আমিনুল ইসলাম
নাইক্ষ্যংছড়ি (বান্দরবান) প্রতিনিধিঃ
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে
টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের প্রবল স্রোতে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে পাহাড় ধ্বসে অনেকর কাচা ঘর বাড়ি ভেংগে গেছে,অতি বৃষ্টির কারণে ঘর বন্দী সাধারণ মানুষ।,
স্তনীয সূত্রে
খোজ নিযে জানাজায় নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিযনের
বিভিন্ন ওযাড়ে পাহাড় ধ্বস, রহমত উল্লার বসত ঘর, শফি উল্লাহ ,১ নং ওযাড় আদর্শ গ্রাম,
মোহাম্মদ ইসমাইল ৫ নং ওযাড়
মোহাম্মদ আব্দুল ২ নং ওযাড় বিচামারা এলাকা,
নুরুল ইসলাম -৩ নং ওযাড় ফুইট্য ঝিরা
নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়ন এদের বসত ঘর
ক্ষতি গ্রস্ত হযেছে।
এছড়া
বাইশারী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের থুইলা অং পাড়ার একমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম গর্জন খালের ওপর নির্মিত সেতুটি ভেঙে খালের মধ্যে ধসে পড়েছে। এতে পাড়াটির সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং চরম দুর্ভোগে পড়েছেন শত শত মানুষ।
স্থানীয়রা জানান
বৃহস্পতিবার ভোররাত প্রায় ৪টার দিকে একটানা মুষলধারে বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট প্রবল পানির স্রোতে বিকট শব্দে সেতুটি ধসে যায়। শব্দ শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা ঘুম থেকে জেগে বাইরে এসে দেখেন, সেতুটি ভেঙে খালের মধ্যে পড়ে রয়েছে।
থুইলা অং পাড়ার বাসিন্দা ও স্কুলশিক্ষক মংচাচিং মার্মা জানান, ভোররাতে বিকট শব্দে তাদের ঘুম ভেঙে যায়। পরে বাইরে এসে তারা দেখতে পান, গর্জন খালের ওপর নির্মিত একমাত্র সেতুটি সম্পূর্ণ ভেঙে গেছে। ফলে পাড়ার মানুষের যাতায়াত বন্ধ হয়ে পড়েছে।এছাড়া
উপজেলা সদরেন সাথে সকল ইউনিয়নের যোগাযোগ ব্যাবস্তা চলমান আছে
সোনাইছড়ি, দৌছড়ি, ঘুমধুম ইউনিয়নে নিচু এলাকায় পানি কমলে ও টানা বৃষ্টি পাতে আবার পানি বাড়ার আশংকা করছে এলাকাবাসী। এদিকে
টানা বৃষ্টি তে উপজেলার প্রান্তিক কৃষকদের মৌসুমী ফলের ক্ষতি হচ্ছে বলে জানান এলাকার সাধারণ
কৃষকরা।
এসব বিষয় জানতে চাইলে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহি অফিসার প্রতিবদকে বলেন।
বাঘমারীতে ১ ব্রীজ ধ্বসে গেছে, শুনেছি
আমাদের প্রতিটি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান দের মাধ্যমে আম্রয কেন্দ্র সমুহ খোলা আছে। উপজেলা প্রমাসনেন তরফ থেকে গত কাল ৮ জুলাই বুধবার ঘুম ধুম ইউনিয়নে ৭৫ পরিবার কে
শুকনো খাবার পৌঁছে দিযেছি ৯ জুলাই বৃহস্পতিবার বাইশারীও সদর ইউনিয়নে ক্ষতি গ্রস্তদের তাৎক্ষণিক সহায়তা হিসাবে শুকান
খাবার বিতরণ অব্যহত আছে এবং বিভিন্ন ইউনিয়নে ঘর বাড়ি ক্ষতির তালিকা তৈরি করছি।
ইতি মধ্যে ক্ষতি গ্রস্তদের সহায়তার জন্য ১০ মেঃটন খাদ্য শষ্যা বরাদ্দ পাওয়া গেছে।