নিজস্ব প্রতিনিধি
বান্দরবানে পার্বত্য চট্টগ্রামে উঁচুভুমিতে তুলা চাষের মাধ্যমে কার্পাস মহলের ঐতিহ্য পূনরুদ্ধার শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্টিত হয়েছে।
৪ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার সকালে বালাঘাটা বান্দরবান পাহাড়ি তুলা গবেষণা কেন্দ্র মিলনায়তনে রাজস্ব বাজেট অর্থায়নে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা খামার বাড়ি তুলা উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক মোঃ আখতারু জ্জামান।
এসময় কৃষিবিদ মোঃ নাছির উদ্দীন আহমেদ এর সভাপতিত্বে জেলা পরিষদের সদস্য সিং অং খুমী, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ- পরিচালক হুমায়ুন, ডঃ সাফায়েত হোসেন সিদ্দিকী, জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ গোলামুর রহমান, কৃষিবিদ ক্য ছেন, রাঙ্গামাটি প্রধান তুলা উন্নয়ন কর্মকর্তা পরেশ চন্দ্র চাকমা, রাঙ্, মোঃ মোজাফর হোসেনসহ তুলা চাষী ও বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি আখতারুজ্জামান বলেন, দেশে দুই ধরণের তুলা চাষ করা হয় সমতল এলাকায় আপল্যান্ড তুলা এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল এলাকায় পাহাড়ী তুলা চাষ করা হয়। আপল্যান্ড তুলার ফলন বেশী এবং পাহাড়ী তুলার ফলন কম। পাহাড়ী এলাকায় দিন দিন তুলা চাষ জনপ্রিয় হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে স্পিনিং মিলের সংখ্যা ৪৩৯টি, নীটিং ইন্ডাস্ট্রি ১৭০০, টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রি ১৩৪৩ টি ও তাত শিল্পের জন্য প্রতি বছর ২০হাজার কোটি টাকার তুলা আমদানী করতে হয়।
তুলাচাষী জিন্দ্রীয় ত্রিপুরা বক্তব্যে বলেন, বিঘা প্রতি ৫হাজার টাকা খরচ করে ৪০ হাজার টাকা লাভবান হয়েছেন। এছাড়া আদা, ভুট্টা, মরিচ,ধান,সাথী ফসল হিসেবে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, এখন আখ চাষের সাথে সাথী ফসল হিসেবে তুলাও চাষ হচ্ছে ।
All rights reserved © 2020 paharechok.com||
এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি