• বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০১:০০ অপরাহ্ন
Headline
লামায় উপজেলায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস পটিয়া খলিলুর রহমান স্কুলের প্রধান শিক্ষক শামসুল সিদ্দিক হাফেজ আহমদচৌধুরী স্কলারশিপ সন্মাননা স্মারক প্রদান পটিয়া দক্ষিণ ভুর্ষি ইউনিয়ন হাজী হাপেজ মীর আহমদ ফোরকানিয়া মাদ্রাসার উদ্যােগে ঈদে-এ মিলাদুন্নবী অনুষ্ঠিত ঈদগাঁওতে মতবিনিময় সভা ও হুইলচেয়ার-সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক পটিয়ায় শাহচাঁন্দ আউলিয়া কামিল মাদ্রাসায় জশ্নে জুলুছ পোকখালীতে মৌলানা রেজাউল করিমের মৃত্যু,সর্বমহলে শোকের ছায়া বিলাইছড়িতে আলিখিয়ং রেঞ্জ অফিসের উদ্যোগে চারা বিতরণ পটিয়া খলিলুর রহমান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভা পটিয়া সাতগাছিয়া দরবার শরীফে মহাসমারোহে জশনে জুলুসে ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) অনুষ্ঠিত পটিয়া সাতগাছিয়া দরবার শরীফে মহাসমারোহে জশনে জুলুসে ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ মিয়ানমার সীমান্তের নাইক্ষ্যংছড়িতে স্থলমাইন আতঙ্ক পাঁচ বছরে ৩০ অধিক বাংলাদেশি হতাহত

Reporter Name / ১০৩ Time View
Update : শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬

আমিনুল ইসলাম

বান্দরবান (নাইক্ষংছড়ি) প্রতিনিধিঃ

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে আবারও স্থলমাইন বিস্ফোরণে এক বাংলাদেশি যুবক গুরুতর আহত হয়েছে।

২৯ জুলাই বুধবার দুপুরে উপজেলার জারুলিয়াছড়ি সীমান্তসংলগ্ন মিয়ানমারের অভ্যন্তরে এ ঘটনা ঘটে।
আহত আব্দুল করিম (২৫)-এর বাম পায়ের হাঁটুর নিচের অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে নাইক্ষ্যংছড়ি হাসপাতালে পরেে,
কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার জারুলিয়াছড়ি সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে প্রবেশের সময় স্থলমাইনে বিস্ফোরণের শিকার হন আব্দুল করিম। বিস্ফোরণের পর তার সঙ্গে থাকা অন্যরা নিরাপদে সরে যান। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করা হয়।
বিজিবি জানায়, ঘটনাস্থল সীমান্তের প্রায় ৫০০ মিটার ভেতরে, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে। বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
সীমান্ত সূত্র ও স্থানীয় জন প্রতিনিধি দের তথ্যমতে, গত পাঁচ বছরে বান্দরবান সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণে অন্তত ৩০ থেকে ৩৫ জন বাংলাদেশি নিহত ও আহত হয়েছেন।
সবচেয়ে বেশী দুঃর্ঘটনা ঘটেছে নাইক্ষ্যংছড়ি, ঘুমধুম, তুমব্রু, লেম্বুছড়ি আশারঘতলী ফুলতলী জামছড়ি সীমান্তে।
উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ঘটনার মধ্যে রয়েছে
২০২৬ সালে নাইক্ষ্যংছড়ির তমব্রু সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণে তিন বাংলাদেশি নিহত।
২০২৫ সালের অক্টোবরে তুমব্রু সীমান্তে কাঠ সংগ্রহে গিয়ে দুই ব্যক্তি গুরুতর আহত।
২০২৪ সালেও নাইক্ষ্যংছড়ি বিভিন্ন সিমান্ত ঘটার শিকার হন অনেকে।
২০২২-২৩ সালে ঘুমধুম ও তুমব্রু সীমান্তে একাধিক বিস্ফোরণে কৃষক ও কাঠ সংগ্রহকারীরা আহত হন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সংঘাতের কারণে সীমান্তজুড়ে নতুন করে মাইন পুঁতে রাখা হয়েছে। ফলে জীবিকার তাগিদে সীমান্ত এলাকায় যাতায়াত কারী সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়ছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা সীমান্তবর্তী ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো চিহ্নিত করে সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সীমান্ত এলাকায় নজরদারি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। তাদের ভাষ্য, সতর্কতার পাশাপাশি কার্যকর উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতেও এমন প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে।
বাংলাদেশ মিযানমার সিমান্তের নাইক্ষ্যংছড়ি বিভিন্ন পয়েন্টে মাইন বিস্ফোরণে হতাহতের বিষয়ে জানতে চাইলে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার এনামুল হাসান প্রতিবেদক কে বলেন এবিষয়ে গত জুন মাসের আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় ব্যাপক আলোচনা হযেছে,
আমরা সীমান্তে এলাকার জন প্রতিনিধি, সাধারণ জনগন গন্যমান্য ব্যাক্তি, হেড়ম্যেন কারবারী দের সাথে নিয়ে বিজিবি সহ
সকলে সীমান্তে বসবাস রত এলাকা বাসীদের সতর্কতার সাতে চলাচলের পরামর্শ এবং সচেতনতা মুলক কাজ করে যাচ্ছি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা