• মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৬:১০ পূর্বাহ্ন
Headline
বিলাইছড়িতে পরিবার পরিকল্পনা অফিস  কর্তৃক স্কুল হেল্থ প্রোগ্রাম পরিচালিত নাইক্ষ্যংছড়ি ১১ বিজিবির উদ্যোগে কক্সবাজারের পেকুযায় বন্যা দুর্গতদের খাদ্য  সহায়তা প্রদান ও ড্রোনে উপস্থিতি পর্যাবেক্ষেণ দীর্ঘকাল ধরে দখল-ভরাটে বন্দি ঈদগাঁও মাইজ পাড়ার খালটি খনন দাবী এলাকাবাসীর রাজস্থলীতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত। ২০ জন শিক্ষার্থীর বৃত্তি লাভ…. বৃত্তি পরীক্ষায় ঈদগাঁও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেষ্ঠত্ব রামুর কচ্ছপিয়ায় বন্যার পানির স্রোতে পড়ে এক ব্যক্তির মর্মান্তিক মৃত্যু ফারুয়া ইউনিয়নে পৌঁছে গেছে মেডিকেল টীম ফারুয়াতে ডা.রনি’র নেতৃত্বে বন্যা কবলিত এলাকায়  চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছে একটি মেডিকেল টীম নাইক্ষ্যংছড়িতে সপ্তাহ ব্যপি টানা বৃষ্টিতে ভ্যানে চড়ে ক্ষতিগ্রস্ত সেতুর মেরামত কাজ পরিদর্শন করে ইউ এন ও এনামুল হাসান বিলাইছড়িতে ফারুয়া ইউনিয়ন পরিদর্শনে ইউএনও মো. জাকির হোসেন

ফারুয়াতে কাল বৈশাখী তান্ডবে ঘরে গাছ পড়ে হাসপাতালে রুবেল

Reporter Name / ৩৫২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধিঃ- কালবৈশাখী তান্ডবে ঘরের চালে (ছাদে) সেগুন গাছ উপড়ে  পড়ে ফারুয়ার এগুজ্যাছড়ি গ্রামের যুবক রুবেল তঞ্চঙ্গ্যা অল্পের জন্য প্রাণে বেঁছে গেলেন । বর্তমানে সে চিকিৎসাধীন অবস্থায়  চন্দ্রঘোনা মিশন হাসপাতালে । সে তাংখুলা তঞ্চঙ্গ্যা ও  তাপসী তঞ্চঙ্গ্যা’র আদরের ছোট ছেলে এবং  রাঙ্গামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার ফারুয়া এগুজ্যাছড়ি গ্রামের বাসিন্দা। বৃহস্পতিবার ( ২৮ মে) দুপুরে জ্ঞান ফিরলে রুবেল তঞ্চঙ্গ্যার কথা বলতে পারেন। তার সঙ্গে মুঠো ফোনে কথা হলে সে জানায়, এখন কিছুটা সুস্থ আরো কয়েকদিন থাকতে হবে হাসপাতালে। 

 স্থানীয় ও তাদের সঙ্গে কথা বলে  জানা গেছে, গতকাল  প্রচন্ড কালবৈশাখী ঝড়ের তান্ডবে এ দুর্ঘটা ঘটে।  তাদের বাড়ির পাশে কয়েকটি বড়ো বড়ো সেগুন গাছ রয়েছে। বাতাস তীব্র হওয়ায়  সেখান থেকে একটি গাছ উপড়ে তাদের ঘরে  টিনের চালের (ছাদ) উপর পড়ে। গাছটি বড় হাওয়ায় মাচাং ঘরের চাল ভেঙ্গে হাটের উপর পরে। খাটে ছিলো  রুবেল। গাছটি পড়ার সাথে সাথে ছড়তে পারলেও, ডালগুলো  শরীরে বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করে। এতে প্রচন্ড ব্যথা পেয়ে পরে অজ্ঞান  অবস্থায় স্থানীয়রা  তাকে মিশন হাসপাতালে নিয়ে যায়। 

রুবেলের মা তাপসী জানান, ঐ গাছগুলোর বন বিভাগ না ছড়ালে আরো এধরণের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। মরার আশঙ্কা রয়েছে। আমরা পাশাপাশি  পাঁচ পরিবারের রয়েছি । তাপসী আরো জানান, তার বাবা মারা যাওয়ার পর সেখানে  বসবাস করার জন্য অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সেগুন গাছগুলোর অনেক বড়ে বড়ো, ঘূর্ণিঝড়, কালবৈশাখী হলে যেকোনো মূহুর্তে ঘরে উপরে উপড়ে পড়তে পারে।এজন্য গাছগুলো কেটে নেওয়ার জন্য বনবিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকতার সুদৃষ্টি কামনা করেন। এলাকাটি দুর্গম হওয়ায় ফোনে পা-ও-য়া যায়নি ইউপি চেয়ারম্যান বিদ্যালাল তঞ্চঙ্গ্যা কে এবং আলীখ্যং রেঞ্জকর্মকর্তা রোকুনুজ্জামানকে ফোন করলেও ফোন রিসিভ করেননি। হয়তো ছুটিতে রয়েছেন।  তাই গাছগুলোর বড় ও বয়স বেশি হওয়ায়  প্রচুর বৃষ্টিপাত,কাল বৈশাখী ও ঘুর্ণিঝড় হলে যেকোনো মূহুর্তে বিপদ হতে পারে। ভয়ে আতঙ্কে কাটছে তাদের। তাই দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বনবিভাগের কর্তৃপক্ষের কাছে সুদৃষ্টি কামনা করছেন ভুক্তভোগী ও সংশ্লিষ্টরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা