Logo
শিরোনাম
নাইক্ষ্যংছড়িতে-১১ বিজিবির অভিযানে বার্মিজ গরুসহ বিভিন্ন  মালামাল জব্দ ইসলামপুরে সেলিম বাবুর হত্যাকারীদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা  বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে  শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২৯ এপ্রিল নিহতদের স্মরণে গোমাতলীতে দোয়া ও স্মরন সভা সম্পন্ন পটিয়ায় গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতির সায়েন্টিফিক সেমিনার অনুষ্ঠিত ঈদগাঁওতে চলতি মৌসুমেই বোরোধান চাষীরা চরম বিপাকে পটিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে সিএনজি সমবায় সমিতির লাইনম্যান নির্বাচন সম্পন্ন নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারীতে এক ব্যেক্তির মরদেহ উদ্ধার ঈদগাঁও-চৌফলদন্ডী সড়কে দূর্ঘটনায় আহত ২ 

চকরিয়ায় মহাসড়ক ঘেঁষে অবৈধ বালুর স্তূপ: দুর্ঘটনা ঝুঁকি উপেক্ষিত, প্রশাসন নিরব

মো. কামাল উদ্দিন, নিজস্ব প্রতিবেদক:

চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়া অংশজুড়ে সড়কের দুই পাশে অবৈধভাবে বালুর স্তূপ রেখে ব্যবসা করছে প্রভাবশালী মহল। এতে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি যেকোনো সময় ঘটতে পারে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। প্রতিদিন হাজারো যানবাহন চলাচল করা এ ব্যস্ততম মহাসড়কে জনজীবন এখন ঝুঁকির মুখে, অথচ প্রশাসন রয়েছে নীরব দর্শকের ভূমিকায়। মহাসড়ক দিয়ে প্রতিনিয়ত স্কুল–কলেজগামী শিক্ষার্থী ও সাধারণ পথচারীরা চলাচল করে। বালুর স্তূপ যথাযথভাবে সংরক্ষণ না করায় বাতাসে উড়ে এসব বালু পথচারীর চোখ-মুখে লাগে। এতে একদিকে স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে চালকরা হঠাৎ দৃশ্যমানতা হারিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হওয়ার আশঙ্কা করছেন। গত রোববার (২৪ আগষ্ট) বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, মহাসড়কের উভয় পাশে স্তূপ করে রাখা হয়েছে বিপুল পরিমাণ বালু। উপজেলার হারবাং, ফাঁসিয়াখালী, খুটাখালী, ডুলাহাজারা এলাকায় অন্তত শতাধিক স্থানে এভাবে বালুর স্তুপ দেখা গেছে। স্থানীয়রা জানান, প্রভাবশালী হওয়ায় এসব ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পান না। নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) চকরিয়া উপজেলার এক নেতা বলেন, “চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ক সরু ও বাঁক বেশি হওয়ায় প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে। তার ওপর সড়কের পাশে বালুর স্তূপ রাখা মোটেও কাম্য নয়।” একাধিক স্কুল ও কলেজ শিক্ষার্থী জানান, “প্রতিদিন ক্লাসে যাওয়া আসার সময় চোখে মুখে বালু ঢুকে যায়। আমরা আতঙ্ক নিয়ে চলাচল করি।” এ বিষয়ে চকরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুপায়ন দেব বলেন, সড়কের পাশে বালু রাখা অবৈধ। তবে সড়ক ও জনপদ বিভাগের আওতাধীন হওয়ায় তারা সহযোগিতা চাইলে প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে। অন্যদিকে কক্সবাজার সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রোকন উদ্দিন খালেদ চৌধুরী জানান, বালু ব্যবসায়ীদের মৌখিক ও লিখিতভাবে সতর্ক করা হলেও তারা সরে যাচ্ছে না। শীঘ্রই উচ্ছেদে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের আন্তরিকতা না থাকায় দিন দিন বাড়ছে অবৈধ বালু ব্যবসার দৌরাত্ম্য। তারা আশঙ্কা করছেন, যে কোনো মুহূর্তে ঘটতে পারে বড় ধরনের প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


error: Content is protected !!