নিজস্ব প্রতিনিধি,ঈদগাঁও
কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলা কৃষি অফিসার (অস্থায়ী) কার্যালয়টির সুফল পাচ্ছেন না বিশাল এলাকাবাসী। এটি নামে থাকলেও বাস্তবে কাজে নেই। সরেজমিন পরিদর্শনেও এটি সত্য মিলছে।
জানা যায়, ঈদগাঁও-বাঁশঘাটা সড়কের পুরাতন বাবুল ডেকোরেশন দোকানের পাশ্ববর্তী স্থানেই দেয়ালে টাঙানো দুটি সাইনবোর্ড। একটি সাইন বোর্ডে লেখা গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের লগো সম্বলিত উপজেলা কৃষি অফিসারের কার্যা লয় (অস্থায়ী কার্যালয়) ঈদগাঁও,কক্সবাজার। আরেকটি সাইনবোর্ডে লেখা আছে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের লগো সম্বলিত কৃষি সম্প্র সারনের নিজস্ব সম্পত্তি। মৌজা,খতিয়ান,দাগ ও জমির পরিমানও লেখা রয়েছে এ সাইনবোর্ডেই।
কিন্তু লোহার গেইটে দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে আছেই তালা। ভেতরে প্রবেশের কোনই সুযোগ নেই।
দেখা যায়, বতমানে উক্ত সাইনবোর্ডের সামনেই বিক্রি করে লাই-ডোলাসহ প্রয়োজনীয় জিনিস। ময়লা আবজনায় অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ। দেখার যেন কেউ নেই।
স্থানীয় কজনের সাথে কথা হলে তারা,সরকারী সাইনবোর্ড লাগানো এই গেইটটি দীর্ঘসময় ধরে তালাবদ্ধ বলে জানিয়েছেন। নেই কোন সরকারী সম্পত্তির খোঁজখবর। এটি এমনি অবস্থায় পড়ে রয়েছে বহুদিন ধরে।
স্থানীয় কৃষকরা জানালেন, যদি উপজেলা কৃষি অফিসারের কার্যালয়টি সচল থাকতো, তাহলে উপজেলা আওতাধীন পাঁচটি ইউনিয়নের পাড়া মহল্লার প্রান্তিক কৃষকগণ সুফল পেতো। তাদের উৎপাদিত পন্যধানসহ অন্যান্য চাষাবাদ বিষয়ক প্রয়োজনীয় পরামর্শ নিতে পারতো। সেসাথে চল মান মৌসুমে বোরোধান রোগে আক্রমণের হাত থেকে বাঁচানোর কৌশলসহ কীটনাশকের বিষয়ে সহযোগিতাও পরামর্শ মিলতো সহজে।
কৃষি অফিসারের কার্যালয়টি বতমানে দূরবর্তী হওয়ায় গ্রামীন জনপদের কৃষকরা যোগাযোগে অনেকটা অনাগ্রহ প্রকাশ করছেন।
ঈদগাঁও উপজেলায় কোন স্থায়ী কৃষি অফিস না থাকায় কৃষকরা সহজে সেবা পাচ্ছেনা। এখনো পযন্ত অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে সদর উপজেলা থেকে কৃষি বিভাগ দায়িত্ব পালন করে আসছে। অফিস দুরত্ব হওয়ায় কৃষকরা কোন প্রশিক্ষন নিতে গেলে কৃষকদের অযথা সময় ও বাড়তি টাকা অপচয় হচ্ছে। এমনি সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত উপজেলার কৃষক সমাজ।
উপজেলায় কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের নিজস্ব জায়গা যেহেতু রয়েছে,সেখানে অফিস ও ট্রেনিং সেন্টার কিংবা সংরক্ষণাগার করা হলে এই বৃহৎ এলাকার কৃষক হাতের নাগালে কৃষি সেবা পেত।
এ বিষয়ে ঈদগাঁও উপজেলার (অ:দা:) কৃষি অফিসার রাসেল রানার সাথে কথা হলে তিনি জানান, কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের নিজস্ব সম্পত্তির নিয়ে কৃষি বিভাগ এখনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেননি। তবে ভবিষ্যতে অফিস হতে পারে।
All rights reserved © 2020 paharechok.com||
এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি