এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও
প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহা সড়কে ঈদগাঁওর স্টেশনে পশুর হাট। ফলে গরু মহিষ ক্রেতা বিক্রেতাসহ মানুষের মাঝে ভোগান্তি দেখা দেয়। ফলে ১০ মিনিট পথ আধঘন্টারও বেশি সময় ব্যয় হয়। মহাসড়কের উপর পশুহাটে ফলে যান জটে হিমশিম খাচ্ছেন বিভিন্ন শ্রেনী পেশার লোকজন। মহাসড়ক থেকে কুরবানি পশুর বাজারটি অন্যত্রে সরালে ভাল হবে বলে মত প্রকাশ করে সচেতন মহল। পশুর হাট বসানোর ফলে যানজটের সৃষ্টি প্রতিনিয়ত। এসব এলাকার সড়কের উভয় পাশে আটকা পড়ে বহু যান বাহন।
দেখা যায়, দক্ষিণ চট্টগ্রামের সর্ববৃহৎ পশুর হাটটি মহা সড়কের উপর। ফলে যানবাহন আটকা পড়তে থাকে। এমনকি হেঁটে চলাচলও কঠিন হয়ে পড়ে। হাট বাজার টি মহাসড়কের উপর হওয়ার কারনে শুধুই যাত্রীবাহী যানবাহন নয়, রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্সও আটকা পড়ে যায়।
এদিকে ঈদুল আযহা উপলক্ষে অস্থায়ী পশুরহাট ইজারা বিজ্ঞপ্তিতে ৪নং শর্তাবলীতে উল্লেখ্য যে,সড়ক-মহাসড়কে যানবাহন চলাচলের সুবিধা্থে জাতীয় আঞ্চলিক মহাসড়কের উপর বা সন্নিকটে কোনক্রমে অস্থায়ী পশুর হাট বসানো যাবেনা। নির্দেশনা অমান্য কারীদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বিধি মোতাবেক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
স্থানীয়রা জানান, প্রতি শনি-মঙ্গলবার বসে পশুর হাট। হাটের ভেতরে জায়গা স্বল্পতার জন্য দীর্ঘলাইন সড়ক দখল করে চলে কুরবানির গরু মহিষ বেচাকেনা। ফলে সৃষ্টি হচ্ছে যানজট এবং ভোগান্তি।
প্রসঙ্গত, যিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখার পরের দিন তথা মঙ্গলবার ঈদগাঁওর কুরবানির পশুর হাট বাজার শুরু হয়।