Logo
শিরোনাম
পটিয়ায় গনসংযোগকালে পেয়ারু: ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য মোমবাতিতে ভোট দিন।  রাঙ্গামাটির জুরাছড়িতে দায়িত্ব পালনের সময় আনসার সদস্যের মৃত্যু উপজেলায় পাঠানো হয়েছে নির্বাচনের সরঞ্জাম ৪৫৮টি গ্রামের ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আসতে হবে একদিন আগে নাইক্ষ্যংছড়িতে শাপলা কলি তথা ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনী পথসভা ও গণমিছিল বিলাইছড়িতে দুর্গম বড়থলির একটি কেন্দ্রে নির্বাচনী সরঞ্জাম পৌঁছালো  হেলিকপ্টার যোগে চকরিয়ায় সরকারি টোল পয়েন্ট দখল করে নদীতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ সন্রাসী চাঁদাবাজি মাদক মুক্ত আধুনিক পটিয়া গড়ে তুলতে মোমবাতি প্রতিকে ভোট দিন- সৈয়দ এয়ার মুহাম্মদ পেয়ারু পটিয়ায় ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করে ওলামা দলের ব্যাপক প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ রাজস্থলী ও বাঙ্গালহালিয়াতে ধানের শীষের নির্বাচনী জনসভায় এ্যাড ঃ দীপেন দেওয়ান,,, ধানের শীষ জনগণের অধিকার, ন্যায়ের রাজনীতি ও উন্নয়নের প্রতীক।” চকরিয়ায় নিঃসন্তান বৃদ্ধের শেষ সম্বল দুই গরু চুরি… এক চোখ হারানো নাতনীর চিকিৎসার স্বপ্ন ভেঙে কান্নায় নিঃস্ব দম্পতি

উপজেলায় পাঠানো হয়েছে নির্বাচনের সরঞ্জাম ৪৫৮টি গ্রামের ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আসতে হবে একদিন আগে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ ও গণভোট ভোট গ্রহণ উপলক্ষে পার্বত্য জেলার বান্দরবানের ৭টি উপজেলায় নির্বাচনী সরঞ্জাম বিতরণ করা হয়েছে। তবে ভোটকেন্দ্র থেকে ৩০ কিলো মিটার দূরবর্তী গ্রাম রয়েছে ৪৫৮টি। এসব গ্রামের ভোটারদের দুর্গম পাহাড়ি পথ পাড়ি দিয়ে একদিন আগেই ভোটকেন্দ্রে পৌঁছতে হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।জেলা নির্বাচন তথ্যমতে, বান্দরবান আসনের মোট ভোটকেন্দ্র রয়েছে ১৮৬টি। হেলিসর্টি ভোটকেন্দ্র ১১টি ও দুর্গম যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন কেন্দ্র রয়েছে ১৫৮টি। এরমধ্যে প্রতিটি কেন্দ্রে ব্যালট বাক্স পাঠিয়েছে ১১০১টি। জেলাতে ৩ লাখ ১৫ হাজার ৪৪২ জন ভোটারে মধ্যে ব্যালট ও গণভোট পেপারে ভোট দিবে ৩ লাখ ১০ হাজার ৭২৯ জন ও প্রবাসী ও সরকারী কর্মকর্তারা পোষ্টালের ভোট দিবে ৪ হাজার ৬৯৩ জন।জেলা নির্বাচন আরও জানিয়েছে, ১৮৬ ভোটকেন্দ্রে ১৮৬ জন প্রিজাইডিং অফিসার, পোষ্টাল প্রিজাইডিং অফিসার ১৮৭জন সহকারী প্রিজাইডিং ৭২৯ জন ও প্রতিকক্ষে পোলিং অফিসার নিয়োজিত থাকবে ১হাজার ৪৫৮ জন। শনিবার সকালে (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে বান্দরবানের রিটার্নিং কর্মকর্তার ও নির্বাচন কার্যালয় থেকে গাড়িযোগে এসব সরঞ্জাম বিতরণ করা হয়। বিতরণকৃত সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে ব্যালেট বক্স, বিভিন্ন ফর্ম, অমোচনীয় কালি, স্টাম্প প্যাড, সিলসহ নির্বাচনে ব্যবহৃত সরঞ্জাম।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ৩৪টি ইউনিয়নের মধ্যে ২৫টির ইউনিয়নে সর্বোচ্চ ২৫ কিলোমিটার দূরে প্রত্যান্ত দুর্গম গ্রাম রয়েছে ৪শত ৫৮টি। ভোটকেন্দ্র থেকে যাতায়াত ও যোগাযোগের বিচ্ছিন্ন। ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে আসা-যাওয়া পায়ের হাঁটা ছাড়া কোন বিকল্প নাই। এসব দুর্গমতা ভোটাররা একদিন আগে কিংবা ৭-৯ ঘন্টা এসে কেন্দ্রে পৌছাতে হয়। তবে ভোট দিতে আসবে কি-না সে বিষয়েও এখনো ধোয়াশা রয়েছে।বান্দরবানের সবচেয়ে দুর্গমতার মধ্যে থানচি রেমাক্রী ইউনিয়নের বড় মদক কেন্দ্র। রিজার্ভ থেকে শুরু করে ২৫ কিলোমিটার দূরে ১৫টি গ্রাম রয়েছে। তিন্দুতে ঝিনাকেন্দ্রে ১৪টি গ্রাম রয়েছে ৭ কিলোমিটার দূরে, বলিবাজারে ১২টি গ্রাম রয়েছে ১৮ কিলোমিটার দূরে। রুমাতে রেমাক্রী প্রাংসা ইউনিয়নের রুংকিয়া পাড়া কেন্দ্রে ৮ কিলোমিটার দূরে ৭টি গ্রাম, পাইন্দুতে আরথা কেন্দ্রে ৪টি গ্রাম রয়েছে ১২ কিলোমিটার দূরে। রুমা সদরে পলিকা ও সাইকট কেন্দ্রে ২০ কিলোমিটার দূরে ৩০টি গ্রাম, রোয়াংছড়ি সদরে ৯ কিলোমিটার দূরে রয়েছে ৫টি গ্রাম। লামা সরইতে লেমুপালং কেন্দ্রে ২০ কিলোমিটার দূরে ২০টি গ্রাম, গজলিয়াতে জিন্দাবর কেন্দ্রে ২০ কিলোমিটার দূরে ১০টি গ্রাম, রুপসীতে বরকনা ঝিড়ি কেন্দ্রে ২৫ কিলোমিটার দূরে ২৫টি গ্রাম রয়েছে। আলীকদমে কুরুকপাতাতে বিদ্যামনী কেন্দ্রে ৫-৯ কিলোমিটার দূরে ২৫টি গ্রাম, ৫-১০ কিলোমিটার দূরে ১৫টি, সদর ইউপিতে রেংপু কেন্দ্রে ২০ কিলোমিটার দূরে ১২টি রয়েছে। এছাড়াও কোথাও চার- ৮ কিলোমিটার দূরে শতাধিক গ্রাম রয়েছে। সেসব গ্রামে যেতে একমাত্র ভরসাস্থল পেয়ের হাঁটা।২৫টি ইউনিয়নের ইউপি জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছে, ভোটকেন্দ্র থেকে পাঁচ- ২৫ কিলোমিটার দুরত্বে পর্যন্ত দুর্গম এলাকায় শতাধিক গ্রাম রয়েছে। সেসব গ্রামের মানুষরা একদিন আগে ভোট দিতে আসতে হয়। কোন কোন গ্রাম ৭-৯ ঘন্টা পায়ে হেটে ভোট কেন্দ্রে পৌছাতে হয়। দুর্গমতা কারণে এসব ভোটাররা ভোট দিতে আসবে কীনা সেই বিষয়ে স্পষ্ট নয়। তবে প্রার্থীদের কর্মীরা আগাম থাকা-খাওয়া ব্যবস্থা করলে ভোট দিতে আসবে বলে ধারণা করছেন এই জনপ্রতিনিধিরা। জেলা প্রশাসক ও রির্টানিং অফিসার শামিম আরা রিনি জানিয়েছে, সাতটি উপজেলায় নির্বাচনী সরঞ্জাম পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। আর আমাদের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।জেলা প্রশাসক জানান, দুর্গম এলাকার ভোটাররা কিভাবে আসবে সেটা নিয়ে আমাদের টিম কাজ করে যাচ্ছে। তবে প্রত্যান্ত এলাকার বিষয়ে আগে থেকে উদ্যেগ নেয়া গেলে ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে আসতে পারতো। আর যোগাযোগের বিষয়ে উন্নয়ন বোর্ড এলজিইডিসহ সরকারে কাছে যাতায়াতের নির্মানের প্রস্তাব পাঠানো পরিকল্পনা নিয়েছি। এটি আগামীতে বাস্তবায়ন হলে ভোটাররা ভোট দিতে আসতে সহজ হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


error: Content is protected !!