Logo
শিরোনাম
হারবাংয়ে ৩০শতক বনভূমি দখলমুক্ত, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ বিলাইছড়িতে এসএসসি পরীক্ষায় ৩০৮ পরীক্ষার্থীর মধ্যে  অনুপস্থিত  ৬ ঈদগাঁওতে ৩ কেন্দ্রে এসএসসিও দাখিল পরীক্ষা শুরু বিএনপির সভাপতি এমএ সালাম ফকিরকে দেখতে হাসপাতালে VL পাংখোয়া গ্যাসের দাম বৃদ্ধিতে ঈদগাঁও-ঈদগড়-বাইশারী সড়কে সিএনজি ভাড়া বৃদ্ধি পোকখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে জেন্ডার ও সুশাসন বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে আলোচনা ঈদগাঁওর কালিরছড়া খালে পড়ে যুবকের মৃত্যু  রামুর গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে বিদায় সংবর্ধনায় কৃতি শিক্ষার্থীদের জন্য নগদ বৃত্তির ঘোষণা নাইক্ষ্যংছড়ির সোনাইছড়িতে  বর্ণাঢ্য আয়োজনে সাংগ্রাইয়ের জলকেলি উৎসব উৎযাপিত নাইক্ষ্যংছড়ির সোনাইছড়িতে  বর্ণাঢ্য আয়োজনে সাংগ্রাইয়ের জলকেলি উৎসব উৎযাপিত

পাটগ্রামে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ

লালমনিরহাট প্রতিনিধি:লালমনিরহাটের পাটগ্রামে দ্বিতীয় শ্রেনির এক স্কুল ছাত্রীকে (৭) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী ফরিদুল ইসলাম নামে এক কিশোরের (২০) বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে মরিয়া স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ এমনি অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের।

গত বৃহস্পতিবার (৮ই সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টার দিকে ওই উপজেলার দহগ্রামের মহিমপাড়া এলাকায় এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ওই কন্যা শিশুর বাবা বাদী হয়ে পাটগ্রাম থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত কিশোর ফরিদুল পলাতক রয়েছে বলে জানা গেছে। ধর্ষক কিশোর উপজেলার দহগ্রাম ইউনিয়নের মহিমা পাড়া এলাকার আমজাদ আলীর ছেলে। ভূক্তভোগী নির্যাতিতা সম্পর্কে তার চাচাতো বোন।

জানা যায়, মেয়েটির বাড়ির ও অভিযুক্ত ফরিদুলের বাড়ি একই গ্রামে। সেই সুবাদে তাদের বাড়িতে অবাধে আসা-যাওয়া করতো ফরিদুল। গত ৮ই সেপ্টেম্বর সকালে মেয়েটিকে বিস্কুট কিনে দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে পাশের একটি হলুদ ক্ষেতে নিয়ে যান। সেখানে মেয়েটির হাত মুখ চেপে ধরে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে ওই কিশোর। এ সময় মেয়েটি শারীরিক যন্ত্রনা সহ্য করতে না পেরে চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করে। চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান কিশোর ফরিদুল। পরে মেয়েটিকে উদ্ধার করে প্রথমে পাটগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে পাঠান চিকিৎসক। বর্তমানে সে সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে, ৭ বছর বয়সী মেয়েটিকে ধর্ষণের ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে দহগ্রাম ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী-লীগ নেতা নুর আলম ইসলাম মরিয়া হয়ে উঠেছে। তা ছাড়া ঘটনাটি কাউকে না জানাতে গত বৃহস্পতিবার রাতে কিশোরের বাবা ও তার দলবল ভুক্তভোগীর বাড়িতে এসে মারধরের হুমকি দিয়ে যান। পরিবার নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে দাবী করেন মেয়েটির বাবা। তবে আওয়ামী-লীগ নেতা নুর আলম সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার বাড়িতে মেয়েটির বাবা দিনমজুরের কাজ করে। আমি তাদেরকে পরিবারকে বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতা করে আসছি। এই ধর্ষণের ঘটনায় যাতে সুষ্ঠু বিচার পায় সেজন্য আমি তাদের পাশে আছি।

এ বিষয়ে কন্যা শিশুটির বাবা বলেন, আমার সাত বছর বয়সী ছোট মেয়েকে ধর্ষণ করেছে আমারই প্রতিবেশী ভাতিজা ফরিদুল। আমার মেয়ের শারীরিক অবস্থা ভালো না। এদিকে আমাদের বিভিন্ন ভাবে হুমকি-ধামকি দিচ্ছে ছেলের বাড়ির লোকজন। আমি এই ধর্ষণের ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।

পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওমর ফারুক অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ধর্ষণের ঘটনায় মেয়েটিকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


error: Content is protected !!