• রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৮ অপরাহ্ন
Headline
কাপ্তাই সেনাজোন ৩৮ বীরের ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ঈদগাঁওতে শতবর্ষী অসহায় শেফালী পালের পাশে উপজেলা প্রশাসন ও ইউপি চেয়ারম্যান বান্দরবান জেলা পরিষদে ক্রীড়া বিভাগের দায়িত্বে কাজী নিরুতাজ বেগম পটিয়া পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডকে ‘মডেল’ বানাতে চান ব্যবসায়ী নেতা হারুনুর রশিদ উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপন করুন, সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা প্রদান করা হবে – এনামুল হক এনাম এমপি ঈদগাঁও উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় শারদীয় দূ্গাপূজার উপহার বিতরণ দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাঙ্গালহালিয়াযতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে আর্থিক সহায়তা প্রদান। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপির),ঈদগাঁও উপ জেলা শাখার আহবায়ক কমিটি ঘোষণা বিলাইছড়িতে শারদীয় দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা জোরদার, মোতায়েন স্বেচ্ছাসেবক বান্দরবানে দুর্গাপূজা উপলক্ষে অনুদানের চেক বিতরণ

ঈদগাঁওতে বর্ষা মৌসুমে মাছ ধরার জালের কদর তুঙ্গে, তিনগুন দাম 

Reporter Name / ১৭১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬

এম আবু হেনা সাগর,ঈদগাঁও 

বর্ষা মৌসুমে ধানক্ষেতে,খালে-বিলে দেশীয় প্রজাতির মাছ ধরার জন্য জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে জাল। সুতার তৈরি এক ধরনের মাছ ধরার ফাঁদ হলো জাল। ঈদগাঁওতে সারা বছরের পাশাপাশি বর্ষা মৌসুমেই বিভিন্ন নামের জালের কেনাবেচা হয় বেশি। কদরও তুঙ্গে বটে।
গতকাল ঈদগাঁও বাজার পশ্চিম গলির জালের দোকানে গেলে এমন দৃশ্য চোখে পড়ে। বিভিন্ন দোকানপাটে সারি সারি সাজিয়ে রেখেছেন নানা ডিজাইনের জাল। খুচরা বিক্রি করে বিক্রেতারা।

জানা যায়, গ্রামাঞ্চলে ধানক্ষেত ও খালে নানান প্রজাতির মাছ শিকার করেন জেলেও কৃষকরা। একসময় বাঁশের তৈরি চাঁই দিয়ে মাছ ধরা হতো। এখন শক্ত, মজবুত জালের কদর তুঙ্গে রয়েছে। ঈদগাঁওর জালের দোকানে ছোট-বড়সহ নানা সাইজ,মানের জাল পাওয়া যাচ্ছে। স্থানীয়দের মেধা আর পরিশ্রমে উদ্ভাবিত জালের চাহিদা বাড়লেও দাম তিনগুন। 

ঈদগাঁওতে কিছু কিছু পরিবার জাল তৈরি করে থাকে। এ কাজে পারদর্শী নারীরা,গৃহস্থ পরিবার লোকজন অবসরে বাড়িতে জাল তৈরি করেন।
এমনটি জানান এক দোকানদার। জাল তৈরীর কাজ বহু কষ্টের। এই কাজে টিকে থাকা কঠিন ব্যাপার। জাল তৈরী করতে দীর্ঘসময়ে প্রয়োজন হয়। তাদের নিপূন হাতে তৈরীকৃত জাল স্থানীয় হাটবাজারে বিক্রি করে যাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

পেঠান নামের এক ব্যাক্তি জানান, মাঝারি সাইজ জাল কিনতে গিয়ে দামের কারনে কেনা হয়নি।
আরেকজন জানান,শখ করে মাছ ধরতে ভাল মানের জাল কিনলাম। জাল নিয়ে গ্রুপ ভিত্তিক লোকজনের সাথে মাছ ধরতে খালে যাওয়া হয়। স্থানীয় মুরব্বিরা জানান, পূর্বে জালের দাম ছিল কম। বতমানে জালের দাম কিন্তু অনেক বেশি। 

জাল বিক্রেতা মাসুদ বলেন, চলতি বর্ষা মৌসুমে গ্রামের মানুষ ধানক্ষেতে এবং খালবিলে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরে থাকেন। সারাবছর ধরে জাল বিক্রি হলেও বর্ষা মৌসুমে বেচাকেনা বেশি হয়। পুকুরে মাছ ধরার জন্য জাল ফাঁদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ১ হাজার ৫শ টাকা থেকে ৪ হাজার ৫শত টাকা দামের জাল রয়েছে। আরো দামী কিনতে চাইলে অর্ডারী তৈরীর কথাও জানান।
তার দোকানে দৈনিক জাল বিক্রি হয় ২/১টি। বিভিন্ন সময়ে আরো বেশিও বিক্রি হয়ে থাকে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা