• সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৯ অপরাহ্ন
Headline
ফারুয়ার উলুছড়িতে পানিতে ডুবে শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু ফারুয়ার উলুছড়িতে পানিতে ডুবে শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু বিলাইছড়িতে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা ঈদগাঁওতে অবৈধভাবে বালি উত্তোলনে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও ড্রেজার মেশিন জব্দ ঈদগাঁওতে অবৈধভাবে বালি উত্তোলনে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও ড্রেজার মেশিন জব্দ লামায় ভূমি রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম জেলা সদরে স্থানান্তর,স্থানীয়দের মাঝে ক্ষুব্ধ ঈদগাঁওর নাসী খাল থেকে রাতের আঁধারে বালু উত্তোলন বিলাইছড়িতে জাতীয় যুব দিবস পালিত বিলাইছড়িতে পালবার লিং সেন্টারের বার্ষিক কঠিন চীবর দানোৎসব অনুষ্ঠিত সফলতার স্বর্ণশিখরে পাহাড়ের তরুণ উদ্যোক্তা: রাষ্ট্রপতির সম্মাননা পেলেন রাঙ্গামাটি রাজস্থলী উপজেলার আছোমং মারমা।

লামায় ভূমি রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম জেলা সদরে স্থানান্তর,স্থানীয়দের মাঝে ক্ষুব্ধ

Reporter Name / ৩১ Time View
Update : সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬

মো. ইসমাইলুল করিম নিজস্ব প্রতিবেদক:
পার্বত্য জেলার বান্দরবানের লামা উপজেলার সব ধরনের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম স্থানীয় উপজেলা কার্যালয় থেকে সরিয়ে জেলা সদরে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন। এ সিদ্ধান্তের ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়ার আশঙ্কা করছেন লামার সাধারণ মানুষ। সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনা করে আগের মতো উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) কার্যালয় থেকে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীরা।জানা গেছে, পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি, ১৯০০-এর ২০ বিধি অনুযায়ী বান্দরবানের জেলা প্রশাসক নাজমিন সুলতানা গত সোমবার (২৬ অক্টোবর) এ আদেশ জারি করেন। আদেশে ২০২২ সালের ১০ জানুয়ারি জারি করা আগের নির্দেশ বাতিল করা হয়। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত লামা উপজেলার সব ধরনের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম বান্দরবান জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের রেজিস্ট্রেশন শাখা থেকে পরিচালনার কথা বলা হয়েছে। এতদিন এসব কাজ লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে করা হতো।উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, চলতি ২০২৬ সালে লামা উপজেলায় বায়নাপত্র, সাব-কবলা, দানপত্র, পাওয়ার অব অ্যাটর্নি ও চুক্তিনামাসহ মোট ১ হাজার ২৬৩টি রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে ছোটখাটো রেজিস্ট্রেশন কাজের জন্যও তাদের প্রায় ১০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে বান্দরবান জেলা সদরে যেতে হবে। এতে সময় ও অর্থ দুটিই বেশি খরচ হবে। পাশাপাশি পাহাড়ি দুর্গম পথের কারণে বাড়বে ভোগান্তি।লামা উপজেলার ৬ নম্বর রূপসীপাড়া এলাকার বাসিন্দা আবুল হোসেন সহ অনেকে বলেন, লামা থেকে জেলা সদরের দূরত্ব প্রায় ১০০ কিলোমিটার। ছোটোখাটো রেজিস্ট্রেশন কাজের জন্যও অতিরিক্ত সময়, অর্থ ও শ্রম ব্যয় করে জেলা সদরে যেতে হবে। এতে সাধারণ মানুষ আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি হয়রানির শিকার হবেন।একই বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ৫ নম্বর সরই ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য হাবিবুর রহমান বলেন, প্রশাসনের উচিত বিষয়টি মানবিক ও বাস্তবসম্মত ভাবে বিবেচনা করা। জনদুর্ভোগ কমাতে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম দ্রুত আগের নিয়মে লামা ইউএনও কার্যালয়ে ফিরিয়ে আনার দাবি জানাচ্ছি।এ বিষয়ে লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সোমাইয়া আক্তার প্রতিবেদক’কে বলেন, রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম জেলা প্রশাসকের এখতিয়ারাধীন বিষয়। সরকারি দায়িত্ব অনুযায়ী আমাদের কাজ করতে হয়।এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বান্দরবানের জেলা প্রশাসক নাজমিন সুলতানার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।বান্দরবানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এস এম হাসান বলেন, রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমের নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণ জেলা প্রশাসকের এখতিয়ার। তিনি যেকোনো ইউএনওকে এ দায়িত্ব দিতে পারেন অথবা ফিরিয়ে নিতে পারেন।তবে লামা থেকে বান্দরবানের দূরত্ব বেশি হওয়ায় জনগণের ভোগান্তির বিষয়টি আমরা বুঝতে পারছি।তবে বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা