• বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ০১:০৮ পূর্বাহ্ন
Headline
চৌফলদন্ডী-খুরুস্কুল সড়কে যত্রতত্রেই খানা খন্দক, যান চলাচলে দূর্ভোগ টানা বর্ষণে ফারুয়া ইউনিয়ন প্লাবিত  ঈদগাঁওর গ্রামীন জনপদ থেকে বিলুপ্তির পথে মাছ ধরার বিশেষ কৌশল “চাঁই” সরকার আসে এবং যায় কিন্তু? বাঙ্গালহালিয়া ডাকবাংলা মধ্যম পড়া বাসির জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ যেন শেষ নেই,   একটু বৃষ্টি হলেই বসতঘরে হাঁটু সমান পানি। ঈদগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা (এসএমসি) কমিটি গঠিত বিলাইছড়িতে  টানা বর্ষণে পাহাড় ধসের আশঙ্কায় প্রশাসনের মাইকিং প্লাবিত সড়ক ইউএনওর পরিদর্শন.. টানা বর্ষণে ঈদগাঁও বাজার এলাকা পানিবন্দি, জনদুর্ভোগ চরমে নাইক্ষ্যংছড়িতে টানা বর্ষণে উপজেলা সদরে দীর্ঘ সময় বিদুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন জনদুর্ভোগ চরমে বিলাইছড়ি সেনা জোনের অধীনস্থ তাংখুইতাং আর্মি ক্যাম্প কর্তৃক ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ

সরকার আসে এবং যায় কিন্তু? বাঙ্গালহালিয়া ডাকবাংলা মধ্যম পড়া বাসির জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ যেন শেষ নেই,   একটু বৃষ্টি হলেই বসতঘরে হাঁটু সমান পানি।

Reporter Name / ৩৫ Time View
Update : বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬

হারাধন কর্মকার রাজস্থলী।

রাঙামাটি রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড ডাকবাংলা মধ্যম পাড়া (বাঙ্গালহালিয়া বাজার ঘেঁষে দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দিরের পিছনের দিকে) একটু বৃষ্টি হলেই উঠানে ও ঘরে ভিতরে হাঁটু সমান পানি। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় পাহাড় থেকে নেমে আসা পানি গুলো নিস্কাশনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না থাকায় প্রায় দুই শত পরিবার গুলো জলাবদ্ধতার সম্মুখীন পোহাতে হচ্ছে বলে জানান গেছে।গত ৩/৪  দিনের ভারি ভয়াবহ বর্ষণের সাথে এ প্রবল বৃষ্টিতে নীচু এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে ৫০/৬০ পরিবারের বসতবাড়িতে পানি ঢুকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার গুলোর। এতে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। অনেকের বাড়ি ঘরে উঠানে পানি উঠে যাওয়ায় দুর্ভোগ পড়েছে। বিশেষ করেন যে সমস্ত পরিবারের ছোট ছোট বাচ্চা রয়েছে সে পরিমাণ চরম দুর্ভোগে পড়েছে। বাজারে দোকান পাটে পানি উঠে ব্যবসাবাণিজ্য মন্দা দেখা দিয়েছে।

