নিজস্ব প্রতিনিধি,ঈদগাঁও
ঈদগাঁওতে ময়লা আবর্জনা না ফেলার অনুরোধ জানিয়ে সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি দেয়ালে টাঙানোর পরও ময়লা আবর্জনায় আশপাশে চেয়ে গেছে।
এটিই জ্ঞানহীনতার পরিচয় বলেও মন্তব্য বলে পথচারীরা।
দেখা যায়,বেশ কিছুদিন ধরে ঈদগাঁও বাজারের দক্ষিণ পাশে অবস্থিত ঈদগাঁও ইউনিয়ন ভূমি অফিসের প্রবেশ পথের পাশে দেয়ালে বড় করে লেখা রয়েছে যে,”সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি, ঈদগাঁও ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কম্পাউন্ড (সীমানা প্রাচীনে) ময়লা আবর্জনা না ফেলার জন্য অনু রোধ রইল। অন্যথায়,জরিমানাসহ অর্থদণ্ডে দন্ডিতক্রমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইবে।
আদেশক্রমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার, ঈদগাঁও-কক্সবাজার। সাইনবোর্ডে টাঙানো পর ও এটির নিচে দীর্ঘলাইন জুড়ে ময়লায় ভরপুর। দীর্ঘদিনেও দেখার যেন কেউ নেই।
জানা যায়, ঈদগাঁও বাজারের ডিসি সড়কে যান জটের কারনে লোকজন সড়কের এক পাশেই নির্মিত ড্রেনের স্লাবের উপর দিয়ে চলাচল করে থাকেন প্রতিনিয়ত। দু:খজনক হলেও সত্য যে, সে ড্রেনের পাশে ময়লা আবর্জনা ফেলে চলাচল অযোগ্য করে তুলেছেন কতিপয় লোকজনরা।
একদিকেই ড্রেনের পাশ দিয়ে চলাফেরা করতে পারছেনা নারী-পুরুষরা। দূগন্ধে বিষিয়ে উঠেছে পরিবেশ। অপরদিকে নাক চেপে ধরে প্রায়সময় মানুষজন আসা যাওয়া করে যাচ্ছেন। দূ সমস্যা নিয়ে বিপাকে পড়েন বাজারে আগত লোকজন।
সূত্র মতে,স্থানীয় ব্যবসায়ীদেরকে নোটিশ নিয়ে অবগত করাও পরেও তারা কর্ণপাত না করে সরকারী অফিসের ভাউন্ডারীকে আবজনার স্তুপে পরিণত করে তুলছেন। কোনভাবেই তারা নিদের্শনা মানছেনা। বরাবর ড্রেনের উপর ফেলে ময়লা আবজনা।
পথচারীরা জানান, সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সতর্ক করা হলেও এটিকে তোয়াক্কা না করেই চলাচল পথে ময়লা ফেলে চলাফেরায় বাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টা চালানো ছাড়া আর কি বা হতে পারে। এটি জ্ঞানহীন মানুষের পরিচয়। তদন্ত পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থার জোর দাবী।
সচেতন মহল জানান, চলাচল সড়কেই ময়লা আবজনা ফেলে যারা, তাদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করা অতীব জরুরী।