• বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:২৪ পূর্বাহ্ন
Headline
সরকারের সু -দৃষ্টির কামনা করেছেন অসহায় পরিবার বাঙ্গালহালিয়াতে সাত মাসের শিশুকে বুকে নিয়ে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন টুম্পা দাশ,,,, টাকার জন্য থেমে গেছে চিকিৎসা। বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে খাল পূনঃ খনন কাজে ইউ, এন,ও এনামুল হাসান এর সততায় সাশ্রয় ১ কোটি ৩ লাখ ৮৩ টাকা বিলাইছড়ি উপজেলা প্রকৌশলীর দপ্তর কর্তৃক বৃক্ষরোপন কর্মসূচী চলমান ইসলামাবাদে ট্রাকের চাপায় শিক্ষার্থী নিহত, চালক আটক বিলাইছড়িতে সেচ্ছাসেবক দলের নিজ উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণ লামায় প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে বোনের বিয়ে, অভিমানে ভাইয়ের আত্মহত্যা বিলাইছড়িতে সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে কৃষক ও কমিউনিটি নেতাদের নিয়ে সমন্বয় সভা ইসলামাবাদে হাতির আক্রমণে আহত পরিবারের পাশে ঈআশিনি-২০২০ ফ্রেন্ডস সোসাইটি বিলাইছড়িতে কার্বারী সমিতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন ইউএনও মো.জাকির হোসেন ঈদগাঁও মাইজপাড়া খালের উপর অবৈধ স্থাপনা সরাতে ইউএনওর নির্দেশ

সরকারের সু -দৃষ্টির কামনা করেছেন অসহায় পরিবার বাঙ্গালহালিয়াতে সাত মাসের শিশুকে বুকে নিয়ে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন টুম্পা দাশ,,,, টাকার জন্য থেমে গেছে চিকিৎসা।

Reporter Name / ১৭ Time View
Update : বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬

হারাধন কর্মকার, রাজস্থলী।

মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য, একটু সহানুভূতি মানুষ কি পেতে পারে না,,মাত্র ২১ বছর বয়সী নারী করুন জীবন কাহিনী কথা বলছি। যে বয়সে স্বপ্ন দেখার কথা ছিল সুন্দর ভবিষ্যতের, পরিবারকে নিয়ে সুখের সংসার গড়ার। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে আজ কোমরে হিপ জয়েন্টের জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে অসহ্য যন্ত্রণায় দিন কাটছে রাঙামাটি জেলার রাজস্থলী উপজেলার ৩নং বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ম্রুংদ্রং পাড়ার বাসিন্দা টুম্পা দাশের। ২০২৫ সাল থেকে দুরারোগ্য এই ব্যাধিতে ভুগছেন তিনি। দিন যত যাচ্ছে, ততই অবনতি হচ্ছে তাঁর শারীরিক অবস্থার। বর্তমানে স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা করা তো দূরের কথা, নিজের দৈনন্দিন কাজও অন্যের সাহায্য ছাড়া করতে পারছেন না।এই অসহায় পরিস্থিতিকে আরও বেদনাদায়ক করে তুলেছে তাঁর মাত্র সাত মাস বয়সী কন্যাসন্তান। মাতৃত্বের সবচেয়ে সুন্দর সময়টি উপভোগ করার পরিবর্তে অসহ্য ব্যথা আর শারীরিক অক্ষমতার সঙ্গে লড়াই করছেন টুম্পা। নিজের সন্তানকে কোলে নেওয়া, আদর করা কিংবা ঠিকমতো যত্ন নেওয়ার মতো সাধারণ কাজও তাঁর কাছে আজ কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। একজন মায়ের এই অসহায়ত্ব পরিবার ও স্বজনদেরও গভীরভাবে কাঁদিয়ে তুলছে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, অসুস্থতার শুরুতে সাধারণ চিকিৎসা নেওয়া হলেও অবস্থার উন্নতি হয়নি। পরে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলে উন্নত চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসার ব্যয় বহন করার মতো সামর্থ্য পরিবারটির নেই। সীমিত আয়ের এই পরিবার ইতোমধ্যে চিকিৎসার পেছনে যা ছিল তা ব্যয় করেছে। এখন অর্থের অভাবে কার্যত চিকিৎসা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।
চিকিৎসকদের মতে, সময়মতো উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করা গেলে টুম্পা দাশ সুস্থ জীবনে ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু সেই সম্ভাবনা এখন নির্ভর করছে সমাজের মানবিক মানুষের সহায়তার উপর।
টুম্পা দাশ বলেন, আমি ২০২৫ সাল থেকে এই রোগে ভুগছি। প্রতিদিন অসহ্য ব্যথা নিয়ে দিন কাটাতে হচ্ছে। ঠিকভাবে হাঁটতে পারি না, নিজের কাজ নিজে করতে পারি না। সবচেয়ে বেশি কষ্ট লাগে আমার সাত মাসের ছোট মেয়েটার দিকে তাকালে। ওকে কোলে নিতে চাই, আদর করতে চাই, কিন্তু শরীর সায় দেয় না। একজন মা হয়ে নিজের সন্তানকে ঠিকভাবে যত্ন নিতে না পারার কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।”তিনি আরও বলেন, চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার কথা বলেছেন। কিন্তু আমাদের পরিবারের সেই সামর্থ্য নেই। তাই দেশ-বিদেশের সকল হৃদয়বান মানুষ, সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি ও মানবিক সংগঠনের কাছে আমার বিনীত আবেদন—আপনারা আমাকে একটু সাহায্য করুন। আমি সুস্থ হয়ে আমার ছোট্ট মেয়েটিকে নিয়ে স্বাভাবিক জীবন ফিরে পেতে চাই। সবার কাছে আমার জন্য দোয়া/আশীর্বাদ চাই।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, টুম্পা দাশ একজন সংগ্রামী তরুণী। অর্থের অভাবে তাঁর চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। তারা সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তি, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, দানশীল প্রতিষ্ঠান এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
একজন মায়ের সুস্থতা মানে শুধু একটি জীবনকে বাঁচানো নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে একটি নিষ্পাপ সাত মাসের শিশুর ভবিষ্যৎ। তাই টুম্পা দাশের চিকিৎসায় সমাজের সকলের মানবিক সহযোগিতা এখন সময়ের দাবি।
সহযোগিতার জন্য
নগদ: 01839797511
বিকাশ: 01606195733
রোগীর সঙ্গে যোগাযোগ: 01885838659

টুম্পা দাশের মুখে আবার হাসি ফিরিয়ে আনতে এবং সাত মাসের শিশুকন্যার ভবিষ্যৎ রক্ষা করতে এগিয়ে আসুন,আমরা সবাই যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিই। আপনার সামান্য অনুদানও হতে পারে একজন অসহায় মায়ের নতুন জীবনের আশার আলো। এদিকে তার স্বামীর বাড়ি চট্রগ্রাম জেলার রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নে। তার স্বামী ও পাইলস রোগের রুগী।বাবা বাঙ্গালহালিয়া বাজারে একটি কাপরের দোকানে সামনে বসে টেইলার্স এর কাজ করে। অসুস্থ টুম্পাকে সুস্থ করতে বর্তমান সরকারের সু দৃষ্টি কামনা করছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা