Logo
শিরোনাম
লামায় বন ও গজালিয়া আর্মি ক্যাম্পের যৌথ অভিযানে ২০০ ঘনফুট গোল কাঠ জব্দ মাহে রমজানের সম্মানার্থে ঈদগাঁও প্রেসক্লাবের র্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ঈদগাঁও সুপারী গলি সড়কের ড্রেনেজ ব্যবস্থার বেহাল দশা, সংস্কারের উদ্যোগ নেই ঈদগাঁও শাহ জব্বারিয়া দাখিল মাদ্রাসায় চালু হলো বিজ্ঞান বিভাগ, শিক্ষায় নতুনত্বের সূচনা পোকখালীতে যুবকের ছুরিকাঘাতে মোস্তফা কামাল নিহত পটিয়ায় হযরত মকবুল শাহ্ (রহ:) এর ৮২ তম পবিত্র বার্ষিক ওরশ শরীফ সম্পন্ন। বিলাইছড়িতে চমক দেখালেন বিএনপির  কাদের: ব্যবস্থা করলেন কাদার উপরে শক্ত মাটি বসিয়ে মানুষ যাতায়াতের শিক্ষাঙ্গন হালচাল-১  ঈদগাঁওতে আমির সুলতান এন্ড দিল নেওয়াজ হাইস্কুল শিক্ষাক্ষেত্রে সফলতার দ্বারপ্রান্ত বিলাইছড়ির দুর্গম ৫ কেন্দ্রের জনবল ও সরঞ্জাম হেলিকপ্টারে নিরাপদে ফিরলো সদরে অবৈধ বালু-মাটির ব্যবসা বন্ধ করতে কঠোর বার্তা এমপি কাজলের

লামায় বন ও গজালিয়া আর্মি ক্যাম্পের যৌথ অভিযানে ২০০ ঘনফুট গোল কাঠ জব্দ

মো. ইসমাইলুল করিম নিজস্ব প্রতিবেদক:

পার্বত্য জেলা বান্দরবানের লামায় সীমান্তবর্তী ডলুছড়ি রেঞ্জাধীন সরই বন ক্যাম্পের হাসনাপাড়া এলাকায় মঙ্গলবার ১৭ ফেব্রুয়ারি দুপুর ২টার দিকে পরিচালিত এক যৌথ অভিযানে প্রায় ২০০ ঘনফুট অবৈধ গোল কাঠ জব্দ করা হয়েছে। অভিযানে সরই বন ক্যাম্প ও গজালিয়া আর্মি ক্যাম্পের সদস্যরা অংশ নেন।বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গামারসহ বিভিন্ন প্রজাতির মোট ১৫০ টুকরা গোল কাঠ জব্দ করা হয়। জব্দকৃত কাঠ স্থানীয় ব্যবস্থাপনায় সরই বন ক্যাম্প অফিসে হেফাজতে রাখা হয়েছে।বাংলাদেশের বনসম্পদ সংরক্ষণে প্রণীত বন আইন ১৯২৭ (বাংলাদেশ সংশোধিত) অনুযায়ী সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে অনুমতি ছাড়া গাছ কাটা, অপসারণ, মজুত বা পরিবহন দণ্ডনীয় অপরাধ। আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অবৈধভাবে বনজ সম্পদ আহরণ, সংরক্ষণ বা পাচারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা, অর্থদণ্ড এবং কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।এ ছাড়া কাঠ পরিবহনের ক্ষেত্রে বৈধ পারমিট ও ট্রানজিট পাস বাধ্যতামূলক। অভিযানে জব্দ হওয়া কাঠের কোনো বৈধ কাগজপত্র পাওয়া যায়নি বলে বন বিভাগের প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে।লামায় সরই বন ক্যাম্পের বিট কর্মকর্তা মোহাম্মদ করিম জানান, বন আইনে নিয়মিত মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের শনাক্তে তদন্ত চলছে। জড়িত ব্যক্তি বা চক্র শনাক্ত হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।স্থানীয় সূত্রের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী চক্র গোপনে বনাঞ্চল থেকে কাঠ কেটে বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করছে। তবে সাম্প্রতিক যৌথ অভিযান এ ধরনের কর্মকাণ্ডে বড় ধাক্কা দিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা ।ডলুছড়ি রেঞ্জসহ পার্বত্য অঞ্চলের দুর্গম বনাঞ্চলে জনবল সংকট, পর্যাপ্ত যানবাহনের অভাব এবং প্রভাবশালী কাঠ চোরাকারবারি চক্র বন সংরক্ষণে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত টহল, স্থানীয় জনসম্পৃক্ততা এবং আইন প্রয়োগে কঠোরতা বৃদ্ধি না করলে বন উজাড় রোধ কঠিন হবে।সাম্প্রতিক এই অভিযান বন বিভাগের তৎপরতার ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হলেও টেকসই ফল পেতে হলে অবৈধ কাঠ পাচারচক্রের মূল হোতাদের আইনের আওতায় আনা জরুরি। অন্যথায় বনসম্পদ রক্ষা ও পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়বে বলে জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


error: Content is protected !!