এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও
ঈদগাঁও উপজেলা পোকখালী ইউনিয়নে পশ্চিম গোমাতলী দক্ষিণ চরপাড়া সড়কটি মরণ দশায় পরিণত হয়েছে। জনদূর্ভােগ যেন চরম উঠেছে।
জানা যায়, ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের চরপাড়ার সড়ক দিয়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী, বয়স্ক মানুষ ও সাধারণ পথচারীদের প্রতিদিনই চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। অন্যন্য মৌসুমে যেনতেন কিন্তু চলমান বর্ষা মৌসুমে চলাচলের রাস্তাটির পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে। সুস্থ মানুষ পায়ে হেঁটে এপার-ওপার পার হওয়া অনেকটা কষ্ট সাধ্য হয়ে পড়ে। চরম ঝুঁকি আর দুর্ভোগটি দেখার কি কেউ নেই ? আর কত কাল চলাফেরায় স্থানীয়দের এভাবে কষ্ট পেতে হবেই।
আরও জানা যায়, দক্ষিণ চরপাড়াসহ স্থানীয় লোকজনদের নানান কাজকর্মে ঈদগাঁও বাজার সহ উপবাজারে আসা যাওয়া করতে হয়। কিন্তু চলমান বৃষ্টিপাতের পানিতে কদমাক্তে চেয়ে যাওয়া সড়ক দিয়ে চলাচল যেন ভোগান্তির শেষ পযার্য়ে বললে চলে।
আবার চলাচলের একমাত্র রাস্তা দিয়ে নানা স্কুল ও মাদ্রাসার কোমলমতি ছাত্রছাত্রীরা অতিকষ্টের বিনিময়ে শিক্ষা লাভ করতে যাচ্ছে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। তাদের চোখে মুখে হতাশা কাটছেনা।
রাস্তার পুরো অংশটি এখন কাদা মাটি,দুই পাশে জলাশয় ঘেরা সরু ও পিচ্ছিল কাঁচা রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে ছাত্রছাত্রী,নারী ও বয়স্করা প্রতিনিয়ত চরম বিপাকে পড়ছেন।
পশ্চিম গোমাতলী দক্ষিণ চরপাড়া এলাকাবাসীর প্রাণের দাবী যে, গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ সড়কটি সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় চলাচলের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে এলাকার কৃতি সন্তান ও সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজলের প্রতি আহবান জানিয়েছেন সচেতন মহল।
স্থানীয় সাইফুল খাঁন রিপন জানান,জেলার মধ্য এর চেয়ে খারাপ যোগাযোগ সড়ক আর নেই বলে মনে হচ্ছে। সড়কটি দ্রুত সংস্কার পূর্বক যোগাযোগের সু-ব্যবস্থা করণের জোর দাবী।
গোমাতলী উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক আবদুল জলিল এ প্রতিনিধিকে জানান, দক্ষিণ চরপাড়া সড়কটি চলাচল অযোগ্য। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীরা চলাফেরা করতে ভোগান্তি পোহাচ্ছে
সড়কটি সংস্কার করে চলাচল সহজতর করণের দাবী।
স্থানীয় মেম্বার আবদুল্লাহ জানান, ১৯৯১ সালের পর থেকে অধ্যাবদি পযন্ত চরপাড়া সড়কটিতে ইট বসানো হয়নি। যার ফলে কাদাযুক্ত সড়কটি পার হয়ে আসা যাওয়া করেন শিক্ষার্থী,পথচারী, বয়স্ক লোকসহ গর্ভবতী এবং সাধারণ রোগীরা চলাচলে নিদারুন কষ্ট পাচ্ছে। সড়কটি সংস্কার করা হোক।