Logo
শিরোনাম
ঈদগাঁওতে পরীক্ষা কেন্দ্র সংশ্লিষ্টদের নিয়ে প্রশাসনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বান্দরবানের  নাইক্ষ্যংছড়িতে পুলিশের অভিযানে অস্ত্র  ও গুলি সহ আটক-২ নাইক্ষ্যংছড়িতে নানা  আয়োজনে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর  মহা সাংগ্রাইং পোযেঃ জলকেলি উৎসব উৎযাপিত জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রবীন্দ্র লাল ও সভাপতি সালাম ফকিরকে দেখতে হাসপাতালে চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি ঈদগাঁওতে এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার্থীদের সফলতা কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ঈদগাঁওতে ৮ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত সৌর প্যানেলের ক্যাবল চুরি, চিকিৎসা সেবা ব্যাহত ঈদগাঁওতে ইক্বরা তাহসীনুল কোরআন মাদ্রাসায় সভায় পাগড়ি পেল ১৪ কুরআন হাফেজ পটিয়ায় বর্ষবরণে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: কানাডা প্রবাসীর শরবত বিতরণ ঈদগাঁওতে আক্কাবো গোষ্ঠী সমাজ বৈঠক সম্পন্ন বানিয়ারছড়া-গজালিয়া সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের অবহিতকরণ ও গণশুনানি ফাইতং বাজারে

বান্দরবানে পেট্রোল-অকটেন সংকট, ভোগান্তিতে শেষ নেই চালকদের

মো. ইসমাইলুল করিম নিজস্ব প্রতিবেদক:

পার্বত্য জেলা বান্দরবানের হঠাৎ করেই পেট্রোল ও অকটেনের সংকট দেখা দিয়েছে। জেলার বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার ও পেট্রোল-অকটেন চালিত যানবাহনের চালকরা। জ্বালানি নিতে এক পাম্প থেকে অন্য পাম্পে ছুটতে দেখা যাচ্ছেন চালকরাও।রোববার (৮ মার্চ) সকাল থেকে বান্দরবান সদরের বিভিন্ন পাম্পে এমন চিত্র দেখা যায়।সকাল থেকে কয়েকটি পেট্রোল পাম্পে গিয়ে দেখা যায়, মোটরসাইকেল ও গাড়ির দীর্ঘ সারি। পর্যাপ্ত জ্বালানি না থাকায় একশত টাকার বেশি অকটেন দেওয়া হচ্ছে না পাম্প থেকে। খুচরা তেল ব্যবসায়ীদের মধ্যে অধিকাংশই দোকান বন্ধ করে দিয়েছে তেল না থাকায়। এতে চরম বিপাকে পড়েছে অকটেন ও পেট্রোল চালিত যানবাহন চালকেরা।স্থানীয় সিএনজিচালক মো.জাহাঙ্গীর বলেন, পাহাড়ি জনপদের এই বান্দরবানের ভাড়ায় সিএনজি চালিয়ে সংসার চলে তার। গতকাল পাম্প থেকে ২০০ টাকার অকটেন নিয়েছিলেন। আজ কোনো পাম্পেই তেল না পাওয়ায় যাত্রী পরিবহন করতে পারছেন না, এতে সংসার পরিচালনা করা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বলে জানান তিনি।রাইসুল ইসলাম নামে এক মোটরসাইকেল চালক বলেন, জরুরি ডাক্তার দেখাতে তাকে পার্শ্ববর্তী কেরানীহাট যেতে হচ্ছে। যার দূরত্ব প্রায় ২১ কি.মি. পক্ষান্তরে তিনটি পেট্রোল পাম্প ঘুরে অকটেন পেয়েছি ১০০ টাকার, যা ১ লিটারেরও কম। এই তেল দিয়ে যাওয়া-আসা কঠিন হয়ে যাবে বলে জানান তিনি।উজমা পেট্রোল পাম্পের ম্যানেজার জুয়েল দাশ বলেন, গতকাল পর্যন্ত স্টকে যা ছিল তা গ্রাহকদের দিয়ে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে কোনো প্রকার অকটেন বা পেট্রোল নেই। তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান মেঘনা গ্রুপের কাছে বার বার ডিমান্ড দেওয়ার পরও তারা অকটেন বা পেট্রোল দিচ্ছে না। যা স্থানীয় প্রশাসনকেও জানানো হয়েছে। বান্দরবান জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি প্রতিবেদক’কে বলেন, সকরকার যেহেতু জ্বালানি তেলের সংকট ঘোষণা করেনি। সেহেতু কেউ মজুদ করে দাম বাড়ানোর অপচেষ্টা করলে তা কোনো ভাবেই মেনে নেওয়া হবে না এবং মজুদের প্রমাণ পেলে কঠোরভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


error: Content is protected !!