Logo
শিরোনাম
বান্দরবান পাহাড়ে গঙ্গাপূজা ও বারুণী স্নানে পুণ্যার্থীর ঢল দুর্গম ফারুয়া ইউনিয়নে ভিজিএফ চাউল বিতরণ  আমির ভান্ডার দরবারে ফেয়ারুল মোস্তাফা আমিরী খতমে কুরআন, খতমে বোখারী ও   মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা ইসলামাবাদে ইমাদ্রাসাতি মডেল হিফজখানার উদ্বোধন ও দোয়া মাহফিল লামায়-ফাইতং যুব উন্নয়ন সমবায় সমিতি লি: কর্তৃক ঈদ শুভেচ্ছা উপহার বিতরণ দুর্গম ফারুয়া ইউনিয়নে ৬০০ কার্ডধারী মহিলাদের চাল বিতরণ  ঈদগাঁওতে মানব সেবা সোসাইটির ঈদের নতুন কাপড় উপহার পেল শতাধিক মানুষ লামায় খেদারবান পাড়া হযরত আবু বক্কর সিদ্দিক (রাঃ) হাফেজ খানায় ছাত্রদের পাঞ্জাবি বিতরণ সাধারণ শিক্ষার্থীদের সম্মানে… ঈদগাঁওতে শিবিরের উদ্যোগে তারুণ্যের ইফতার সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত

খাগড়াছড়িতে মারমা সম্প্রদায়ের সাংগ্রাই উৎসবের সুচনা

নিজস্ব সংবাদদাতা

পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর প্রাণের উৎসব বৈ-সা-বি-কে ঘিরে পুরো খাগড়াছড়ি জেলায় আনন্দের রং ছড়িয়ে পড়েছে। বুধবার (১৩ এপ্রিল) থেকে শুরু হয়েছে মারমা সম্প্রদায়ের তিন দিন ব্যাপী ঐতিহ্যবাহী সাংগ্রাইং উৎসব। মারমা সম্প্রদায়ের সাংগ্রাইং উৎসবকে ঘিরে খাগড়াছড়ি জেলা শহর নানা রং-এ রঙ্গিন হয়ে উঠেছে

এ উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ ছিল মারমা জনগোষ্ঠীর বর্ণাঢ্য সাংগ্রাইং র‌্যালী ও জলকেলি বা জলোৎসব। সকালে বৌদ্ধ বিহারগুলোতে ক্যং ফুল পূজার মধ্যদিয়ে সাংগ্রাই উৎসবের সূচনা হয়। সাংগ্রইং উৎসব উপভোগ করতে খাগড়াছড়ি এসেছে বিপুল সংখ্যক পর্যটক।

বুধবার (১৩ এপ্রিল) সকালে খাগড়াছড়ি শহরের পানখাইয়া পাড়ায় মারমা উন্নয়ন সংসদের উদ্যোগে আয়োজিত সাংগ্রাইং ও পানি উৎসবের উদ্বোধন করেন, ভারত প্রত্যাগত উপজাতীয় শরনার্থী ও উদ্বাস্তু পুনর্বাসন বিষয়ক টাস্কফোর্স চেয়ারম্যান কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি।

তার সাথে সাথে উৎসবের রং ছড়িয়ে পড়ে চারি দিকে। পরে শহরে বের হয় বণিল শোভাযাত্রা। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান সড়ক ঘুরে মনোজ্ঞ ডিসপ্লে ও ঐতিহ্যবাহী জলকেলি বা জলোৎসবে মেতে উঠেন মারমা সম্প্রদায়ের তরুন-তরুনীরা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ডিজিএফআইয়ের ডেট কমান্ডার কর্ণেল ইশতিয়াক আহমেদ, খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মংসুইপ্রু চৌধুরী, খাগড়াছড়ি সদর দপ্তর খাগড়াছড়ি সদর জোন কমান্ডার লে. কর্ণেল সাইফুল ইসলাম সুমন, খাগড়াছড়ি রিজিয়নের স্টাফ অফিসার মেজর জাহিদ হাসান, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ বশিরুল হক ভূইয়া, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আব্দুল আজিজসহ উচ্চ পদস্থ সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সুশিল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

মারমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী জলকেলি বা জলোৎসবে তরুন-তরুনীরা একে অপরের দিকে পানি নিক্ষেপ করে উল্লাস প্রকাশ করে। মার্মা জনগোষ্ঠীর বিশ্বাস এই পানি উৎসবের মধ্য দিয়ে অতীতের সকল দু:খ-গ্লানি ও পাপ ধুয়ে-মুছে যাবে। সে সাথে তরুন-তরুনীরা একে অপরকে পানি ছিটিয়ে বেছে নেবে তাদের জীবন সঙ্গীকে। সাংগ্রাইং উৎসব উপভোগ করতে খাগড়াছড়ি এসেছেন অনেক পর্যটকও।

এছাড়াও উৎসব উপলক্ষে নানা খেলা-ধুলা, পিঠা উৎসব, মারমাদের ঐতিহ্যবাহী নৃত্য ও ওপেন কনসার্টের আয়োজন করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


error: Content is protected !!