এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও
আখ চাষে সাফল্য ধরে রেখেছে ইসলামাবাদ ইউনিয়নের কৃষকরা। যেন সফলতার হাতছানি। উপযোগী মাটি, অনূকূল আবহাওয়ার কারনে আখের বাম্পার ফলন দেখা দিয়েছে।
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পাশে ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামাবাদ ওয়াহেদের পাড়া এলাকার কৃষক নুরুল কবির। তিনি দীর্ঘ দশ বছর ধরে এ আখ চাষাবাদের সাথে জড়িত। আর ২/১ মাস পর বাজারে তুলা হবে রসালো দেশি জাতের আখ। পোকার আক্রমণ তেমন নেই। ভাল লাভবান হবে বলেও তিনি আশাবাদী।
ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা নুরুল কবিরের সাথে কথা হলে তিনি আরো জানান, প্রায় ৭০ কড়া জমিতে এ আখ চাষ করে এখন সফলতার পথে মোটামুটি। অল্পটুকু জমিতেই ৫ হাজারের মত আখ উৎপাদন হয়েছে। এই আখ ইউনিয়নের ওয়াহেদের পাড়া,বাঁশঘাটাসহ বিভিন্ন স্থানে চাষ করেন কৃষকরা। তার মতো আরো ৫০ জন কৃষক আখ চাষাবাদ করে যাচ্ছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এ এলাকায় আখ চাষে লাভবান হওয়ার পথে বহু কৃষক। এতে ইউনিয়নের কৃষকরা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে উঠার অপেক্ষার প্রহর গুনছেন।
বুধবার বিকেলে সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়,ইউনিয়নের প্রত্যান্ত অঞ্চলে এবার দেশি জাতের আখের আবাদ হয়েছে। দিন দিন আখের চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আখ চাষে লাভবান হওয়ায় কৃষকরা এই চাষাবাদে ঝুঁকছে । আখ বাগান দেখতেও বেশ চমৎকার বটে। আরো দেখা গেছে, দুলছে সারি সারি আখ। দেশি জাতের বলে গায়ের রং উজ্জ্বল হালকা হলুদ রংয়ের হয়। কমপক্ষে ১২-১৩ ফুট লম্বা মাঝারি মোটা আখগুলো সারিবদ্ধভাবে সোজা দাঁড়িয়ে আছে।
এলাকার আরেক কৃষক বলেন, আখের চারা লাগানোর এক বছর পর এই আখ খাবার উপযোগী হয়। ভাদ্র মাসের শুরুর দিকে আখ তোলা হবে বাগান থেকে। এই আখ বড় করতে সারসহ বহু কিছু ব্যবহার করা হয়। আখ চাষে তেমন কোন খরচ না থাকায় চাষীরা লাভবান হওয়ার পথে।