• বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০২:২৩ অপরাহ্ন
Headline
লামায় উপজেলায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস পটিয়া খলিলুর রহমান স্কুলের প্রধান শিক্ষক শামসুল সিদ্দিক হাফেজ আহমদচৌধুরী স্কলারশিপ সন্মাননা স্মারক প্রদান পটিয়া দক্ষিণ ভুর্ষি ইউনিয়ন হাজী হাপেজ মীর আহমদ ফোরকানিয়া মাদ্রাসার উদ্যােগে ঈদে-এ মিলাদুন্নবী অনুষ্ঠিত ঈদগাঁওতে মতবিনিময় সভা ও হুইলচেয়ার-সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক পটিয়ায় শাহচাঁন্দ আউলিয়া কামিল মাদ্রাসায় জশ্নে জুলুছ পোকখালীতে মৌলানা রেজাউল করিমের মৃত্যু,সর্বমহলে শোকের ছায়া বিলাইছড়িতে আলিখিয়ং রেঞ্জ অফিসের উদ্যোগে চারা বিতরণ পটিয়া খলিলুর রহমান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভা পটিয়া সাতগাছিয়া দরবার শরীফে মহাসমারোহে জশনে জুলুসে ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) অনুষ্ঠিত পটিয়া সাতগাছিয়া দরবার শরীফে মহাসমারোহে জশনে জুলুসে ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) অনুষ্ঠিত

চরম ঝুঁকিতে স্থানীয়রা……  জালালাবাদ ছাতিপাড়া-হিন্দুপাড়া সড়কে স্থায়ী টেকসই বেড়ীবাঁধ নির্মাণের দাবী

Reporter Name / ৭৩ Time View
Update : শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬

এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও 

ঈদগাঁওর ফুলেশ্বরী নদীর ভাঙ্গন আতংকে চরম ঝুঁকিতে রয়েছেন জালালাবাদের ছাতি পাড়া ও হিন্দুপাড়া এলাকার লোকজনসহ বহু বসতঘর।

জানা যায়, ঈদগাঁও উপজেলার ফুলেশ্বরী নদীর সন্নিকটে অবস্থিত হিন্দুপাড়া ও ছাতিপাড়া গ্রাম। এ সড়ক দিয়ে স্থানীয় লোকজন ছাড়াও রাবার ড্র্যাম,পোকখালীসহ নানান এলাকার মানুষজন চলাফেরা করে থাকেন প্রতিনিয়ত। অসংখ্য পথচারী,কর্মজীবি,ছাত্র-ছাত্রী ও চাকরীজিবীদের চলাচলে মুখর থাকে সড়কটি। এটিই একসময়ে জনগুরুত্বপূর্ণ গ্রাম্য সড়ক ছিল। কাল বিবর্তনেই হারিয়ে যাচ্ছে পুরাতন সড়কটি। খালপাড় ভেঙে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল করতে পারছেন না সড়ক দিয়ে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সড়ক পরিদর্শনকালে নদীর তীরবর্তী ঝুঁকিপূর্ণের চিত্রটি চোখে পড়ে। ফুলে শ্বরী নদীর পাড় ভেঙে একেবারে সড়কের কাছা কাছিতে অবস্থান করছে। টানা বর্ষণে নদীর তীব্র পানির ধাক্কায় অপর অংশটি বারবার ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। এছাড়াও স্থানীয়দের মাঝে চরম ঝুঁকির পাশাপাশি নতুন করে প্লাবিত হওয়ার আশংকা কাটছেনা কোনভাবে।

স্থানীয়রা জানান, ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্ট এই সড়কটি। টানা বৃষ্টিপাতে নদীতে পানি পরিপূর্ণ। বৃষ্টি অব্যা হত থাকলে বিপদ সীমার উপর দিয়ে পানি চলা চলের শংকা কিন্তু কম নয়।  ফলে হিন্দুপাড়া, ছাতিপাড়া,বংকিম বাজার,ইদ্রিসপুর,মাইজ পাড়া সহ বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে যাবে। অতিদ্রুত ঝুঁকি এলাকায় টেকসই বেড়ীবাঁধ দিয়ে জীবন রক্ষার দাবী। 

স্থানীয় এমইউপি কামাল হোসেন জানান, সড়ক টি ১৫ ফিটের ছিল। ঈদগাঁওর ফুলেশ্বরী নদীর  পানির ধাক্কায় ভাঙ্গতে ভাঙ্গতে এখন সড়কটি ৪ ফিট মত রয়েছে। অত্যান্ত ঝুঁকিপূর্ণ স্থানটি। এই বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বার বার অবগত করা হয় ঝুঁকিস্থানে বেড়ীবাঁধের জন্য। অন্যথায় ভাঙ্গন পরবর্তী বিশাল এলাকা পানিতে তলিয়ে যাওয়ার কথাও জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা