Logo
শিরোনাম
পরিবারের কান্না’র আহাজারি পটিয়ায় নিরীহ সিএনজি চালক কে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি! লামায় হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত ১৮ শিক্ষার্থী অসুস্থ রাজস্থলী বাঙ্গালহালিয়ার শশ্মানে পাশে কুড়িয়ে পাওয়া সেই নবজাতক কণ্যা শিশুর ঠাঁই হলো ‘ছোটমণি নিবাসে’ বিলাইছড়িতে পুষ্টি সপ্তাহ উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা চলতি বোরো মৌসুমে ঈদগাঁওতে জমে উঠেছে শ্রমিক কেনা-বেচার হাট নানা আযোজনে নাইক্ষ্যংছড়িতে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ পালিত ঈদগাঁও উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত পোকখালীতে জিয়া খাল পুনঃখনন কাজের শুভ উদ্বোধন রাজস্থলীতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে হেডম্যান-কারবারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারী-ঈদগড় সড়ক উন্নয়ন দৃশ্যমান -দূর হচ্ছে দীর্ঘদিনের ভোগান্তি

চলতি বোরো মৌসুমে ঈদগাঁওতে জমে উঠেছে শ্রমিক কেনা-বেচার হাট

এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও

ভোর সকাল হতে না হতে জমে উঠে ঈদগাঁওতে  শ্রমিক কেনাবেচার হাট। বোরোধান মৌসুমে ভিন দেশীয় শ্রমিকদের পদচারনায় মুখর হয়ে উঠে। স্থানীয় শ্রমিকদের কদর নেই তেমন।

রাত পার হলেই কাক ডাকা ভোর হওয়ার পর পর কর্মজীবি শ্রমিকরা ছুটে আসেন ঈদগাঁও বাজারের শাপলা চত্ত্বরে। সেখান থেকেই কেনা বেচা হয়। চোখে-মুখে তাদের অসহায়তার ছাপ। হাটে এক শ্রেণির মানুষ এসেছেন ‘বিক্রি’ হতে আরেক শ্রেণির মানুষ এসেছেন কিনতে।

চলতি মৌসুমে বোরোধান পাকা শুরু হচ্ছে। এই ধান কাটা মৌসুম শ্রমিকদের কদর তুঙ্গে বললে চলে। ঈদগাঁও উপজেলার আওতাধীন পাঁচটি ইউনিয়নের সোনালী বোরো ধান চাষীরা তাদের উৎপাদিত পন্য ধান কাটতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শ্রমিক হাট থেকে নিচ্ছেন। স্থানীয়রা জানান, এই হাটটি দীর্ঘবছর ধরে বসছেন। এটিই পুরাতন। অথচ উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের আশপাশ এলাকার বহু অভাবী লোক থাকলেও বাজারে ধান কাজে বিক্রি হতে খুব কম আসে। স্থানীয় দের দাপট নেই শ্রমবাজারে। ভীনদেশীয়দের দখলে এ বাজার।

দেখা যায়, বাজারে কাজের সন্ধানে আসেন বেশিরভাগই ক্যাম্প থেকে। তবে স্থানীয়দের তেমন চোখে পড়েনি। শ্রমিকের উপচেপড়া ভীড় যেন লক্ষনীয়। বোরো ধান কাটা শুরু হওয়ায় শ্রমিকের হাট জমে উঠেছে। বর্তমানে দৈনিক জনপ্রতি এক হাজার টাকা হিসেবে শ্রম বিক্রি হচ্ছে। কমেই সহজে কেউ যাচ্ছেন না। আরো দেখা যায়,কেউবা একা,কেউবা তিন জনের, কেউবা পাঁচজন আর কেউ কেউ ৮জন গ্রুপে বিভক্ত হয়ে ধান কাজ করতে ছুটেই এসেছেন।

দূরদূরান্ত থেকে আসা কৃষি কাজের শ্রমিকরা সারাদিন কাজ করে রাতে টাকা নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ঘুমিয়ে পড়েন। কেউ কেউ পাশ্ববর্তী মসজিদ বা স্কুলের বারান্দায় মশারী টাঙ্গিয়ে ঘুমাতেও চোখে পড়ে।

কাজের সন্ধানে ক্যাম্প থেকে আসা একজন শ্রমিক জানান, দুয়েক বছর ধরেই বোরো ধান কাটা মৌসুমে এ বাজারে আসছি। দূরদূরান্ত থেকে এখানে বেশি লোক আসে কাজ করার জন্য। তবে স্থানীয় শ্রমিক বলতে কম। তাদের আনাগোনা তেমন নেই। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক শ্রমিক জানান, কিছু চাষা (গৃহকর্তা) ভালো মানুষ। কিছু উগ্র মেজাজী। ভাল মন্দের মধ্যদিয়েই কাজে দিন পার করতে হচ্ছে। করার কিছুই নেই। পরিবার পরিজনের মুখে শুধুমাত্র হাসি ফুটাতে এ কাজে যোগ দিতে হয়েছে। পারলে ২৪ ঘণ্টা খাটাতে চাইবে এটা স্বাভাবিক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


error: Content is protected !!