এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও
আর দুইদিন পার হলেই মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের সব চেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ। ঈদের পূর্বে কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার প্রধান বাজারে মসলার দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় যেন লক্ষনীয়।
বিভিন্ন দোকানে ভিড় করে সামর্থ্য অনুযায়ী, শুকনা মরিচ, এলাচ, জিরা, দারচিনি, লবঙ্গ, পেস্তা বাদাম, কাজু বাদাম, হলুদের গুঁড়াসহ বিভিন্ন মসলা কিনছেন ক্রেতারা। একসঙ্গে আদা, পেঁয়াজ ও রসুনও কিনছেন অনেকে। কোন কোন দোকানে ক্রেতার ভিড় সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে বিক্রেতাকে। ক্রেতাদের কে দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। বিক্রি বাড়লেও মসলার দাম নতুন করে বাড়েনি বলে জানান দোকানিরা।
সাতকানিয়ার এক মসলা বিক্রেতা জানান,প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও কোরবানির ঈদের মসলা বিক্রি ভালো হচ্ছে। সোমবার দুপুরে ক্রেতাদের ভিড় চোখে পড়ার মতো। সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত অবধি পযন্ত ক্রেতা দের ভিড় থাকবে বলেও জানিয়েছেন ঐ বিক্রেতা।
তিনি বলেন, কোরবানির ঈদে সব বাসাবাড়িতেই মাংস রান্না হয়। যাদের কোরবানি দেওয়ার সামর্থ্য নেই, তাদের বাড়িতেও মাংস থাকে। আর মাংস রান্না করতে হলে মসলা লাগবে। যার যেটুকু সামর্থ্য, সেই অনুযায়ী মসলা কিনছে। ২০ টাকা, ৩০ টাকা, ৫০ টাকা, ১শত টাকা যে যেভাবে চাচ্ছে সেই ভাবে বিক্রি করছি।
আরেক বিক্রেতা জানান, সাধারণত পেঁয়াজ, রসুন, আদা বিক্রি করি। কোরবানির ঈদ উপলক্ষ্যে কয়েক দিন ধরে দারুচিনি, এলাচ, লবঙ্গ, জিরা বিক্রি করছি। বেশ ভালো বিক্রি হচ্ছে। বিক্রি বাড়লেও মসলার দাম বাড়েনি।
মাংস রান্নার জন্য মসলা কিনতে আসা কজনের সাথে কথা হলে তারা জানান, আর একদিন পর কুরবানির ঈদ। সামর্থ্য অনুযায়ী ঈদের দিন মাংস রান্না করার জন্য মসলা কিনতে এসেছি। এবার মসলা সামগ্রীর দাম কম।
সচেতন মহল জানান, অন্য বছরের তুলনায় এই বছর গরু মহিষের বাজার ও মসলার সামগ্রীর দোকানে ক্রেতা বিক্রেতাদের উপচেপড়া ভীড় যেন চোখে পড়ার মতো। কুরবানের পশুর দাম বেশি হলেও সে অনুপাতে মসলা সামগ্রীর দাম বাড়েনি। এই নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন ক্রেতারা।