আমিনুল ইসলাম
নাইক্ষ্যংছড়ি(বান্দরবান)প্রতিনিধিঃ
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে চলছে ইযাবার ঢল
প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে চলছে রমরমা ব্যাবসা অনুসন্ধানে জানাজায় এসব কাজে জড়িয়ে পড়েছে এলাকার
প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতারা।
বহন কারিরা আটক হলে-ও গড়ফাদাররা আড়ালে জনমনে প্রশ্ন এসবের লাগাম টানবে কে।
নাইক্ষ্যংছড়িতে-১১ বিজিবির
মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে মালিকবিহীন অবস্থায় ১ লাখ ৪৫ পিস বার্মিজ ইয়াবা জব্দ করেছে।
উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ৩ কোটি ১৩ হাজার ৫০০ টাকা।
১৯ জুন শুক্রবার রাত পৌঁনে ১ টায় পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়,১১ বিজিবি বুধবার (১৮ জুন) বিকেল আনুমানিক ৩টা ৫০ মিনিটে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)-এর অধীনস্থ জারুলিয়াছড়ি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্তবর্তী সেগুন বাগান এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। সীমান্ত পিলার ৪৭/২-এস থেকে প্রায় ১৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে
অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবিরের সার্বিক দিকনির্দেশনায় বিজিবির বিশেষ আভিযানিক দল অভিযান চালায়।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়,চোরাকারবারিরা মিয়ানমার থেকে ইয়াবার চালান নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করলে বিজিবির সদস্যরা তাদের ধাওয়া দেয়।এ সময় চোরাকারবারিরা সঙ্গে থাকা ইয়াবার চালান ফেলে জঙ্গলের ভেতরে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে ১০টি কার্টনে থাকা ৯৯ হাজার ৪৪টি খয়েরি রঙের এবং ১ হাজার ১টি সবুজ রঙের ইয়াবাসহ মোট ১ লাখ ৪৫ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়
নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো:ফয়জুল কবির বলেন,দেশের সীমান্ত সুরক্ষা,চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধ,অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং মাদক পাচার রোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে।মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে কাজ করে যাচ্ছে বিজিবি এবং সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি বজায় রাখা হয়েছে।