Logo
শিরোনাম
বিলাইছড়ি বাসীর আস্থার প্রতীক জয়সিন্ধু: জেলা পরিষদে পদ দিতে আপত্তি কোথায় ঈদগাঁও থানা পুলিশের উদ্যোগে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বিলাইছড়িতে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত ঘুমধুমে সাংবাদিক আজিজ’র ওপর হামলার চেষ্টা: পুলিশের উপস্থিতিতে পালিয়ে গেছে বহিষ্কৃত ১ নেতা কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে উৎসবের আমেজ, লোকে লোকারণ্য বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারিতে বনভূমি দখল ও নিধনের মহোৎসব চলছে ঠেকাবে কে ঈদগাঁওতে মহান স্বাধীনতা দিবসে কুচকাওয়াজ প্রদর্শন অনুষ্ঠান সম্পন্ন বিলাইছড়িতে গণহত্যা দিবস পালিত কেশবপুরে ধারের টাকা আত্মসাৎ ও মিথ্যা মামলার হুমকির প্রেক্ষিতে সংবাদ সম্মেলন লামায় ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস উপলক্ষে স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা

বিলাইছড়ি বাসীর আস্থার প্রতীক জয়সিন্ধু: জেলা পরিষদে পদ দিতে আপত্তি কোথায়

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

 

রাঙ্গামাটি জেলা প্রতিনিধিঃ- বিলাইছড়ি উপজেলার  জয়সিন্ধু চাকমা জেলা পরিষদ সদস্য পদ পেতে নেই কোনো আপত্তি। নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক পাহাড়ি-বাঙালী অনেকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাকে সদস্য পদ দিলে বিলাইছড়ি উপজেলা সহ পার্বত্য এলাকায়  ব্যাপক উন্নয়ন সম্ভব। সম্প্রদায়ের সম্প্রীতি বাজায় রেখে জাতি, ধর্ম,বর্ণ নির্বিশেষে পাহাড়ি- বাঙালী ঐক্যর প্রতীক বলে মনে করছেন উপজেলা সংশিষ্ট, রাজনীতিবিদসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ। সকলের প্রাণ প্রিয় ও গ্রহণযোগ্য মনে করেন।  পাহাড় থেকে উঠে আসা পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে তার সুনাম রয়েছে।

 

তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে আপদে- বিপদে, সূখে- দুঃখে সবার পাশে রয়েছেন বলে তিনি জানান।  নাম তার  জয়সিন্ধু চাকমা, পিতা : গোপাল চন্দ্র  চাকমা, ঠিকানা :- গ্রাম: গাছকাটা ছড়া  দোজরীপাড়া, ১২২ নং  কুতুব দিয়া মৌজা,৩ নং ওয়ার্ড  বিলাইছড়ি উপজেলার বাসিন্দা । তিনি আরো জানান, রাজনৈতিক জীবনে  দীর্ঘ প্রায় ২৫ বছর ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপিতে ছিলাম। ২০০০ সাল হতে ২০০৫ সাল পর্যন্ত ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ছিলাম। ২০০৭ হতে ২০১৩ পর্যন্ত তৃণমূল দলের সভাপতি। ২০১৩ হতে ২০১৮ পর্যন্ত  উপজেলা বিএনপির উপজাতীয় বিষয়ক সম্পাদক।

২০১৮ হতে  অদ্যবধি পর্যন্ত উপজেলা বিএনপির যুগ্ন সম্পাদক হিসেবে রয়েছি। এছাড়াও বর্তমানে গাছকাটা ছড়া, ইকো-ট্যুরিজম ও ভিসিএফ সভাপতি,গাছকাটা ছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কমিটির সভাপতি। বর্তমানে কার্বারী এসোসিয়েশন এর সভাপতি এবং  প্রথাগত নেতা হিসেবে একজন সোসিয়াল ওয়ার্কার। যা ছোট বেলা হতে  সবসময় বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে জড়িত। নির্বাচনে পরিচালনা কমিটির  উপজাতীয় বিষয় আহ্বায়ক  দায়িত্ব পালন করেছি।  তিনি আরও জানান তার নিজস্ব প্রচেষ্টা,মেধা ও ধৈর্য্যশীলতার কারণে দুর্গম পাহাড় থেকে রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে এতটুকু পা রেখে চলেছেন। সুযোগ দিলে আরও কাজ করতে চাই নিবেদিত প্রাণ হিসেবে।

 

দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে ফ্যাসীস্ট সরকারের অত্যাচারে স্বীকার হওয়ার পরও দলে থেকেই দলকে টিকিয়ে রাখার গুরুত্বপূর্ণ   ভূমিকা রেখেছি, যা অন্য কোনো সক্রিয় সদস্যর  চেয়েও  কোনো অংশেই  কম নয়। বর্তমানে  পরিস্থিতি স্বাভাবিকের  কারণে গণতন্ত্র ফিরে এসে  গত ১২ ই ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ২৯৯ – রাঙ্গামাটির আসনে বিপুল ভোটে বিএনপি জয়লাভ করে। এজন্য সারা বাংলাদেশে সবার চেয়ে বেশি ভোট পেয়ে বর্তমানে সরকার গঠন হয়। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী  তারেক রহমান এ্যাড. দীপেন দেওয়ান স্যার আপনাকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব  দিয়েছেন। আপনি সবসময় পার্বত্যবাসীর সুখ- দুংখের কথা ভাবেন এবং  পাশে রয়েছেন, তেমনি পাশে থাকবেন নেতাকর্মীদের সাথেও। ভাববেন তৃণমূল নেতাদের কথাও। তাই জেলা পরিষদ পদ একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব, যাকে তাকে দেওয়া হলে অতীতের মতো পুনরাবৃত্তি হবে। এজন্য দলকে দুর্নীতি মুক্ত ও উন্নয়ন করতে চাইলে অবশ্যই সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব প্রয়োজন। এজন্য  দাবি রাখছি যে, দায়িত্ব পেলে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে যাবো। তাই সদস্য পদ পেতে আপনি,  আপামর জনগণ, সকল প্রশাসন,আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সহ সর্বস্তরের সহযোগিতা কামনা করেন এই রাজনীতিবিদ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


error: Content is protected !!