• শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০১:৩০ পূর্বাহ্ন
Headline
ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সাঁকোতেই পারাপার,স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর দুর্যোগে ঘরবন্দি অসহায় মানুষের দুয়ারে দুয়ারে নেজাম উদ্দিন কোম্পানি, খাদ্য সহায়তায় স্বস্তি শতাধিক পরিবারের লামায় পাহাড়ে পানিবন্দি ৩০ হাজারও বেশি মানুষ, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন সাংসাদ লুৎফুর রহমান কাজলের নিদের্শনায়.. জালালাবাদের হিন্দুপাড়া ছাতিপাড়ায় বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ বাঙ্গালহালিয়াতে  বন্যা প্লাবিত এলাকার পানি নিস্কাশনের উদ্যোগ হাতে নিয়েছে  সেনাবাহিনী কাপ্তাই জোন। ঈদগাঁওতে পানিবন্দি মানুষের পাশে চেয়ারম্যান সোহেল জাহান চৌধুরী বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে টানা বর্ষণে ব্যাপক ক্ষয ক্ষতির আশংকা উপজেলায় ক্ষতিগ্রস্ত দের সহায়তায় ১০ মেঃটন খাদ্য শষ্য বরাদ্দ পাহাড়ে ধসে পড়ার আশঙ্কায় চাম্বি উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের চারতলা একাডেমিক ভবন লামায় পাহাড় ধসে শিশুসহ নিহত ৫, ইউপি সদস্যা আহত একরাতে ৩ বসতবাড়ি ডাকাতি, নগদ টাকা ও মালামাল লুট

একরাতে ৩ বসতবাড়ি ডাকাতি, নগদ টাকা ও মালামাল লুট

Reporter Name / ৪৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬

মো. ইসমাইলুল করিম নিজস্ব প্রতিবেদক:
পার্বত্য জেলার বান্দরবানের লামায় উপজেলায় একরাতে তিন বসতঘরে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি এলাকার হিমছড়িপাড়ায় এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। বুধবার (০৮জুলাই) রাত দুইটার দিকে ডাকাতরা ওই তিন বসতঘরে হানা দিয়ে নগদ লক্ষাধিক টাকা, মোবাইল ফোন ও নতুন কাপড়চোপড় লুটে নেয়। শুধু তাই নয়, ডাকাতি শেষে ঘরে রক্ষিত রান্না করা ভাত-তরকারিও খেয়ে নির্বিঘে চলে যায় ডাকাতরা।স্থানীয় গরু ব্যবসায়ী আহমদ হোসেন, ছৈয়দ আমিন ও গুরা পুতুর বসতঘরে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ডাকাত আতংক বিরাজ করছে।

স্থানীয় ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, রাতে পাহাড়ি এলাকা থেকে ১০ থেকে ১১ জনের একটি মুখোশ পরা সশস্ত্র ডাকাত দল হিমছড়ি পাড়ায় হানা দেয়। তারা প্রথমে ছৈয়দ আমিনের বাড়িতে প্রবেশ করে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। পরে ঘরে থাকা রান্না করা ভাত-তরকারি খেয়ে সেখান থেকে বের হয়ে যায়। এরপর ডাকাতরা গুরা পুতুর বাড়িতে ঢুকে নগদ ৮ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন লুট করে। সেখানেও তারা রান্না করা খাবার খেয়ে নেয়। সবশেষে স্থানীয় গরু ব্যবসায়ী আহমদ হোসেনের বাড়িতে চড়াও হয়। এ পরিবারের পাঁচ সদস্যকে ডাকাতরা অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে একটি কক্ষে হাত বেঁধে আটকে রাখে। পরে ঘরে থাকা নগদ লক্ষাধিক টাকা, নতুন কাপড় চোপড়সহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়।

ভুক্তভোগী গৃহকর্তা আহমদ হোসেন বলেন, ডাকাতরা প্রথমে ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। তারা আমাকে বুকে লাথি মারে এবং লাঠি দিয়ে আঘাত করে। আমার স্ত্রীকে ধারালো দা দিয়ে মাথায় আঘাত করে আমার ছেলেকে চড়-থাপ্পড় মেরে নির্যাতন শুরু করলে জীবন বাঁচাতে ঘরে থাকা সব টাকা-পয়সা তাদের হাতে তুলে দিয়।এর আগে একই ইউনিয়নে স্থানীয় সাংবাদিক কায়ছার হামিদ ও ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীরের বাসভবনেও ডাকাতির ঘটনা ঘটে। একের পর এক এমন ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আজিজ নগর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোবারক হোসেন বলেন, বসতঘরে একের পর এক ডাকাতির সংঘটিত হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে। ডাকাতির ঘটনা রোধে পুলিশ বাহিনীকে আরও ততপর হতে হবে। এ বিষয়ে আজিজনগর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আমিনুর রহিম মুঠোফোনে প্রতিবেদক’কে বলেন, আমি বর্তমানে পারিবারিক কারণে ছুটিতে রয়েছি। আমার বাবা গুরুতর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তবে ঘটনাটি জানার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ ফোর্স পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা