নিজস্ব প্রতিনিধি,ঈদগাঁও
মহাসড়ক পরবর্তী উপসড়ক খ্যাত চৌফলদন্ডী – খুরুস্কুল সড়কের যত্রতত্র পয়েন্টে খানাখন্দকে চেয়ে গেছে। যানবাহন চলাচলেই চরম দূর্ভোগ
পোহাচ্ছেন চালকরা।
জানা যায়, চৌফলদন্ডী-খুরুস্কুলের এ উপসড়ক দিয়ে দৈনিক অসংখ্য যানবাহন চলাফেরা করে থাকে। এই সড়কে খুরুস্কুল-কক্সবাজারের যান বাহন ছাড়াও পোকখালী,গোমাতলী,ইসলামপুর, ঈদগাঁও, জালালাবাদ এলাকার সিএনজি,টমটম ও চলাচল করে যাত্রী নিয়ে। এতে প্রায় দৈনিক ৫ সহস্রাধিকেরও বেশি লোকজন গুরুত্বপূর্ণ কাজে কর্মে কক্সবাজারে আসা যাওয়া করে থাকেন।
বুধবার (৮ এপ্লিল) বিকেলে কক্সবাজার থেকে চৌফলদন্ডী আসার পথে খুরুস্কুলের বঙ্গবন্ধু বাজারসহ সড়কের বিভিন্ন পয়েন্ট গর্তের দৃশ্য চোখে পড়ে। টানা বৃষ্টিপাতের পানি জমে খানা খন্দক কিংবা গর্ত দেখা না যাওয়ায় এই সড়কে সিনএজি টমটমসহ অপরাপর যানবাহন চলা চলে প্রতিনিয়ত চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। গর্তে দূঘটনায় আশংকা প্রকাশ করেছেন যাত্রী সমাজ।
সড়কে চলাচলরত সিএনজি চালক হতাশ কন্ঠে জানান, আমরা দৈনিক ২/৩ বার করেই চৌফল দন্ডী-খুরুস্কুল ও কক্সবাজার সড়কে যাত্রী নিয়ে আসা যাওয়া করে থাকি। সড়কের নানান স্থানে ছোট বড় গর্তের কারনে যানবাহন চালানো কষ্ট কর হয়ে পড়ে। দীর্ঘদিন দেখার কেউ না থাকায় হতাশ হয়ে পড়েন তিনি।
সিএনজি যাত্রী আজিম,শুক্কুরসহ কজন জানান,
সড়কটি বতমান চলাচল অযোগ্য হয়ে পড়েছে। বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দকে পড়ে যেকোন মুহুর্তে দূঘটনায় আশংকা কিন্তু কম নয়। দ্রুত যত্রতত্রে স্থানে খানাখন্দক সমুহ সংস্কারের দাবী।
চৌফলদন্ডীর সিএনজি স্টেশনের লাইনম্যান জানান,চৌফলদন্ডী-খুরুস্কুল সড়ক দিয়ে প্রায় শতাধিক সিএনজি চলাচল করেন যাত্রী নিয়েই।
রাস্তার পাড়া থেকেই বঙ্গবন্ধু বাজার পযন্ত সড়ক টি খারাপ হয়ে গেছে। সিএনজিসহ অন্যন্য যান বাহন চলাফেরায় বেকায়দায় পড়েছেন।
সচেতন মহল জানান,মহাসড়ক পরবর্তী এই উপ সড়কটির যাত্রী ও যানবাহন চলাচলের সুবিধার্থে চৌফলদন্ডী-খুরুস্কুল সড়কে খানাখন্দক পয়েন্ট টি সংস্কার করে যাত্রীদের নিরাপদে চলাফেরার পরিবেশ সৃষ্টির দাবী সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের নিকট।