• সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১১:২৩ অপরাহ্ন
Headline
ইযাবার শ্রোত থামাবে কে নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম সীমান্তে ১০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার রামু পূর্ব সীমান্তের নিউজ ডেক্সের আত্মপ্রকাশ, সভাপতি হামিদুল হক মার্শাল -সেক্রেটারি শাহাব উদ্দিন সিকদার তথ্য ভিত্তিক ওয়েবসাইট “ঈদগাঁও সিটি ডটকম” এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা ঈদগাঁওতে কোরবানির পশুর চামড়ার প্রত্যাশিত দাম নেই : বিপাকে বিক্রেতারা ঈদগাঁওতে সমাজ প্রথায় উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত, প্রত্যেক ঘরে কোরবানি মাংস ঈদগাঁওতে বিএনপির উদ্যোগে শহীদ জিয়ার শাহাদাত বার্ষিকীর আলোচনা ও দোয়া মাহফিল উচ্চ শিক্ষা বিষয়ক কর্মশালায় বক্তারা বলেন… ঈদগাঁও উপজেলা ঘোষনা হলেও নানান সুবিধা থেকে আমরা অনেক পিছিয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেসক্লাবের জরুরি সভা অনুষ্ঠিত বিলাইছড়িতে ২ দিনের সফরে  চাকমা সার্কেল চীফ ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এঁর শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত কেশবপুরে

ঈদগাঁওতে কোরবানির পশুর চামড়ার প্রত্যাশিত দাম নেই : বিপাকে বিক্রেতারা

Reporter Name / ৩৭ Time View
Update : সোমবার, ১ জুন, ২০২৬

এম আবু হেনা সাগর ,ঈদগাঁও 

কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলায়  কোরবানির পশুর চামড়ার বাজারে প্রত্যাশিত দাম না থাকায় বিপাকে বিক্রেতারা। অসংখ্য গরু-মহিষের চামড়া অবিক্রিত দেখা যায়। কাঙ্ক্ষিত দাম না পেয়ে হতাশায় পড়েন বিক্রেতাসহ মাদরাসা সংশ্লিষ্টরা। ঈদুল আযহার দিন আসরের পর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ঈদগাঁও বাজারের দক্ষিণ পাশ্বে তেলী পাড়া সড়কের মাথা সংলগ্ন স্থানে এমন চিত্র চোখে পড়ে।

বিক্রির জন্য উপজেলার বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা থেকে  নিয়ে আসা হয় তাদের কোরবানের পশুর চামড়া। এমনকি বিভিন্ন মাদ্রাসা ও হেফজখানায় উত্তোলনকৃত চামড়াও এ বাজারে এনেছেন। কিন্তু এবছর চামড়ার দাম নিয়ে হতাশ হয়ে পড়েন অনেকে। 

স্থানীয় সূত্র মতে, উচ্চ মূল্যের গরু মহিষের চামড়ার যে দাম, তেমনি কম মূল্যের পশুর চামড়ার দামও একই দাম। তবে সন্ধ্যার পরপর ব্যবসায়ীরা উল্লেখযোগ্য দাম না পেয়ে গাড়ী ভর্তি করে চামড়া গোদামে নিয়ে যাচ্ছেন বলেও জানান বিক্রেতারা।  

২৭ মে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো: শাহিদুল আলম স্বাক্ষরিত একটি পত্রে জানানো হয় যে, ঈদুল আযহা উপলক্ষে কোরবানিকৃত পশুর সংরক্ষণকৃত কাঁচা চামড়া বাহী ট্রাক বা অন্যান্য যানবাহন কোরবানি পরবর্তী ৭দিন কোনভাবেই জেলার সীমানা অতিক্রম করতে না পারে সে বিষয়ে সর্তক থাকার জন্য এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। 

চামড়া বিক্রেতাদের মতে, চাহিদা থাকার পরও ক্রেতারা কাঙ্ক্ষিত টাকায় কিনছেনা চামড়া। এতে স্থানীয় বাজারে চামড়ার দরপতন বলে অনেকে মন্তব্য করেন।

উপজেলার বিভিন্ন গ্রামগঞ্জে  কোরবানির পশুর চামড়া অনেকেই স্থানীয় মাদরাসাতে এতিম ফান্ডে দান করেন। তারা বিক্রি করতে গিয়ে পরিপূর্ণ দামে বিক্রি করতে পারেননি। ক্রেতারা সে দামে নিচ্ছেনা। তবে সংরক্ষণ অভিজ্ঞতা ও কষ্টের কারনে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ কমমূল্য চামড়া বিক্রি করতে বাধ্য হয়। 

মোকতার আহমদ নামের এক চামড়া ব্যবসায়ী জানান, ১শত ৫০ টাকা ২শত টাকার ভেতরে বিভিন্ন দামে ৪/৫শ চামড়া কিনেছি। ঠিক একই কথা জানালেন আজি রহমান নামের আরেক চামড়া ব্যবসায়ী। তিনিও সেই দামে একাধিক চামড়া কেনার কথা জানান।

মাইজ পাড়া মাদ্রাসায় উত্তোলনকৃত ২২৬টি চামড়া ১৭৫ টাকা দামে বিক্রয়ের কথা জানান মাদ্রাসার শিক্ষক মাহমুদুল হক। দক্ষিণ মাইজ পাড়া এলাকার হেফজখানার এক দায়িত্বশীল আনিছুর রহমান এবছর চামড়ার কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েন। ৬২টি চামড়া ১৩০ টাকা হিসেবে বিক্রি করার কথা জানান, জালালাবাদ মোহাম্মদীয়া মাদ্রাসা ও হেফজখানার শিক্ষক আজিজ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা