Logo
শিরোনাম
লামায় বন্য হাতির আক্রমণে একজন কৃষকের মৃত্যু বিলাইছড়িতে লাল এ্যাংলিয়ানা পাংখোয়াকে জেলা পরিষদ সদস্য পদে না দেওয়ার দাবিতে  বিএনপির সংবাদ সন্মেলন দীর্ঘ বছরেও গড়ে উঠেনি পাকিং ব্যবস্থা…. ঈদগাঁও বাজারজুড়ে অঘোষিত যানবাহন স্টেশন, ত্রিমুখী সমস্যা বিলাইছড়িতে লাল এ্যাংলিয়ানা পাংখোয়াকে জেলা পরিষদ সদস্য পদে না দেওয়ার দাবিতে  বিএনপির সংবাদ সন্মেলন বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে অনুপ্রবেশ কালে আরাকান আর্মির ৩ সদস্য আটক পাহাড়ে সশস্ত্র সংগঠনের পরিচয়ে চাঁদা দাবি; রেইচা চেকপোষ্টে আটক অভিযুক্তের আত্মহত্যার চেষ্টা বান্দরবানে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ২৯ একর পপিক্ষেত ধ্বংস, বাজারমূল্য প্রায় ১১ কোটি টাকা পাহাড়ী সন্ত্রাসীদের সাথে নিরাপত্তা বাহিনীর গোলাগুলি, নিহত ১ লামায় প্রভাবশালী দখলে বেড়ে উঠেছে বালু খেকোদের দৌরাত্ম সাংসদ লুৎফুর রহমান কাজলের সাথে ঈদগাহ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় পরিবারের সাক্ষাৎ

বান্দরবানে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ২৯ একর পপিক্ষেত ধ্বংস, বাজারমূল্য প্রায় ১১ কোটি টাকা

বান্দরবান প্রতিনিধি :

পার্বত্য জেলা বান্দরবানের দুর্গম সীমান্ত এলাকায় মাদকের বিস্তার রোধে বড় ধরনের সাফল্য পেয়েছে যৌথ বাহিনী। থানচি ৩১ বীর বিজিবি এবং সেনাবাহিনীর আলীকদম জোনের একটি সমন্বিত টহল দল দীর্ঘ অভিযানে প্রায় ২৯ একর জমির পপিক্ষেত ধ্বংস করেছে। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথ বাহিনীর একটি বিশেষ দল সংশ্লিষ্ট এলাকার ১২টি পৃথক লোকেশনে অভিযান পরিচালনা করে। স্থানীয় জনসাধারণের উপস্থিতিতে নিষিদ্ধ এই পপিক্ষেত গুলো উপড়ে ফেলা ও পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।যৌথ বাহিনীর ধারণা মতে, ধ্বংসকৃত পপি থেকে প্রক্রিয়াজাতকরণের পর প্রায় ১,৪৫০ কেজি আফিম উৎপাদিত হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। উদ্ধারকৃত ও ধ্বংসকৃত এই মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য ১০ কোটি ৮৭ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এই অঞ্চলের বিশাল এলাকা জুড়ে পপি চাষের বিস্তার ঘটেছে। বিশেষ করে ডিমপাহাড় এবং সাঙ্গু নদীর মধ্যবর্তী অত্যন্ত দুর্গম এলাকাগুলোতে বিপুল পরিমাণ জমিতে এই নিষিদ্ধ মাদক চাষাবাদ হচ্ছে। এসব এলাকায় আরও প্রায় ১০০ একরের বেশি জমিতে পপি চাষ করা হয়েছে।নিরাপত্তা বাহিনীর জানায়, “দুর্গম পাহাড়ের সুযোগ নিয়ে একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী সাধারণ মানুষকে পপি চাষে উদ্বুদ্ধ করছে। বিশেষ করে আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠী গুলো এই মাদক বিক্রয় ও চাষাবাদের মূলহোতা। মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে এবং সীমান্ত নিরাপত্তা বজায় রাখতে যৌথ বাহিনীর এই চিরুনি অভিযান অব্যাহত থাকবে”। পার্বত্য অঞ্চলের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষা এবং মাদক নির্মূলে বিজিবি ও সেনাবাহিনীর এই কঠোর অবস্থান স্থানীয় মহলে প্রশংসিত হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


error: Content is protected !!