• শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০১:৩৪ পূর্বাহ্ন
Headline
ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সাঁকোতেই পারাপার,স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর দুর্যোগে ঘরবন্দি অসহায় মানুষের দুয়ারে দুয়ারে নেজাম উদ্দিন কোম্পানি, খাদ্য সহায়তায় স্বস্তি শতাধিক পরিবারের লামায় পাহাড়ে পানিবন্দি ৩০ হাজারও বেশি মানুষ, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন সাংসাদ লুৎফুর রহমান কাজলের নিদের্শনায়.. জালালাবাদের হিন্দুপাড়া ছাতিপাড়ায় বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ বাঙ্গালহালিয়াতে  বন্যা প্লাবিত এলাকার পানি নিস্কাশনের উদ্যোগ হাতে নিয়েছে  সেনাবাহিনী কাপ্তাই জোন। ঈদগাঁওতে পানিবন্দি মানুষের পাশে চেয়ারম্যান সোহেল জাহান চৌধুরী বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে টানা বর্ষণে ব্যাপক ক্ষয ক্ষতির আশংকা উপজেলায় ক্ষতিগ্রস্ত দের সহায়তায় ১০ মেঃটন খাদ্য শষ্য বরাদ্দ পাহাড়ে ধসে পড়ার আশঙ্কায় চাম্বি উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের চারতলা একাডেমিক ভবন লামায় পাহাড় ধসে শিশুসহ নিহত ৫, ইউপি সদস্যা আহত একরাতে ৩ বসতবাড়ি ডাকাতি, নগদ টাকা ও মালামাল লুট

লামায় পাহাড়ে পানিবন্দি ৩০ হাজারও বেশি মানুষ, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

Reporter Name / ৪৩ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬

মো. ইসমাইলুল করিম নিজস্ব প্রতিবেদক:
পার্বত্য জেলার বান্দরবানের লামা উপজেলার টানা পাঁচ-ছয় দিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। উপজেলার একটি পৌরসভা ও ০৭টি ইউনিয়ন জুড়ে দেখা দিয়েছে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়। বৃহস্পতিবার (০৯ জুলাই) সারাদিন সরেজমিনে ঘুরে দেখা-গেছে পাহাড়ধস, সড়ক তলিয়ে যাওয়া, সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতা, বসতবাড়ির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, বিদ্যুৎ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক বিভ্রাট এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্লাবিত হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক বাড়ছে। দেখা গেছে, লামা পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধসের ঘটনায় বেশ কয়েকটি বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মাতামুহুরী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে লামা-আলীকদম সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে: ফলে দুই উপজেলার বাসিন্দারা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। সকাল থেকে পাহাড়ি ঢলের পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে লামা বাজারের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানসহ বিস্তীর্ণ এলাকা তলিয়ে গেছে। এতে উপজেলার প্রায় ৩০ হাজারও বেশি মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন এবং দুর্গত এলাকায় খাদ্য ও পানির জন্য হাহাকার দেখা দিয়েছে।

ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের আড়াই মাইল থেকে বড়ছনখোলা ও কমিউনিটি সেন্টার বাজারে যাওয়ার একমাত্র কাঠের সেতুটি পাহাড়ি ঢলের পানিতে ভেঙে গেছে। এতে কয়েকটি গ্রামের মানুষের দৈনন্দিন চলাচল বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াতও কঠিন হয়ে পড়ছে।ফাইতং ইউনিয়নের কুইজ্জাখোলা পাড়ায় যাতায়াতের একমাত্র সড়ক ভারী বর্ষণের পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে স্থানীয় মানুষের চলাচল এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহনে চরম সমস্যা দেখা দিয়েছে। লামা সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হয়েছে। অনেক এলাকায় মানুষ সীমিতভাবে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছেন। রূপসীপাড়া ইউনিয়নের দুর্গম এলাকায় ভারী বর্ষণের কারণে পানি বেড়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া কয়েকটি স্থানে পাহাড়ধসের খবরও পাওয়া গেছে, যা স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে তুলেছে। গজালিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন নিচু এলাকায় পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় জনজীবন ব্যাহত হয়েছে। কিছু গ্রামীণ সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় স্থানীয়দের চলাচলে দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। পাহাড়ি এলাকায় বসবাসকারী পরিবারগুলো ভূমিধসের আশঙ্কায় আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। টানা বর্ষণ অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা দেখা গেছে।লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. মঈন উদ্দিন বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। চলমান দুর্যোগ পরিস্থিতিতে উপজেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার সদস্যরা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো পর্যবেক্ষণ করছেন এবং আশ্রয় কেন্দ্রে থাকা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজ-খবর নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা