এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও
ঈদগাঁও উপজেলার জনগুরুত্বপূর্ণ আলমাছিয়া মাদ্রাসা টি যেন মরণফাঁদে পরিণত হয়ে পড়েছে। দীর্ঘকাল ধরে সংস্কারে এগিয়ে না আসায় চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছেন সড়ক দিয়ে চলাচলরত লোকজনদের মাঝে।
দেখা যায়,মাদ্রাসা সড়কে বঙ্কিম বাজার পয়েন্টর একটি অংশে দীর্ঘদিন ধরেই বৃষ্টির পানি জমে রয়েছে। পানি চলাচল করার নেই কোন ব্যবস্থা। সড়কের দুইপাশে স্থাপনা গড়ে উঠায় বৃষ্টির পানি সুষ্ঠুভাবে কোন দিক দিয়ে যাতায়াত করতে না পারায় সড়কের উপর জমে রয়েছে। এমনকি ঐ পয়েন্টে খানাখন্দকে চেয়ে গেছে। পানির কারনে ভাঙনটি দেখা যাচ্ছেনা। ফলে চলাফেরায় চরম বিপাকে পড়েছে যানবাহনসহ লোকজন।
জানা যায়, মাদ্রাসা সড়ক দিয়ে প্রতিনিয়ত নারী পুরুষ চলাচল করে, ছোট বড় অসংখ্য যানবাহন চলাফেরা করে। ঈদগাঁও আলমাছিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা, ঈদগাহ রশিদ আহমদ কলেজ, ঈদগাহ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, ঈদগাহ আদর্শ শিক্ষা নিকেতন, ঈদগাহ শাহ জব্বারিয় দাখিল মাদ্রাসার অসংখ্য ছাত্রছাত্রী এই সড়ক ব্যবহার করে থাকেন।
এমনকি ঈদগাঁও বাজারে বিভিন্ন পয়েন্ট যানজট থাকার কারনে রোগীবাহী গাড়ীও এ সড়ক দিয়ে যাতায়াত করে থাকেন।
বঙ্গিম বাজারে আলমাছিয়া সড়কে জলাবদ্ধতা স্থানটি দীর্ঘদিনও সংস্কারে কেউ এগিয়ে আসছে না। যার ফলে, বর্ষাকালে অল্পবৃষ্টি হলেও পানি বন্দি হয়ে পড়ে সড়কটি। এতেই ছাত্রছাত্রীসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচলে নিদারুন কষ্ট পাচ্ছে। অনেক চালক খানাখন্দকে পড়ে দূঘটনায় শংকা ও প্রকাশ করেন। পানির কারনে একপাশে হাঁটা চলার জন্য বালির বস্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
স্থানীয় দোকানদারেরা জানান, পানি যাতায়াতের কোন ব্যবস্থা না থাকায় সড়কের উপর পানি জমে রয়েছে। দেখার যেন কেউ নেই।
মাদ্রাসার ছাত্ররা জানান,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াতে এত কষ্ট সহজেই মেনে নেয়া যায়না। মাদ্রাসা সড়কের উক্ত স্থানে পানি নিস্কাশন কোন ব্যবস্থা আছে কি?
কলেজের এক ছাত্র জানান, ঈদগাঁও বাজারের পরে জনগুরুত্বপূর্ণ বিধায় মাদ্রাসা সড়কটি খুব বেশি মানুষ ব্যবহার করে থাকে। সড়কের মাঝ অংশে যেন জন দূভোগ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীদের কথা বিবেচনায় রেখে এ সড়কটি দ্রুত সংস্কার পূর্বক যাতাযাতে সু-ব্যবস্থা করা হউক।
ঈদগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সোহেল জাহান চৌধুরী মুঠোফোনে সংযোগ না পাওয়ায় ইনবক্সে যোগাযোগ করা হলে তিনি উক্ত সড়কে বিষয়ে দেখি কি করা যায় বলেও উল্লেখ করেন।