হারাধন কর্মকার রাজস্থলী।
রাঙ্গামাটি জেলার রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের আবাসিক হিন্দু পাড়া পাশ ঘেঁষে আবাসিক মুন্সি পাড়া খাল পার চলাচল কাঁচা রাস্তা টির বেহাল দশা, ইট সলিং করার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। একটি বৃষ্টি হলে হাঁটু সমান কাঁদা হয়ে চলাচল করা বড় দায়। পাড়াটি দীর্ঘ ২০ বছর আগে স্থাপিত হয়। স্থাপিত হওয়ার পর থেকে এখনো কাঁচা রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে হয় এলাকাবাসীর। পাড়াটিতে ছোট বড় প্রায় ২৫/৩০ টি পরিবারের বসবাস। রাস্তাটির শেষ মাথায় যে একমাত্র খালটি রয়েছে সেটি বিশেষ করে আবাসিক বসবাসরত প্রায় ৪০/৫০ টি হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের বিভিন্ন পূজা পার্বনে লেগে থাকেন। তারাও বহু কষ্ট করে যাতায়াত করেন। পাড়ার বাসিন্দা আব্দুল হামিদ জানান দীর্ঘ বছরের দুর্ভোগ এখনো শেষ হচ্ছে না। একটু বৃষ্টি হলেই কাঁদা মাটিতে হাহাকার হয়ে যায়। বৃষ্টি হলেই রাস্তায় কাঁদাতে হেঁটে ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা স্কুলে যেতে চায়না। সরকার আসে এবং যায় এবং জনপ্রতিনিধি ইউপি সও আসে যায় কিন্তূ রাস্তাটি সমস্যা সমাধানের কারো মাথা ব্যথা নেই বললেই চলে। তাই এলাকাবাসীর চলাচলের সুবিধার্থে ৫শত ফিট লম্বা রাস্তায় ইট সলিং, খাল পাড় সাইডে একটি ড্রেন এবং একটি মিনি ব্রীজ নির্মাণের দাবি জানান। আবাসিক হিন্দু পাড়ার মা মগদ্ধেশ্বরী মাতৃ মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি প্রিয়লাল দত্ত বলেন আসলে পাড়ার আশ পাশ তেমন খাল বা পুকুর না থাকায় প্রায় সময় পূজা পার্বনে সময় চলাচল আবাসিক মুন্সি পাড়া খালপার যেতেই একমাত্র রাস্তাটি ব্যবহার করতে হয়। করতেইউপি সদস্য কাইয়ুম হোসেন মিরাজ বলেন রাস্তাটি অনেক দীর্ঘ দিনের।রাস্তায় ইট বিছানো সহ একটি ড্রেন ও একটি ছোট ব্রীজ নির্মাণ করা অতিব জরুরি হয়ে পড়েছে। বৃষ্টি মৌসুমে পাড়া বাসীর দুর্ভোগ চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা বড় দায়। ইউপি চেয়ারম্যান আদোমং মারমা বলেন পরিষদের সল্প বরাদ্দ দিয়ে রাস্তাটিতে ইট বিছানো সম্ভব নয়। এটি জেলা পরিষদ নয়তো বা পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে প্রকল্প গ্ৰহন করতে হবে বলে জানান।