Logo
শিরোনাম
হারবাংয়ে ৩০শতক বনভূমি দখলমুক্ত, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ বিলাইছড়িতে এসএসসি পরীক্ষায় ৩০৮ পরীক্ষার্থীর মধ্যে  অনুপস্থিত  ৬ ঈদগাঁওতে ৩ কেন্দ্রে এসএসসিও দাখিল পরীক্ষা শুরু বিএনপির সভাপতি এমএ সালাম ফকিরকে দেখতে হাসপাতালে VL পাংখোয়া গ্যাসের দাম বৃদ্ধিতে ঈদগাঁও-ঈদগড়-বাইশারী সড়কে সিএনজি ভাড়া বৃদ্ধি পোকখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে জেন্ডার ও সুশাসন বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে আলোচনা ঈদগাঁওর কালিরছড়া খালে পড়ে যুবকের মৃত্যু  রামুর গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে বিদায় সংবর্ধনায় কৃতি শিক্ষার্থীদের জন্য নগদ বৃত্তির ঘোষণা নাইক্ষ্যংছড়ির সোনাইছড়িতে  বর্ণাঢ্য আয়োজনে সাংগ্রাইয়ের জলকেলি উৎসব উৎযাপিত নাইক্ষ্যংছড়ির সোনাইছড়িতে  বর্ণাঢ্য আয়োজনে সাংগ্রাইয়ের জলকেলি উৎসব উৎযাপিত

ধামরাইয়ে অবৈধভাবে সেচ পাম দিয়ে মাছ ভাসিয়ে দেওয়ার অভিযোগে ফ্রেন্ডশিপ মৎস্য খামার প্রকল্পের সদস্যদের সংবাদ সম্মেলন

ঢাকা জেলা প্রতিনিধি-ঢাকার ধামরাইয়ে পল্লী বিদ্যুৎতের যোগসাজশে ২৬বছর ধরে কুশুরা ইউনিয়নের পাড়াগ্রাম এলাকায় সেচ প্রকল্প (ডিপ-টিউবয়েল)থেকে পানি নিয়ে মাছের ঘের করে লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে একটি মহল। এতে লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।এমন ঘটনাটি ঘটেছে ধামরাই উপজেলার কুশুরা ইউনিয়নের পাড়াগ্রার এলাকায়।

স্থানীয় সুত্রে জানাযায়,পাড়াগ্রাম এলাকায় গত ৩১বছর আগে মৎস্য প্রকল্প নামে গ্রাম উন্নয়নের জন্য একটি সমবায় সমিতি গঠন করেন এলাকাবাসি। সেই থেকে চলে আসছে মৎস প্রকল্প। আর এই মৎস্য প্রকল্প পরিচালনা করার জন্য গ্রামের লোকজন দিয়ে তৈরি হয় কমিটি। সেই কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মিলে মৎস প্রকল্প পরিচালনা করেন। তারা পল্লী বিদ্যুৎতের লোকজনের সাথে যোগসাজশে প্রায় ২৬ বছর ধরে অবৈধ ভাবে সেচ প্রকল্প(ডিব-টিউবয়েল) থেকে পানি নিয়ে মাছের ঘের করে। এতে দেখা গেছে প্রতি বছর প্রায় কয়েক লক্ষ টাকার রাজস্ব হারিয়েছে সরকার। এখানে বলা হয়েছে কৃষি সেচ প্রকল্পে বিদ্যুৎতের(৪টাকা ইউনিট) বিল কম। আর শিল্প মিটারের( ১৬টাকা ইউনিট) বিদ্যুৎতের বিল বেশি হওয়ায় সেই কারণে মাছের ঘের পরিচালনা কমিটি শিল্প মিটার না নিয়ে সেচ প্রকল্প (ডিপ-টিউবয়েল যাহার মিটার নং ১৩৬০)থেকে পানি নিয়ে মাছের ঘের করেন। পল্লী বিদ্যুৎতের নিয়ম অনুযায়ী সেচ প্রকল্প থেকে মাছের ঘেরে পানি দেওয়া যাবে না। সেখানে গত ২৬ বছর ধরে তারা বিদ্যুৎতের বিল ফাঁকি দিয়ে মাছের ঘেরে পানি সরবরাহ করছে। এতে সরকার প্রায় ১কোটি টাকার রাজস্ব হারিয়েছে।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে মৎস্য প্রকল্প কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাকির হোসেন বলেন, আমাদের মাছের ঘেরে পানি শুকিয়ে গেলে তখন ডিপ-টিঁউবয়েল থেকে পানি নিয়ে দেওয়া হয়। তবে এই বিষয়ে আমাদের কোন অনুমতি নেই। আমরা বিদ্যুৎতের বিল যা আসে তা আমরা পরিশোধ করে দেয়। এই বিষয়ে পল্লী বিদ্যুৎ অফিস আমাদের কোন কিছু বলে নাই।
এই বিষয়ে কুশুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জোনাল অফিসের ডি,জি,এম মোঃ বেলায়েত হোসেন জানান, সেচ প্রকল্প থেকে মাছের ঘেরে পানি দেওয়া যাবে না। তবে আমি এই বিষয়টি জেনেছি ঐ সেচ প্রকল্পের ফাইলে দেখা যায় ২০০৯সালে সেচ প্রকল্প বিদ্যুৎতের সংযোগ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এলাকার লোকজন বলছে ২৬বছর ধরে সেচ প্রকল্প থেকে পানি নিয়ে মাছের ঘেরে ব্যবহার করছে। যেহেতু কৃষি সেচ প্রকল্পে বিদ্যুৎতের বিল কম। তবে কৃষি সেচ প্রকল্প থেকে অন্য কোন কাজে ব্যবহার করা যাবে না। আমি সেখানে লোক পাঠিয়েছি। তদন্ত করে ঘটনা সত্য হলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে অবৈধভাবে সেচ পাম দিয়ে খামারের মাছ ভাসিয়ে দেওয়ার অভিযোগে ধামরাই উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন ফ্রেন্ডশিপ মৎস্য খামার প্রকল্পের সদস্য সচিব আব্দুল রহিম সহ আরও অনেকে।
এ’সময় সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ধামরাই উপজেলা প্রশাসনের নিকট এ’বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা গ্রহণের দাবি রাখেন ফ্রেন্ডশিপ মৎস্যখামার প্রকল্পের সদস্য সচিব আব্দুল রহিম।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


error: Content is protected !!