গত ২০:জুন শনিবার দৈনিক পাংগু, সহ বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকাা ও অনলাইনে আমাকে জড়িযে সাংবাদিক দের ভুল বুঝিযে, ও ভুল তথ্য উপস্থাপন করে যে সংবাদ পরিবেশে করা হযেছে আমি এর তিব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
মুল সংবাদের ব্যখ্যা নিন্ম রুপ
আমি মোহাম্মদ মাহবুব ইলাহ প্রশাসক
নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়ন পরিষদ ।
আমার বিরুদ্ধে ফেসবুক ও বিভিন্ন মিডিয়াতে জন্ম সনদ. নাগরিক সনদ.বিভিন্ন ধরনের প্রত্যয়ন পত্র. ওয়ারিশ সনদ. নাইখনছড়ি খাল পূণ্য খননঃ এবং টোল ট্যাক্স আদায়কারী নিয়ে ভুয়া তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। এটি সঠিক নয়।মুলত
একজন সেবা গ্রহীতা যখন জন্ম নিবন্ধন এর জন্য আবেদন করে তখন গ্রাম পুলিশ দ্বারা যাচাই-বাছাই করা হয় পরবর্তীতে দফাদার. মেম্বার এবং সচিবের স্বাক্ষরিত হওয়ার পর আমার নিকট উপস্থাপিত হয়।
এখানে বলে রাখা প্রয়োজন যে আমি কোন নির্বাচিত প্রতিনিধি নই এটা আমার অতিরিক্ত দায়িত্ব
এছাড়াও লামা এবং আলীকদম উপজেলার দায়িত্ব পালন করে আসছি। নাগরিক সনদের ক্ষেত্রে একই পদ্ধতি অনুসরণ করা হয় এবং পিতা-মাতার এনআইডি ভেরিফাইড কপি যুক্ত করা হয় এবং যাচাই বাছাই করা হয়। পারিবারিক বা ওয়ারিশ সনদ এর ক্ষেত্রে গ্রাম পুলিশ দফাদার ও মেম্বার এর প্রতিবেদন পাওয়ার পর ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তার প্রশাসনিক কর্মকর্তার স্বাক্ষর হওয়ার পর আমার নিকট স্বাক্ষরকারী নিকট ফাইল উপস্থাপিত হয় প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আমার নিকট পারিবারিক সনদ উপস্থাপিত হয়। পরে আমার দ্বারা অনুমোদিত হয়
মৃত্যু নিবন্ধনের ক্ষেত্রে সমাজ প্রধান. গ্রাম পুলিশ.মেম্বার দফাদার ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত হওয়ার পর নিম্ন আমার নিকট উপস্থাপিত হয় । পরে আমি যাচাই-বাছাই করে অনুমোদন দেই।
আমার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ এবং প্রকল্পের টাকা অপচয় এবং আত্মসাৎ যে অভিযোগগুলো গেছে তা সম্পন্ন ভিত্তিহীন। কারণ আমি আজ পর্যন্ত কোন প্রকল্প কমিটির সভাপতি নই। এক্ষেত্রে আমার বিরুদ্ধে যা অভিযোগ আছে তার সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
২০২৬-২৭অর্থবছর নাইখনছড়ি সদর ইউনিয়নের টোল ট্যাক্সআদায়কারী নিয়োগ স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তীতে ইউনিয়ন পরিষদের আইন অনুযায়ী পরিশোধ বর্গের সকল সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে টোল ট্যাক্স এর বিষয়টি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।এতে আমি একক ভাবে কোন সিদ্ধান্ত নি নাই।
এছাড়া সংবাদের একাংশে
সৈয়দ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে অপপ্রচার চালাচ্ছে যে ৮০ লাখ টাকা দিয়ে ইজারাদার হবে বা আদায়কারী হওয়ার জন্য যে অপপ্রচার চালাচ্ছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট কারণ সে। টাকা নিয়ে পরিষদে আসা তো দূরের কথা সে পরিষদেও আসেননি।
তাই সংবাদিক ভাই দের নিকট বিনীত অনুরোধ
মিথ্য তথ্য বিভ্রান্ত না হযে।
সঠিক সংবাদ পরিবেশে করুন।
নিবেদক
মোঃমাহবুব ইলাহী
প্রশাসক নাইক্ষ্যংছড়ি সদর
ইউনিয়ন পরিষদ
বান্দরবান পার্বত্যজেলা