Logo
শিরোনাম
নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারীর গহীন  পাহাড় থেকে ৩ শ্রমিক অপহরণ ‎‎পাহাড়ী জনপদ ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কে ইউপি সদস্য রুস্তম আলীকে অপহরন পটিয়ার  নাইখাইনে গরু চুরি হওয়া  থানায় অভিযোগ: উল্টো  ভুক্তভোগী কৃষকের বড় ভাইকে  হয়রানি শিকার। ফুটবল ও ক্রিকেটে খেলোয়াড় বাছাই….. ঈদগাঁওতে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস্ কর্মসূচির বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন হারবাংয়ে ৩০শতক বনভূমি দখলমুক্ত, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ বিলাইছড়িতে এসএসসি পরীক্ষায় ৩০৮ পরীক্ষার্থীর মধ্যে  অনুপস্থিত  ৬ ঈদগাঁওতে ৩ কেন্দ্রে এসএসসিও দাখিল পরীক্ষা শুরু বিএনপির সভাপতি এমএ সালাম ফকিরকে দেখতে হাসপাতালে VL পাংখোয়া গ্যাসের দাম বৃদ্ধিতে ঈদগাঁও-ঈদগড়-বাইশারী সড়কে সিএনজি ভাড়া বৃদ্ধি পোকখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে জেন্ডার ও সুশাসন বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে আলোচনা

শালিখায় এক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা

শালিখা মাগুরাঃশালিখায় এক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের হয়েছে। রোববার মাগুরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক প্রণব কুমার দাস মামলাটি তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছেন বলে মামলার এজাহার সুত্রে জানা গেছে।

আদালতে দায়েরকৃত ধর্ষণ মামলার বাদী ওই গৃহিণীর বাড়ি শালিখা উপজেলায়। অন্যদিকে চেয়ারম্যান আবদুল হালিম মোল্যা বামনখালি গ্রামের বাসিন্দা।

মামলায় বাদীর অভিযোগ, পরিবারের অসচ্ছলতার সুযোগ নিয়ে স্বামীর অনুপস্থিতিতে চেয়ারম্যান আবদুল হালিম দীর্ঘদিন ধরে তার বাড়িতে যাওয়া আসা করেন এবং নানা প্রলোভন, ভয়ভীতি ও বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে দিয়ে গত ২ ফেব্রুয়ারি তাকে আগের স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটান। কিন্তু পরে তাকে বিয়ে করেননি। উপরন্তু সর্বশেষ ১৬ জুলাই শনিবার রাত ৯টার দিকে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন চেয়ারম্যান। রোববার আদালতে মামলা দায়ের করেন তিনি।

আদালতে মামলার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনজীবী মির্জা হাফিজ বলেন, মামলাটি থানায় নথিভুক্তির জন্য আদালতে আবেদন করা হলেও মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক বিষয়টি তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছেন।

অভিযুক্ত চেয়ারম্যান ওই গৃহিণীকে ধর্ষণ করেছেন- এমন ভিডিও এবং স্থিরচিত্র বাদীর কাছ থেকে পাওয়া গেছে; যেটি মোবাইল ফোনে সংরক্ষিত আছে বলেও তিনি জানান।

এদিকে রোববার আদালতে মামলাটি দায়েরের পর একটি টিনের চালার ঘরের মধ্যে ওই গৃহবধূ এবং ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল হালিমকে ঘনিষ্ঠভাবে মেলামেশার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়েছে।

ধর্ষণ মামলার বিষয়ে মামলাটির বাদী বলেন, চেয়ারম্যান বিভিন্ন সময়ে নানা কৌশলে ভয়ভীতি দেখিয়ে আমার কাছে এসেছেন। মোবাইলে ছবি তুলে ভয় দেখিয়ে মেলামেশা করেছেন। প্রাণভয়ে কখনো বাধা দিতে পারিনি। ঈদের আগে আমার স্বামীকেও পরিষদে ডেকে নিয়ে মারধর করেছেন। দিনে দিনে আমার ও পরিবারের ওপর অত্যাচার বেড়েই চলেছে বিধায় মামলাটি করতে বাধ্য হয়েছি।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত চেয়ারম্যান আবদুল হালিম। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে কারাবন্দি নেতা কাজী সালিমুল হক কামালের ভাই সোনা কাজী দীর্ঘদিন ধরে আমার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র চালিয়ে আসছেন। তারই ধারাবাহিকতায় এসব মামলা সাজানো হতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


error: Content is protected !!