পারে তার একটি নমুনা পায়। পাহাড় কৃষি পিতারা ছিলেন দিন মজুর, চাষী ও খেটে খাওয়া মানুষের অনুপম আদর্শ। তিনি প্রায় তার ভক্ত মুরিদান ও এলাকার লোকদেরকে বলতেন ‘বাবা আমিওতো চাষাবাদ এবং খামার করি। এজন্য তো কোন দিন নামাজ কাযা হয়নি’। গৃহস্থলি এবং চাষাবাদকে তিনি তার জীবিকা নির্বাহের মূখ্য উপাদান হিসাবে গ্রহন করে ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষ সময়ে উপস্থাপন করে বলেন, রাজনৈতিক কারনে নয়, মানবিক কারনে মানুষের সেবা করার জন্য মানবিক দায়বদ্ধতা থেকে সবাই নিজের ব্যাক্তিগত পক্ষ হতে সব সময় মানুষকে সহযোগিতার করার চেষ্টা করেন।
All rights reserved © 2020 paharechok.com||
এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি