নিজস্ব প্রতিনিধি,ঈদগাঁও
ঈদগাঁও উপজেলায় পল্লী বিদ্যুৎতের অতিরিক্ত বিলে চরম বিপাকে পড়েছেন অসংখ্য গ্রাহকরা, এসব বিষয়ে দেখার যেন কেউ নেই।
জানা যায়, কক্সবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির, ঈদগাঁও জোনাল অফিসের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকার গ্রাহকরা চলতি বছরের জুন মাসের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলে হিমশিম খাচ্ছেন। পূর্বের চেয়েও অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল গুনতে হল জুনে।
যার ফলে সাধারণ গ্রাহকদের মাঝে অসন্তোষ, হতাশা ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন গ্রাহক ক্ষোভের ভাষায় জানান, ব্যবহারের তুলনায় অতিরিক্ত বিল। এপ্রিল মাসে বিল ছিল ৪৮৫, মে মাসে বিল ৫৫১ ও জুন মাসে এসে সেটি ৭৩৬ টাকার বিল। শুরু থেকেই যে জিনিস ব্যবহারের ছিল, এখনো সেগুলো রয়েছে। তারপরও কেন জুন মাসে বিল বেশি আসল? এসব প্রশ্নের উত্তর মিলছেনা। অভিযোগের নিষ্পত্তি না হওয়ার ফলে নিয়মিত ভোগান্তির শিকার হচ্ছি আমরা গ্রাহক সমাজ।
রাসেল নামে এক কুলিং কর্ণার ব্যবসায়ী জানান, ছোট্ট একটি দোকানে মে মাসে বিল এসেছে ১ হাজার ৪০ টাকা, কিন্তু জুন মাসে সেটি ১৬শ ৩০ টাকায় রুপ নিল। দ্বিগুন বিলে আসলেই হতাশ।
মাইজ পাড়া আরেক গ্রাহক জানান,তার বাড়ীতে
মে মাসে বিল এসেছে ৮শত টাকা, জুন মাসে ১৬ শত ৩০ টাকার বিলে অর্ধেকের অর্ধেক টাকা বৃদ্ধি পেল। দু:খজনক বিষয় বলেও জানান।
ঈদগাঁওয়ের নিউ মার্কেটের ফ্যাশন গ্যালারীর স্বত্বাধিকারী মফিজুর রহমান জানান, দোকানে মে মাসে বিল ছিল ৬ হাজার ৫ শত টাকা, জুন মাসে সেটি ১০ হাজার ৭শত ৭৭ টাকা করলো।
স্থানীয়রা জানান, বিদ্যুৎ একটি জনগুরুত্বপূর্ণ সেবা। তাই এই সেবায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও গ্রাহকবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা সময়ের দাবি
মোহাম্মদ ইসমাইল নামে এক গ্রাহক এফবিতে লিখেছেন, বিদ্যুৎ বিল নিয়ে ঈদগাঁও পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের উপর সাধারণ গ্রাহক সমাজ অত্যন্ত হতাশ ও মর্মাহত।
সচেতন মহল জানান, স্থায়ী,গ্রহণযোগ্য সমাধান কল্পে জনপ্রতিনিধি,সংশ্লিষ্ট পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ, ও ভুক্তভোগী গ্রাহকদের অংশগ্রহণে উন্মুক্ত সভা করার দাবি। আলোচনার মাধ্যমে গ্রাহক সমাজে অভিযোগ ও একত্রিত করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করলে বাস্তবসম্মত ও কার্যকর সমাধান বেরিয়ে আসবে বলেও মনে করছেন।
পবিসের ঈদগাঁও জোনাল অফিসের নির্ধারিত নাম্বারে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সংযোগ না পাওয়ায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।