বাঙ্গালহালিয়া বাজারের মাছ ব্যবসায়ী মনচুর বলেন, বাজারে অনেক ব্যবসায়ীর দোকানে পানি প্রবেশ করে মালামালের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। প্রবল বর্ষণে কাদামাটি ও নোংরা পানিতে বাজারে আসা ক্রেতাসহ দোকানীদের চলাচলে ব্যাপক দুর্ভোগ পোয়াতে হচ্ছে। ইউনিয়নের পাশাপাশি বাজার এলাকায় জলাবদ্ধতার কারণে দুর্ভোগে পড়েছেন এসব এলাকার মানুষ। টানা বৃষ্টিতে যে পানি জমেছে তা নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা নেই।শিক্ষার্থী সুইমং মারমা জানান, বাড়ির সামনে জমে থাকা পানি পাড়ি দিয়ে স্কুল কলেজে যেতে হচ্ছে। উপজেলার স্কুলের আশপাশ এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। বাঙ্গালহালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক পংকজ ভুষন চৌধুরী বলেন বেশ কয়েক বছর ধরে এমন সমস্যা দেখা দিচ্ছে ।বর্ষা মৌসুমে উপজেলা  নির্বাহী অফিসা সহ জনপ্রতিনিধি ঘটনা স্থলে  পরিদর্শনে আসলে কাজে কাজ কিছুই হয় না। বর্ষা শুরু হলেই আমাদের অর্ধশতাধিক পরিবারে কষ্ট গুলো চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা বড় দায়।ছোট ছোট বাচ্চাদের নিয়ে ঘাঁটের নিচে পানি আর উপরে থাকতে হচ্ছে এতে বিভিন্ন প্রজাতির মোশা মাছি থেকে শুরু করে সাপের আক্রমণ ও শিকার হতে হয়।বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্যা বাপ্পী দেব বলেন বেশ কয়েক বছর ধরে আমরা জলাবদ্ধতার সৃষ্টির কবলে পরতে হচ্ছে। বিশেষ করে উপর থেকে যে সমস্ত নেমে আসা বৃষ্টির পানি গুলো নিস্কাশনের ব্যবস্থা ছিল সেগুলো দিন দিন দখল হয়ে যাওয়ার ফলে আমাদের এমন সমস্যা পরতে হচ্ছে বলে জানান। বাজারে প্রধান সড়কে সে কালভার্ট টা রয়েছে সেটি সোজা করে একটি লম্বা ড্রেন নির্মাণ করা হলে প্রতিবছর শত শত পরিবার গুলো জলাবদ্ধতার সম্মুখীন থেকে মুক্ত পেতে পারে বলে মনে করছি । তবে গত দের বছর আগে ও রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক সহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিকট একাধিক আবেদন করেছি শুধু আশ্বাসের বাণী ছাড়া কিছুই পাইনি আমরা। সামনের দিকে যতোই মাটি ভরাট করতে বর্ষা মৌসুমে আমাদের বাড়িঘরে পানি ঢুকে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি শিকার হতে হচ্ছে বলে জানান।

বাঙ্গালহালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আদোমং মারমা জানান, যেসব এলাকায় জলাবদ্ধতার সম্ভাবনা ছিলো সেসব এলাকার পানি নিস্কাশনের জন কিছু টা নালা গুলো পরিষ্কার করা হয়েছে । কিন্তু তা করে এতো পানির চাপ সামাল দিতে অসম্ভব হয়ে পড়েছে।পানি নিস্কাশনের জন দুই  সাইডে দুটি বড় আকারের ড্রেন নির্মাণ করা ছাড়া কোন প্রকার বিকল্প নেই বলে জানান। তিনি আরো বলেন তার পরিষদের সল্প বরাদ্দ দিয়ে এতো বড় প্রকল্প হাতে নিতে পারছেন না। প্রকল্পটি হাতে নিতে পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং রাঙ্গামাটি জেলা উন্নয়ন বোর্ড হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করেন।

ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার  জানান, বর্ষার সাথে সাথে খাল নালা অপসারণসহ পানি নিষ্কাসনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ইউনিয়নের সকল চেয়ারম্যানদেরকে নির্দেশনা দেওয়া রয়েছে। পাড়ায় পাড়ায় মাইকিং করা হয়েছে, যাতে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আগে আশ্রয়কেন্দ্রে নিরাপদে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে।  নির্দেশনা অনুযায়ী স্থানীয় পানি নিষ্কাশনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে। অপর দিকে জনগণের নিরাপত্তার জন্য ৯টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। তিনি আরো বলেন বাঙ্গালহালিয়া ডাকবাংলা মধ্যম পাড়া যে বেশ কয়েকটি পরিবারের ঘরে পানি ঢুকে পরেছে সেটা আমি এই মাত্র শুনলাম। বিষয়টি কি করা যায় দেখছি। জানাযায় গত কয়েক বছর আগে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ঞোমং মারমা থাকা কালিন সময়ে উপজেলা এলজিইডির মাধ্যমে একবার দুই লক্ষ টাকা বরাদ্দ দিয়ে বেশ চওড়া করে ড্রেন কাঁটা হয়েছিল। সে সময় বর্ষা মৌসুমে কিছু স্বস্তি ফিরে পেছিল পাড়া বাসি এখন সে ড্রেন টি অনেক টা ভরা করে ফেলেছে বলে জানান গেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা