আলীকদম প্রতিনিধি:গত ৪ দিনের অবিরাম বর্ষণে রবিবার সকাল থেকে বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এদিকে টানা বর্ষণের ফলে বেশ কিছু জায়গায় ছোটখাট পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। কয়েকজনের ঘরবাড়ি আংশিক চাপা পড়লেও পাহাড় ধসে তেমন কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। এদিকে পাহাড়ি ঢলে আলীকদম লামা ফাঁসিয়াখালী সড়কের কয়েকটি স্থানে পানিতে রাস্তা ডুবে যাওয়ায় আপাতত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
সরজমিনে ঘুরে দেখা যায়, আলীকদম সদর ইউনিয়ন পরিষদের বেশ কিছু এলাকা, ৩নং নয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের এলাকা, ২নং চৈক্ষ্যং ইউনিয়ন পরিষদের এলাকায় কয়েক শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
আলীকদম লামা ফাঁসিয়াখালী সড়কের চৈক্ষ্যং ইউনিয়ন পরিষদের সামেন,শিলেরতুয়া, কাঁকড়া ঝিরি ঝিরি এলাকায় রাস্তা পানির নিচে ডুবে গেছে। এতে করে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। অতি বৃষ্টির ফলে মাতামুহুরী নদী সহ লামার সবকয়টি খালে বিপদসীমার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।
বন্যায় প্লাবিত এলাকা পরিদর্শনে গেলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাবের মোঃ শোয়াইব, বান্দরবান জেলা পরিষদের সদস্য দুংড়ি মং মার্মা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সৌভ্রাত দাশ,আলীকদম সদর ইউপি চেয়ারম্যান নাছির উদ্দীন সরকার, ৩নং নয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কফিল উদ্দিন।
আলীকদম উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাবের মোঃ সোয়াইব বলেন,যে কোন দুর্যোগে সহযোগিতার জন্য কন্ট্রোলরুম খোলা হয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে আলীকদম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স,ফায়ার সার্ভিস, যুব রেড ক্রিসেন্ট ও আলীকদম থানা প্রস্তুত রয়েছে। ইতিমধ্যে পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাসকারীদের আশ্রয়কেন্দ্রে চলে আসতে মাইকিং করা হয়েছে। উপজেলায় ৪টি ইউনিয়নের ১৫ টি প্রাথমিক স্কুল, মাধ্যমিক স্কুল ও মাদ্রাসাকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসাবে ঘোষণা দেয়া হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে আসা লোকজনের খাবারের ব্যবস্থা করা হবে। ছোটখাট দুই একটি পাহাড়ধসের ঘটনার খবর পওেয়া গেছে।
All rights reserved © 2020 paharechok.com||
এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি