Logo
শিরোনাম
হারবাংয়ে ৩০শতক বনভূমি দখলমুক্ত, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ বিলাইছড়িতে এসএসসি পরীক্ষায় ৩০৮ পরীক্ষার্থীর মধ্যে  অনুপস্থিত  ৬ ঈদগাঁওতে ৩ কেন্দ্রে এসএসসিও দাখিল পরীক্ষা শুরু বিএনপির সভাপতি এমএ সালাম ফকিরকে দেখতে হাসপাতালে VL পাংখোয়া গ্যাসের দাম বৃদ্ধিতে ঈদগাঁও-ঈদগড়-বাইশারী সড়কে সিএনজি ভাড়া বৃদ্ধি পোকখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে জেন্ডার ও সুশাসন বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে আলোচনা ঈদগাঁওর কালিরছড়া খালে পড়ে যুবকের মৃত্যু  রামুর গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে বিদায় সংবর্ধনায় কৃতি শিক্ষার্থীদের জন্য নগদ বৃত্তির ঘোষণা নাইক্ষ্যংছড়ির সোনাইছড়িতে  বর্ণাঢ্য আয়োজনে সাংগ্রাইয়ের জলকেলি উৎসব উৎযাপিত নাইক্ষ্যংছড়ির সোনাইছড়িতে  বর্ণাঢ্য আয়োজনে সাংগ্রাইয়ের জলকেলি উৎসব উৎযাপিত

লামায় প্রথম ধাপে ১০৯৭ পরিবার পাচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড

মো. ইসমাইলুল করিম নিজস্ব প্রতিবেদক:

‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান। পার্বত্য জেলা বান্দরবানে প্রথম ধাপে পাইলট প্রকল্পে ১ হাজার ৯৭টি পরিবারের মাঝে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান। আগামী মঙ্গলবার (১০ মার্চ) লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় এই কর্মসূচি উদ্বোধন করা হবে।রোববার (০৮ মার্চ) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বান্দরবান জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি।প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সারা দেশে ১০ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচিতে ভূমিহীন, প্রতিবন্ধী, তৃতীয় লিঙ্গ, ক্ষুদ্র -নৃগোষ্ঠী এবং ০.৫ একরের কম জমির মালিক পরিবারগুলো এই ফ্যামিলি কার্ড পেতে অগ্রাধিকার পাবে। ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্দেশ্য হলো, প্রতিপরিবারকে মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা বা সমমূল্যের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ করে হতদরিদ্র পরিবারের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। নারীদের মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি অর্থ প্রদান করে অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।লামা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মঈন উদ্দিন প্রতিবেদক’কে বলেন, প্রথম ধাপে লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মোট ১ হাজার ২৭৪টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। তবে ১৩৮টি পরিবারের জাতীয় পরিচয় (এনআইডি) পত্র না থাকায় তাদের তালিকা থেকে যাচাই-বাছাই করার সময় বাদ দেওয়া হয়। পরে অবশিষ্ট ১ হাজার ৯৭টি পরিবারকে চূড়ান্তভাবে বাছাই করে কেন্দ্রীয় ফ্যামিলি কার্ড বাছাই কমিটির কাছে পাঠানো হয়েছে। এসব পরিবারের কাছেই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে। বান্দরবান পার্বত্য জেলায় ১১টি পাহাড়ি জনগোষ্ঠীসহ মোট ১২টি জাতিগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে। তবে কোনো জাতিগোষ্ঠীকে আলাদা করে তালিকা করা হয়নি বলে জানান তিনি।জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি প্রতিবেদক’কে জানান, সারা দেশে ১০টি জেলায় পাইলট প্রকল্প হিসেবে শুরু হওয়া ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের পাইলট প্রকল্পের আওতায় বান্দরবান জেলার লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে প্রথম পর্যায়ে ১ হাজার ৯৭টি পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে। সরকার দেশের প্রান্তিক, হতদরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলোর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছে। এই কার্ডের মাধ্যমে প্রতিটি কার্ডধারী পরিবার প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা সরাসরি নগদ সহায়তা অথবা সমমূল্যের টিসিবি পণ্য পাবে।জেলা প্রশাসক জানান, ১০ মার্চ এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বান্দরবান -৩০০ নং আসনের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


error: Content is protected !!