সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,
রাঙ্গামাটি জেলা প্রতিনিধি:-দীর্ঘদিন রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, কার্বারী পদে আসীন হওয়ার পর দ্রুত সময়ে কার্বারী সমিতির সভাপতি, তৃণমুল পর্যায়ে সুসংগতি অবস্থানের কারণে জেলা পরিষদ সদস্য পদে আলোচনায় কেন্দ্র বিন্দুতে রয়েছেন বলে জনগণের কাছ থেকে শোনা যাচ্ছে। নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক অনেকে বলছেন তরুণ এই রাজনীতি বিদ দায়িত্ব পেলে এলাকায় উন্নয়নের গতি আনবে এবং উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখবে। আবার অনেকে বলছেন সরকার কি বিলাইছড়ি উপজেলা হতে জেলা পরিষদ সদস্য দিবে কিনা সেই আশাও ছেড়ে দিয়েছেন। অনেকে বলছেন এই উপজেলা হতে চাকমা সম্প্রদায় হতে দিবে না, দিবে অন্য সম্প্রদায় হতে। আবার কেউ কেউ বলছেন যোগ্য হলে কেন দিবে না। দুইজন পর্যন্ত দিবে। আবার অনেকে বলছেন এই উপজেলায় প্রার্থী বেশি। কাকে রেখে কাকে দিবে। কে হবে না হবে বলা কঠিন। সবাইতো যোগ্য।
এই বিষয়ে মানোন্নয়ন প্রার্থী জয়সিন্ধু চাকমার সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, রাজনীতি ক্যারিয়ারে দীর্ঘ প্রায় ২৫ বছর ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপিতে ছিলাম। ১৯৯৯ হতে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ছিলাম। ২০০৭ হতে ২০১৩ পর্যন্ত তৃণমূল দলের সভাপতি। ২০১৩ হতে ২০১৮ পর্যন্ত উপজেলা বিএনপির উপজাতীয় বিষয়ক সম্পাদক। ২০১৮ হতে অদ্যবধি পর্যন্ত উপজেলা বিএনপির যুগ্ন সম্পাদক হিসেবে রয়েছি। দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে ফ্যাসীস্ট সরকারের অত্যাচারে স্বীকার হওয়ার পরও দলে থেকেই দলকে টিকিয়ে রাখার ভূমিকা রেখেছি, যা অন্য কোনো সক্রিয় সদস্যর চেয়েও কোনো অংশেই কম নয়। বর্তমানে সুসংগত পরিস্থিতি কারণে গণতন্ত্র ফিরে এসে সারা দেশের ন্যায় গত ১২ ই ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জয়লাভ করে।
তিনি আরো বলেন বাকী রয়েছে সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা এবং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। এতে রাজনীতির সুক্ষ্ম চিন্তা ও গণতন্ত্র ফিরে পেতে এবং সুষম উন্নয়ন তরান্বিত করতে প্রয়োজন সঠিক চিন্তাধারা। এছাড়াও সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন যোগ্য ও বলিষ্ঠ নেতৃত্ব। এজন্য আমার মতো অনেকে প্রার্থী হয়েছেন এবং হবেন। অনেক বছর আগে বিলাইছড়ি উপজেলা হতে চাকমা সম্প্রদায়ের সদস্য পদে মাত্র একজনকে দেওয়া হয়েছিল। সেই হইতে বর্তমান পর্যন্ত চাকমা সম্প্রদায় হতে দেওয়া হয়নি। তাই এবারে এই পদটি আমি জোর দাবি জানাচ্ছি সংশিষ্ট সকলের কাছে। যদি যোগ্য মনে করেন। পদে একবার সুযোগ দিলে শিক্ষা, যোগাযোগ, মোবাইল নেটওয়ার্ক, পর্যটন, কৃষি এবং প্রান্তিক জনগণের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
এই বিষয়ে ১২২ নং কুতুব দিয়া মৌজার হেডম্যান সাধন বিকাশ চাকমা জানান,জয়সিন্ধু চাকমা কার্বারী হওয়ার পর হতে সমাজে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তাছাড়া উপজেলা কার্বারী সমিতির সভাপতি এটাও একটা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। পুরো উপজেলায়।এছাড়াও একজন রাজনৈতিক ব্যক্তি। আমি জয়সিন্ধু চাকমাকে জেলা পরিষদ সদস্য দায়িত্ব দেওয়া জন্য পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী এ্যাড.দীপেন দেওয়ান মহোদয়ের সুদৃষ্টি কামনা করছি। ওনি হলে এলাকার সুষম উন্নয়ন করতে পারবেন। এছাড়াও সিএইচটি হেডম্যান নেটওয়ার্ক এর সভাপতি শান্তি বিজয় চাকমা জানান, বিলাইছড়ি উপজেলার জেলা পরিষদ সদস্য পদটি যদিওবা অন্য সম্প্রদায়ের। তরপরে চাকমা সম্প্রদায় থেকে একটি পদ কভার হয় তাহলে ব্যক্তি হিসেবে জয়সিন্ধু খারাপ নয়।
All rights reserved © 2020 paharechok.com||
এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি