Logo
শিরোনাম
পটিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে সিএনজি সমবায় সমিতির লাইনম্যান নির্বাচন সম্পন্ন নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারীতে এক ব্যেক্তির মরদেহ উদ্ধার ঈদগাঁও-চৌফলদন্ডী সড়কে দূর্ঘটনায় আহত ২  স্বস্তির বৃষ্টি, বিভিন্ন সড়কে জলাবদ্ধতা,ভোগান্তিতে ঈদগাঁও বাজারবাসী পোকখালীতে বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পের টাওয়ারে চুরি, অবকাঠামো ধ্বংস ঈদগাঁও স্টেশনে সওজের জায়গা দখল করে সিড়ি নির্মাণ, নানান শ্রশ্নের সৃষ্টি ঈদগাঁও উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল সম্পন্ন চৌফলদন্ডী ব্রীজে বজ্রপাতে জালালাবাদে লবন চাষীর মৃত্যু ঈদগাঁওতে বৃদ্ধের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ ঈদগাঁওতে ভ্যালিডেশন ট্রায়াল (বোরো) ফিল্ড টেকনোলজি ওরিয়েন্টেশন কর্মসুচী সম্পন্ন

বান্দরবানে তামাকের বদলে আখ চাষে ঝুঁকছেন চাষীরা

রিমন পালিত: নিজস্ব প্রতিবেদক: বান্দরবানে বির্স্তীণ আবাদী জমিতে এক সময় চাষ হতো ক্ষতিকর তামাকের। এতে স্বাস্থ্যের পাশাপাশি আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তো চাষিরা। তবে বাংলাদেশ সুগার ক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহায়তায় এখন এসব জমিতে তামাকের বদলে চাষ হচ্ছে আখের। বিনামূল্যে বীজ, সার ও কীটনাশক পাওয়ার পাশাপাশি রোগবালাই কম হওয়ায় আখ চাষের প্রতি ঝুঁকছেন চাষীরা।

বান্দরবানের বিস্তীর্ণ পাহাড়ী এলাকায় এক সময় চাষ হতো তামাকের। তবে এখন বদলেছে দৃশ্যপট। আবাদ হচ্ছে আখের। জেলার হানসামাপাড়া, বাঘমারা, জামছড়ি, বালাঘাটাসহ বিভিন্ন এলাকার জমিতে চাষ হচ্ছে সিও ২০৮, রংবিলাস ৪২, বিএসআরআই, অমৃতসহ নানা জাতের আখ। রোগ বালাই কম ও এ অঞ্চলের আবহাওয়া অনুকূল হওয়ায় ফলনও হচ্ছে ভাল।

২০০৬ সাল থেকে এ অঞ্চলে তামাকের বিকল্প হিসেবে আখ চাষ বাড়ানোর কাজ শুরু বাংলাদেশ সুগার রিসার্চ ইনষ্টিটিউট। প্রতিবছর বিনামূল্যে বিতরণ করে বীজ, সার, কীটনাশকসহ নানা কৃষি সরঞ্জাম। দেয়া হয় প্রশিক্ষণ। উৎপাদিত এ ফসল থেকে গুড় তৈরি করে বাড়ানো হচ্ছে আয়ের খাত।

ইনস্টিটিউটের তথ্য মতে, সাড়ে তিনশো থেকে চারশো তামাক চাষী উদ্ধুদ্ধ হয়েছে আখ চাষে। ফলে ২০১৮ সালে ৫৭০ হেক্টর জমিতে ৮৩ হাজার ৬শ ২২ মেট্রিক টন আখ উৎপাদন হয়। গেলো বছর ৬৩০ হেক্টর জমিতে উৎপাদন হয় ৮৭ হাজার মেট্রিক টন।

রোয়াংছড়ি উপজেলার আখ চাষী মংশাই মারমার সাথে কথা বলল তিনি জানান ,আমি প্রতি বছর এক বিঘা জমিতে এই আখ চাষ করি এবং প্রচুর লাভবান হয় বর্তমানে আমাকে দেখে আরো অনেকে এই আখ চাষে উদ্বুদ্ধ হয়েছে । ভবিষ্যতে আরো ভালো মানের আখ চাষ করে সকলেই স্বাবলম্বী হতে পারব এটা আশা করছি।

বান্দরবানে সাতটি উপজেলায় গুড়ের চাহিদা ৩২ মেট্রিক টন। কিন্তু বর্তমানে উৎপাদন হয় মাত্র ৭ থেকে ৮ মেট্রিক টন। ফলে আখ চাষে বিপুল সম্ভাবনার কথা জানান এই গবেষক।

 

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


error: Content is protected !!